ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া: শিক্ষামন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।  ফাইল ছবি

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। তাই আমরা সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।

বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের দুর্বলতা রাখা যাবে না। জনসংখ্যাকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা বিশাল জনসংখ্যা আছে, এটি আমাদের সম্পদ এবং একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকরাই। আমাদের এটিতে গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য শুধু উচ্চ শিক্ষা নয়; প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।

ডিন অ্যাওয়ার্ড একটা অর্থবহ পুরস্কার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজকে যারা এ পুরস্কার পেলেন তারা অনুপ্রাণিত হলো। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করবে এটি।

এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। ১০৪ জনকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স অনুষদের ২৯ জন, আইন অনুষদের ৩ জন এবং চারুকলা অনুষদের ৩ জন এই সম্মাননা পেয়েছেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাবিতে চার দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও ফুড ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী চতুর্থ ‘পর্যটন মেলা ও ফুড ফেস্টিভ্যাল-২০২৬’। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। বুধবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টায় মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। কেক কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অনুষ্ঠানে পর্যটন, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যময় খাবারের সমন্বয়ে নানা আয়োজন রাখা হয়েছে। মেলায় রয়েছে বাহারি খাবারের স্টল, দেশীয় হস্তশিল্প, উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ ও বর্ণিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে মেলা চলবে। চার দিনব্যাপী এ আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আলকাপ, গম্ভীরা, সংগীতানুষ্ঠান এবং আরইউ ড্যান্স ক্লাবসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনা থাকছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের (বিটিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্যারিস্টার মোনতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, ‘পর্যটন বিভাগে কেউ বেকার থাকে না। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বিকাশের সুযোগ করে দেয়। ট্যুর গাইড, মেন্টর, ট্যুর অপারেটর ও হসপিটালিটি অপারেটর হিসেবে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগে ট্যুরিজম বোর্ড সব সময় পাশে থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটনশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে। এ জন্য পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি সেসব স্থানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে হবে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর প্রচারের মাধ্যমে এ খাতের বিপুল সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব।’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাস্তব জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের দক্ষতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ পায়। পাশাপাশি দেশের পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ একটি দেশ। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও শিক্ষা, গবেষণা ও বাস্তবমুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে পর্যটনশিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখতে চায়। আমি আশা করি, শিক্ষার্থীরা অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দক্ষ ট্যুর গাইড, ট্যুর অপারেটর, হসপিটালিটি ব্যবস্থাপক ও পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে। আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং নিজেদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে এ খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে। এ লক্ষ্য সামনে রেখেই বিভাগটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।’ এ সময় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব আবু সেলিম মাহমুদ-উল হাসান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম এবং কোষাধ্যক্ষ (অব.) অধ্যাপক মতিয়ার রহমান। আরটিভি/টিআর
রাবিতে চার দিনব্যাপী পর্যটন মেলা ও ফুড ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬৪৪তম যবিপ্রবি
যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ গত বছরের তুলনায় ৪৩ ধাপ এগিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৬৪৪তম অবস্থান অর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। গত বছর এ অবস্থান ছিল ৬৮৭তম। এদিকে, ২০২৪ সালের কিউএস এশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি এর আগে সর্বোচ্চ ৫৫১-৬০০-এর মধ্যে অবস্থান অর্জন করেছিল। এবারের তালিকায় বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এশিয়ায় ৬৪৪তম অবস্থানের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যবিপ্রবির অবস্থান ১৮০তম। গত ৩ নভেম্বর কিউএস তাদের ওয়েবসাইটে এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৭ সালের র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। এবারের র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবীর বলেন, গতবারের তুলনায় এবার এশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে যবিপ্রবি ৪৩ ধাপ এগিয়েছে, যা আনন্দের ও আশাব্যঞ্জক খবর। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনি আরও বলেন, আমাদের আরও ভালো করার সুযোগ রয়েছে। সেসব ক্ষেত্র চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে সবাই মিলে কাজ করতে চাই। যবিপ্রবিকে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আরটিভি/টিআর
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৬৪৪তম যবিপ্রবি
যবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) জমকালো আয়োজন ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ‘আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’। রোমাঞ্চকর ফাইনাল খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে শিরোপা জিতেছে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান (পিইএসএস) বিভাগ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, “নিয়মিত একাডেমিক চাপের মধ্যে খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের অন্য রকম আনন্দ দেয়। এটি শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমের বিকাশ ঘটাতে এবং পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হতে সাহায্য করে। টুর্নামেন্ট চলাকালে খেলোয়াড় ও দর্শক উভয়ের মধ্যেই পড়াশোনায় কিছুটা উদাসীনতা লক্ষ করা গেলেও এখন থেকে সবাইকে পুনরায় মূল একাডেমিক পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।” বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে এ ধরনের সুস্থ ও সুন্দর সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের প্রসার শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের আয়োজন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিভা অন্বেষণ, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজেদের প্রস্তুত করা এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে সহায়তা করে। আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণের আগে আন্তঃহল (ছাত্রী) প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর চ্যাম্পিয়ন তাপসী রাবেয়া হল ও রানারআপ বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ব্যাডমিন্টন (নারী) প্রতিযোগিতায় এককে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লিকা পদ্দার এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল (নারী) প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর রানারআপ হওয়ায় যবিপ্রবির নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক ড. অভিনু কিবরিয়া ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হাসান, প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান, পিইএসএস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাফিরুল ইসলাম, শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক উজ্জ্বল চন্দ্র সূত্রধর, ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. রায়হান রাকিবসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াহেদ। মাঠে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক দর্শকের করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। আরটিভি/টিআর
যবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন সাবেক রুয়েট শিক্ষার্থী ফারুক আহমেদ
বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফারুক আহমেদ। তিনি রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের ১৯৮৮-৮৯ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ দায়িত্বে পদায়ন করা হয়। এর আগে তিনি হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ গত ৪ জুন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে পদোন্নতি পান। পরবর্তী সময়ে গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) পদ থেকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে বদলি করা হয়। নতুন এই পদায়নের মাধ্যমে তিনি পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট এসআরবির নেতৃত্বের দায়িত্ব পেলেন। এর আগে ইউনিটটির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ। তাকে পুলিশ অধিদপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি পেশাদারত্ব, নেতৃত্বগুণ ও দক্ষতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। তার এই গৌরবময় অর্জনে রুয়েট পরিবার গর্বিত ও আনন্দিত। রুয়েট পরিবারের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ার মো. ফারুক আহমেদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন সাবেক রুয়েট শিক্ষার্থী ফারুক আহমেদ
এইচএসসি সম্পূরক পরীক্ষা কবে, অংশ নিতে পারবেন যারা
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর।
এইচএসসি সম্পূরক পরীক্ষা কবে, অংশ নিতে পারবেন যারা
আরও পড়ুন
এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন সাবেক রুয়েট শিক্ষার্থী ফারুক আহমেদ
অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া: শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসেবায় অনন্য এক জীবন
শিক্ষা তহবিল ব্যবহারে বড় ছাড় পেল ওহাইও
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এমবিবিএস-বিডিএসে ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান