ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘দেশের কারাগারগুলোয় ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি আছে’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ৭৫টি কারাগারে মোট ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ বন্দি আটক রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, দেশের ৭৫টি কারাগারে সর্বমোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জনের। এর মধ্যে পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ জন এবং মহিলা ২ হাজার ২৯ জন। তবে এই সীমিত ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোয় সর্বমোট ৭৭ হাজার৪০ জন বন্দি আটক রয়েছেন, যার মধ্যে পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ জন এবং মহিলা ২ হাজার ৭৭ জন। এটি মূল ধারণক্ষমতার চেয়ে ১ দশমিক ৭ গুণ বেশি।

আরও পড়ুন

ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বন্দি আটক থাকায় দেশের কিছু কিছু কারাগারে বন্দিদের আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে বলে স্বীকার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে এই আবাসন সংকট দূর করতে সরকার ইতিমধ্যে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরাণীগঞ্জ), সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-২, মাদারীপুর জেলা কারাগার-২ ও পিরোজপুর জেলা কারাগার-২ খুব শিগগিরই চালু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে আরও জানান, বর্তমানে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও জামালপুর কারাগার পুনঃনির্মাণ এবং নরসিংদীতে সম্পূর্ণ নতুন জেলা কারাগার নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এই চারটি কারাগারের নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের কারাগারগুলোর মোট বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার ১৩১ জনে উন্নীত হবে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বেড়েছে জাহাজ, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংও। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাগেরহাট ও মোংলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ সময়ে বন্দরে এসেছে ৮১৫টি জাহাজ। কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন, আর কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এছাড়া আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সক্ষমতা বাড়াতে নতুন সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। তবে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা ধরে রাখা এখনও অন্যতম চ্যালেঞ্জ। চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা আরও জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। আরটিভি/এসআর  
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইউএনজিএ’র ৮১তম অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে যোগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক জানান, তারেক রহমান মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ এ অধিবেশনে যোগ দেন।  সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনের আসনগুলো বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো থাকায় বি আদ্যাক্ষরের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রথম সারিতে আসন পায়। অধিবেশনস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। মিলনায়তনে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে অভিবাদন জানান। এরপর তিনি আসন গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ২ জুন অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ৯৯টি ভোট পেয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে প্রবেশ করে নিজ আসনে বসার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম উপস্থিত ছিলেন। এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে, যা হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্ব সংস্থায় তাঁর প্রথম ভাষণ। ভাষণটি তিনি বাংলায় দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জাতিসংঘ অধিবেশনের পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভাষণ দেবেন, যেখানে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরবেন। আরটিভি/এসআর
জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা প্রভিডেন্ট ফান্ডে (জিপিএফ) ১১-১৩ শতাংশ হারে মুনাফা দেবে সরকার। তহবিলে জমা অর্থের পরিমাণ অনুযায়ী তিন স্তরে এ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ। এতে বলা হয়, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি বা চলতি অর্থবছরে জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ। জিপিএফের আদলে পরিচালিত প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিধি অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫-২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা দিতে পারেন।  জিপিএফ ও সিপিএফ উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর জমার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত অংশ অর্থ দেয়। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ এ তহবিলে দেয়। জমা করা অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান অংশগ্রহণকারীরা। আরটিভি/এসআর  
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
বাসের পর এবার লঞ্চভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব
জ্বালানি তেলের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বৃদ্ধি পাওয়ায় লঞ্চভাড়া কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৪৫ পয়সা (১০০ কিলোমিটারের মধ্যে) বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থা।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক চিঠিতে সংগঠনটির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর এ প্রস্তাব দেন।  আর ১০০ কিলোমিটারের বাইরে ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ২ পয়সা করার প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি। এতে যাত্রীপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হলে বর্তমান ভাড়ার তুলনায় ৫১ শতাংশ বাড়বে। একই হারে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ভাড়া বাড়ালে তা ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। সংগঠনটি জানিয়েছে, গত রবিবার রাতে সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করেছে। এতে জ্বালানি ব্যয় প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত লঞ্চগুলো ডিজেল ও মবিলচালিত হওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পরিচালন ব্যয়ে পড়বে বলে দাবি করেছে তারা। চিঠিতে আরও বলা হয়, এরই মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিভিন্ন ফি ও চার্জ বেড়েছে। এর মধ্যে কনজারভেন্সি চার্জ ৩০ শতাংশ, রুট পারমিট ফি ৫০ শতাংশ এবং বার্থিং চার্জ ১১৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নৌযানের রুট পারমিটের আবেদন ফিও ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া নৌযানের বিশেষ অনুমতি, স্থগিত রুট পারমিট পুনর্বহাল এবং মালিকানা ও নাম বা রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিভিন্ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। শ্রমিকদের মজুরি, নৌযানের সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন ফি এবং আয়কর ও ভ্যাটের ব্যয়ও বেড়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। লঞ্চের প্লেট, অ্যাঙ্গেল, প্রপেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস, রং ও স্পেয়ার পার্টসের দাম এবং ডকিংসহ পরিচালন ব্যয় কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলেও দাবি করেছে লঞ্চমালিকদের সংগঠনটি। চিঠিতে আরও বলা হয়, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে বর্তমানে অনেক যাত্রী সড়কপথে যাতায়াত করছেন। ফলে লঞ্চগুলো ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় মালিকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে প্রস্তাবিত হারে যাত্রীর ভাড়া বাড়ানোর অনুমোদন অথবা ডিজেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থা। আরটিভি/এসআর  
বাসের পর এবার লঞ্চভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব
আরও পড়ুন
আদালতের পরোয়ানার আগেই প্রাণ গেল মৃত্যুদণ্ড পাওয়া কারাবন্দীর
কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ঢামেকে মৃত্যু
৭ মার্চের ভাষণ বাজানো ইমি জামিনে মুক্ত