ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৮ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-ছবি: সংগৃহীত

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে বৃষ্টির মধ্যে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি।

স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মৎস্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত হচ্ছে। কর্মসূচিতে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, পোনা অবমুক্তকরণ, মৎস্যচাষিদের উৎসাহিত করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে।

অনুষ্ঠানে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আরও পড়ুন

এরপর মৎস্য খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণ পদক) দেন প্রধানমন্ত্রী। মৎস্য উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক দক্ষতা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাদের এ পদক দেওয়া হয়। পরে পদকপ্রাপ্তদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জালাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব দেলোয়ার হোসেন এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. খালেদ কনকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর আচমিতা এলাকায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ এবং কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন অনুদান এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী দেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী দিনব্যাপী কিশোরগঞ্জ সফর শেষে সন্ধ্যায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: ডেপুটি স্পিকার
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আজকের তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ।
তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ: ডেপুটি স্পিকার
সাইবার নিরাপত্তায় বড় উদ্বেগ, ডার্ক ওয়েবে ১৮ লাখ বাংলাদেশির ব্যক্তিগত তথ্য
ডার্ক ওয়েবে বাংলাদেশের ১৮ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারীর রেকর্ড এবং অন্তত ১৭ হাজার ৩৬২ সেট লগইন তথ্য পাওয়া গেছে। ব্রেইন স্টেশন–২৩ পিএলসির সাইবার নিরাপত্তা বিভাগ সাইবারস্টেশনের এক রিপোর্টে এমন তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সাইবার রেজিলিয়েন্স ব্রিফিং ২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সরকার, ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি ও শিক্ষা খাতের প্রায় ১৫০ জন প্রতিনিধি ছাড়াও নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সাইবারস্টেশন ১৫টি খাতের মোট ৭৬৭টি ডোমেইন পর্যালোচনা করে প্রায় সবকটির ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে। এতে বলা হয়, ফাঁস হওয়া নাগরিক তথ্যের সবচেয়ে বড় অংশ সরকারি সেবা খাতের।  অন্যদিকে, তথ্য ফাঁসের হার সবচেয়ে বেশি ছিল প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে।  প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এসব পরিসংখ্যান ন্যূনতম হিসাব; প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।  সাইবারস্টেশনের সাইবার নিরাপত্তা সেবাবিষয়ক প্রধান মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম বলেন, ‘যে ঝুঁকি আমরা দেখতে পাই না, তা আমরা প্রতিকারও করতে পারি না। আমাদের লক্ষ্য, প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বুঝতে পারে কোন তথ্যগুলো ফাঁস হয়েছে এবং অপরাধীরা এসব তথ্যের অপব্যবহার করার আগেই যেন ব্যবস্থা নিতে পারে।’ ব্রেন স্টেশন ২৩-এর নির্বাহী পরিচালক এম জে ফেরদৌস বিদেশি সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার তাগিদ দেন। সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানভীর হাসান জোহা সচেতনতা বাড়ানো এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক কৌশল তৈরির ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানের একটি প্যানেল আলোচনায় ডার্ক ওয়েবে তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার রোধে অনুষ্ঠানে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন আলোচকেরা। আরটিভি/ এসকেডি
সাইবার নিরাপত্তায় বড় উদ্বেগ, ডার্ক ওয়েবে ১৮ লাখ বাংলাদেশির ব্যক্তিগত তথ্য
শনিবার সরকারি অফিস-ব্যাংক-শেয়ারবাজার খোলা
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
শনিবার সরকারি অফিস-ব্যাংক-শেয়ারবাজার খোলা
বাংলাদেশি দুই পুলিশকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যা বলছে বিজিবি
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান।
বাংলাদেশি দুই পুলিশকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যা বলছে বিজিবি
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যানবাহনের নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ও গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষায় কঠোরতা অবলম্বন করছে প্রশাসন। পাশাপাশি গতি নিয়ন্ত্রণ, সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি এবং চালকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত, মামলা দায়ের এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করছে। ট্রাফিক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সমন্বিত পদক্ষেপে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। যানবাহন নিবন্ধন, লাইসেন্স প্রদান, ফিটনেস পরীক্ষা এবং আইন প্রয়োগে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছে বিআরটিএ। সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক বলেন, গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা ও স্পিড ব্রেকার স্থাপন, নিয়মিত নজরদারি এবং অদক্ষ চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব। তিনি বলেন , প্রধানত চালকদের অসতর্কতা, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, চালকদের বেপরোয়া গতি, ড্রাইভিংকালে ফোনে কথা বলা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, পথচারীদের অসচেতনতা এবং অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণেই অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ তুলে ধরে ড. শামসুল হক আরও বলেন, আইন অমান্যকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা, নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা, ফুটপাত ও সড়কের মান উন্নয়ন এবং পর্যাপ্ত আলো, ট্রাফিক সিগন্যাল, জেব্রা ক্রসিং ও সড়কচিহ্ন স্থাপন করা জরুরি। এছাড়া হেলমেট ও সিটবেল্ট পরা বাধ্যতামূলক করা এবং মাদকাসক্ত বা ক্লান্ত-ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো বন্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে। সড়কের বিশৃঙ্খলাকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, টেম্পো ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মতো ছোট গাড়ির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব ছোট গাড়ি দ্রুতগতির যানবাহনের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়, যা দুর্ঘটনা বাড়ায়। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তিনি বলেন, প্রধান সড়কের পাশে ফুটপাত দখল ও মার্কেট গড়ে ওঠায় মানুষের যাতায়াত বাড়ছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে নিয়মিত গবেষণা চালানো, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো (ব্ল্যাক স্পট) চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর তাগিদ দেন এই প্রকৌশলী। লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কে কিছু চালকেরা ট্রাফিক আইন অমান্য করে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তাই চালকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এছাড়া মহাসড়ক ও প্রধান সড়কে ছোট গাড়ির আনাগোনা কমানো না গেলে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা কেবল জীবনই কেড়ে নেয় না, বরং পুরো পরিবার ও অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। নিহত বা পঙ্গু হওয়া ব্যক্তির কর্মক্ষমতা হারানোয় আয় কমে যাওয়া ও চিকিৎসাব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবারগুলো মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। মোটরসাইকেল আরোহী, সাধারণ পথচারী, শিশু, সাইকেল ও তিন চাকার যাত্রী এবং সড়কের পাশে বসবাসকারী মানুষই দুর্ঘটনার সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং ও উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। পাশাপাশি ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল এবং যানবাহন পরিদর্শনের দুর্বলতাও এর জন্য বড় দায়ী। তিনি বলেন, দুর্ঘটনা ঘটলেও যেন প্রাণহানি না ঘটে- এমন নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। সেজন্য পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা, মিডিয়ান ব্যারিয়ার, উপযুক্ত বাসস্টপ, পর্যাপ্ত আলো, স্পষ্ট রোড মার্কিং এবং স্কুল ও বাজার এলাকায় গতিসীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ছয় মাসে সারাদেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জন নিহত এবং ৭ হাজার ৫৪৪ জন আহত হয়েছেন। সড়কে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে সাধারণ পথচারী মো. সাফিউর রহমান বলেন, পথচারীদের যত্রতত্র রাস্তা পার না হয়ে সচেতনভাবে চলাচল করা উচিত। দ্রুত রাস্তা পার হওয়ার প্রবণতা দুর্ঘটনার বড় কারণ। তবে অনেক চালক অস্বাভাবিক বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নিয়ম না মেনে গাড়ি চালায়। চালক ও পথচারী- উভয়ের সচেতনতা এবং আইনের কঠোর প্রয়োগই পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে। সূত্র: বাসস আরটিভি/এসকে
গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, কঠোর নজরদারি ও চালকদের প্রশিক্ষণই কমাবে সড়ক দুর্ঘটনা
আরও পড়ুন
রোনালদোকে নিয়ে বোনের বিস্ফোরক মন্তব্য
ইয়েমেনে এবার প্রেসিডেন্টের প্রাসাদে ঢুকে পড়ল ৫ ক্ষেপণাস্ত্র, বেঁচে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
গোপনে শিবির, প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে বারুদ বজ্র কণ্ঠ অর্জন করা যায় না: রাশেদ খাঁন
একদিনে ৩ বিভাগ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী