ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

সারের সংকট নিয়ে বিরোধীদলের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ

নীলফামারী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। ছবি: আরটিভি

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, বিরোধীদল কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে সরকারের ইমেজ নষ্ট করতে চায়।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৪টায় নীলফামারী ডোমারের চিলাহাটিতে গাওছিয়া কমিটি চিলাহাটি শাখার আয়োজনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যত সারের ডিলার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, বিএনপির আমলে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আমরা আগের ডিলার বাতিল না করে শূন্য পদে ডিলার নিয়োগের ২য় পরিপত্র দিয়েছি। ৩য় পরিপত্রের সময় বাড়িয়ে দিয়ে প্রতি ইউনিয়নে ইউএনওর মাধ্যমে একজন করে ডিলার নিয়োগ। যার মাধ্যমে জনগণ সহজেই সার পায়। কেউ যেন বেশি দামে সার বিক্রি করতে না পারে সেজন্য আমরা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৭ সালে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করবই। যা আমাদের নির্বাচনি কমিটমেন্ট, যার মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের আমাদের কয়েক লাখ মানুষ তাদের দীর্ঘদিন দুঃখ দুর্দশা লাঘব করবে। আমাদের এই এলাকা মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে কৃষি কাজ করতে পারেন, মাছ চাষ করতে পারেন, হাঁস চাষ করতে পারেন, সেইভাবে আমরা এই এলাকাগুলোকে মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলব।

ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আজকে যারা আপনাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকম বক্তব্য দিয়েছিলেন। আমাদের ভোট জোর নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, বলতে চাই, সেই সময় তাদের আমির বলেছিলেন যে, কীসের ফ্যামিলি কার্ড? আজকে কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে আমাদের ১০টি উপজেলায়, প্রায় ১৪টি ইউনিয়নে সেই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে এবং এরই মধ্যে আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমরা প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ইউনিয়নে আমরা যারা ফ্যামিলি কার্ডের যারা বিশেষ করে নির্ধারণ করবেন, তাদের তালিকা করেছি। কারণ আমরা এই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে পাঁচটা ক্রাইটেরিয়া আছে। সেই পাঁচটি ক্রাইটেরিয়ার ভিতরে আমরা প্রথম তিনটি ক্রাইটেরিয়া যারা পড়বেন, তাদেরকে আমরা এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছিলেন, সরকার গঠন করতে পারলে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। আমাদের এই অঞ্চলে প্রতিনিয়ত পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। একসময় ২০ থেকে ২৫ ফুট খুঁড়লেই টিউবওয়েলে পানি পাওয়া যেত। এখন ২০০ ফুট খুঁড়েও অনেক জায়গায় পানি পাওয়া যায় না। বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোথাও কোথাও ৬০০ থেকে ৭০০ ফুট খুঁড়েও পানি পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। কিন্তু এসব নদীর অনেকগুলোই এখন আর স্বাভাবিক প্রবাহে নেই। কুড়িগ্রামে দেশের সবচেয়ে বেশি, ৫৪টি নদী এবং পঞ্চগড়ে ৫০টি নদী রয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড়ের বেশ কয়েকটি নদী এখন আর জীবন্ত নেই।

ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভারত সরকারকে আমি অনুরোধ করব, যদি আমাদের বন্ধু মনে করেন, তাহলে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যার পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। এতে আমরা মনে করব, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আপনারা আন্তরিক। আমি আশা করি, বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামী দিনে আমাদের সেই সুবিধাগুলো প্রদান করবেন।

আরও পড়ুন

এ সময় আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী, ডোমার থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ভোগডাবুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রেয়াজুল ইসলাম কালু, ডিমলা ঠাকুরগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মুফতি শাহ মোহাম্মদ ইমরান, মদিনাতুন নুর মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক ক্বারি মোহাম্মদ আলামিন ইসলাম আছ ছাদেকী।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালুর জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৬ সালে এ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তবে সরকার পরিবর্তনের কারণে তাঁর সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। মরহুম প্রধানমন্ত্রীর সেই অসমাপ্ত উদ্যোগ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ হার্ট সার্জারি কার্যক্রম চালু করবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে কলেজটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ  সুরাইয়া জেরিন রনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালটিতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৩৭টি ডায়ালাইসিস মেশিন কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই ডায়ালাইসিস সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এছাড়া নেফ্রোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে একটি মাল্টি-হেড মাইক্রোস্কোপ সরবরাহ এবং হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা আরো ২০টি বাড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, বগুড়া পুরো উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল।  এ কারণে এখানে ক্যানসার ও লিভারসহ জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যাগুলো লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। হাসপাতালের চিকিৎসাবর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি  বলেন, দেশের বড় বড় হাসপাতালগুলোতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৫টি হাসপাতালে এই সেবা চালু হয়েছে। বগুড়াসহ যেসব হাসপাতালে এ ব্যবস্থা নেই, সেগুলোকেও পরিকল্পনার আওতায় আনা হচ্ছে। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদের বিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন প্রমুখ।  আরটিভি/এসআর  
শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হার্ট সার্জারি চালু করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
বর্তমান সময় অনেকেরই জার্মানি যাওয়ার আগ্রহ দেখা যায়। কিন্তু দেশটির ভাষা জানা না থাকার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ যেন অধরায় থেকে যায়। কেউ কেউ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জার্মান ভাষা শেখারও চেষ্টা করেন। কিন্তু ভাষা শেখা ব্যয়বহুল হওয়ায় সবার সম্ভব হয় না তা। এবার সেসব প্রার্থীদের জন্য এল বড় সুখবর।
জার্মানি যাওয়ার বড় সুযোগ! ফ্রিতে ভাষা শিক্ষা দিচ্ছে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বিকল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে 
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান। এ শিল্পের প্রতি তাই বিএনপির দরদ সবচেয়ে বেশি। দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ শিল্পের উন্নয়নে বিএনপি সবসময় আন্তরিক। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজেএ) নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার শুরুতে পোশাক শিল্পের সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার পোশাক শ্রমিকদের দাবির প্রতি আন্তরিক। তাই দ্রুততম সময়ে কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ফটোসাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকার যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, যারা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। এটি শুধু আর্থিক সহায়তার বিষয় নয়, বরং তাদের অবদানের স্বীকৃতি, সম্মান ও মর্যাদার বিষয়। বিপিজেএর নেতাদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। বিপিজেএর কার্যালয় সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংগঠনটির জন্য একটি স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বর্তমানে যে ভবন বা জায়গা নিয়ে জটিলতা রয়েছে, সেটির প্রকৃত অবস্থা ও আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন তিনি। সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ আইন নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা চলছে। সবার মতামত গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকার তাড়াহুড়ো করতে চায় না। তিনি বলেন, আইনটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা চাই, আইনটি যেন প্রকৃত অর্থেই সবাইকে সুরক্ষা দিতে পারে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষ করেই চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে চাই। মতবিনিময় সভায় বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসিন ফটোসাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে ফটোসাংবাদিকদের একটি বড় অংশ নানা ধরনের প্রতিকূলতা, নির্যাতন ও পেশাগত বাধার মধ্যেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদচিত্র ধারণ করেছেন।    বিপিজেএ সভাপতি বলেন, ফটোসাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, দেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংরক্ষণের মাধ্যম। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সাক্ষ্য বহন করে তাদের তোলা ছবি। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফটোসাংবাদিকরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করে দেশ-বিদেশে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বলেন, সংগঠনটির স্থায়ী কার্যালয় নিশ্চিত করা হলে ফটোসাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, সভা-সেমিনার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হবে। বিপিজেএর সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার বলেন, ফটোসাংবাদিকরা গত দেড় দশকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নির্যাতন, হামলা, মামলা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা রাজপথে থেকে সংবাদচিত্র ধারণ করেছেন। তাদের তোলা ছবি দেশের মানুষের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও আন্দোলনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে নুরুদ্দিন আহমেদ, এবিএম রফিকুর রহমান, নাসিম সিকদার এবং দেলোয়ার হোসেন বাদল বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিপিজেএর নির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ জিয়া, এ শিল্পের প্রতি বিএনপির দরদ বেশি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
দেশে উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়া সারের পেটেন্ট প্রাপ্তি টেকসই কৃষি ও গ্রিন টেকনোলজির ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব ‘গেম-চেঞ্জার’ যুগের সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।
ন্যানো ইউরিয়া বাঁচাবে ৯৫ শতাংশ উৎপাদন খরচ ও হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা
আরও পড়ুন
বউ ও শাশুড়ির ধাওয়ায় ভোঁ দৌড়ে উধাও সেই মাসুদ
পরকীয়া প্রেমিকার মেসেজ পেয়ে সন্দেশ নিয়ে বাঁশঝাড়ে হাজির মাসুদ, অতঃপর...
নীলফামারীর আলোচিত মকবুল হত্যা মামলায় চার আসামি গ্রেপ্তার
চেয়ারম্যানের চেয়ারের লোভে লাখ টাকা হারালেন মহিলা মেম্বার