ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে একটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এই তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এই সফরের কথা জানান।

বৈঠকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে নেওয়া একটি বড় প্রকল্প ২০২৪ সালে শেষ হলেও এর সুফল এখনো পুরোপুরি পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। ফলে ওই এলাকায় জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে রয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজতেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিএনডি এলাকার চলমান প্রকল্পটি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পানি সম্পদ মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সিটি করপোরেশনের সরাসরি তদারকি ও ব্যবস্থাপনায় এবার ডিএনডি এলাকার উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যাবে।

তিনি আরও জানান, শুধু জলাবদ্ধতা দূর করাই নয়—এলাকার বর্জ্য অপসারণ ও সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনাও এখন থেকে সিটি করপোরেশন তদারকি করবে, যা ওই অঞ্চলের পরিবেশ উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

ডিএনডি এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে নতুন কিছু পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অতিরিক্ত ৩০ কিলোমিটার ড্রেনেজ উন্নয়ন কাজের একটি নতুন প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই এই নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যেই ডিএনডি এলাকাবাসীকে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিভিন্ন মহল দেশের সম্প্রীতি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেশে-বিদেশে অনেক মহল চেষ্টা করছে। মাঝেমধ্যে কিছু সুবিধাবাদী মানুষ অস্থিরতা সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়। তবে যেকোনো মূল্যে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশ ভয়াবহ অগণতান্ত্রিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এসেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। জাতীয় সমস্যা সমাধানে ঐকমত্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সকলের সমঝোতার মধ্য দিয়ে জাতীয় সমস্যাগুলোর সমাধান করতে হবে। এই লক্ষ্যে জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে একটি শান্তিপূর্ণ, সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে বিভেদ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। পারস্পরিক আস্থা, সহমর্মিতা ও ঐক্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। আরটিভি/এসআর
বিভিন্ন মহল দেশের সম্প্রীতি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রাষ্ট্রপতি
এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স
দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন নবায়ন-সব ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক জটিলতা ও হয়রানি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স
দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি অব্যাহত রাখা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি অব্যাহত রাখা ও সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহ্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
দুর্গাপূজায় ধর্মীয় সম্প্রীতি অব্যাহত রাখা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
দেশে প্রতিষ্ঠা হবে প্রথম কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
দেশে প্রথমবারের মতো কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন, যৌথ শিক্ষাক্রম চালু এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনে বৃত্তি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হবে। বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের পক্ষে দেশটির শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর)  চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং শতাধিক দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। বেইজিং এগ্রিমেন্টের পাশাপাশি সম্মেলনে ‘চীনে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক শ্বেতপত্র’, ‘লুবান ওয়ার্কশপের জাতীয় মানদণ্ড’ এবং আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল উন্মোচন করা হয়। বেইজিং এগ্রিমেন্টে বাংলাদেশের সমর্থন ও সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণের মানদণ্ড গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এই সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করবে।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় যৌথ সহযোগিতা বাংলাদেশি তরুণদের জন্য বিশ্বজুড়ে বাস্তব কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।’ স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটি বাংলাদেশ-চীনের দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা আশাবাদ প্রকাশ করেন। সহযোগিতা কাঠামোর অগ্রাধিকারমূলক ৬ উদ্যোগ এই দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তির আওতায় দুই দেশ অগ্রাধিকারমূলক ৬টি সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করবে।  ১. চীনের কারিগরি শিক্ষাক্রম, শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকায়ন করা হবে। ২. দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি নতুন কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। ৩. কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য যৌথ ২+২ এবং ৩+১ মডেলের কারিগরি একাডেমিক কর্মসূচি চালু করা হবে। ৪. বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধার পাশাপাশি স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হবে। ৫. চীনের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহে বাংলাদেশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। ৬. বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা বৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করা হবে। চুক্তি বাস্তবায়নে চীনের গুয়াংডং, জিয়াংসি এবং অন্যান্য প্রদেশের খ্যাতনামা কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এই দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার মূল বাস্তবায়নকারী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। আরটিভি/এসআর
দেশে প্রতিষ্ঠা হবে প্রথম কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে।
তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিবন্ধীদের দাবি শুনলেন প্রধানমন্ত্রী, বাস্তবায়নে উদ্যোগ
সরকারি কোয়ার্টারে সাবলেট কেন, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর
সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ জায়গা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী