ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

উপকূলে কমেছে জলদস্যুতা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
প্রতীকী ছবি

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান, টহল জোরদার ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, বিশেষ করে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন জলসীমায় জলদস্যুতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

জেলে, মৌয়াল ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার যৌথ অভিযান, আধুনিক সামুদ্রিক নজরদারি ও জীবিকায়ন সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করেছে। এতে উপকূলের বন ও জলজ সম্পদনির্ভর মানুষের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে জানান, সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ও জেলেদের সুরক্ষায় পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড (বিসিজি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বন বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে।

‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে বিশেষ অভিযানের আওতায় জলদস্যুদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ও অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধারে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান ও নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, জলদস্যুপ্রবণ উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী, পুলিশ, নৌ-পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বিজিবি, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড।

তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৩৯ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৪২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, ওয়াকিটকি, দূরবীক্ষণ যন্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৪১ জন জিম্মিকে।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর ছয়টি জলদস্যু বাহিনীর ৫১ সদস্য কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। গত ৩০ অক্টোবর শুরু হওয়া পাঁচ মাসব্যাপী শুঁটকি মৌসুমে দুবলার চর, আলোরকোল ও কটকাসহ আশপাশের জলপথে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

জলদস্যুদের হুমকির মুখে পড়লে জেলে ও ব্যবসায়ীদের কোস্টগার্ডের জরুরি হটলাইন ১৬১১১-এ যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, এসআরবি-৬-এর কমান্ডার নিস্তার আহমেদ বলেন, ছয়টি জলদস্যু বাহিনীর ৭৪ সদস্য এলিট ফোর্সটির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

খুলনা বিভাগীয় বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ বলেন, জেলেদের গভীর সমুদ্র বা বনের দুর্গম এলাকায় একা না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাতে ১৫ থেকে ২০টি নৌকার দলবদ্ধ বহর নিয়ে চলাচলে উৎসাহিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বন বিভাগের সদস্য মোতায়েন থাকবে।

উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিক টহল জাহাজ, স্পিডবোট, রাডার, জিপিএস ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অপহৃত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত ও মুক্তিপণের লেনদেনের সূত্র অনুসন্ধানেও ড্রোন প্রযুক্তি ও আর্থিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ সহায়তা করছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বিচ্ছিন্নভাবে জলদস্যুতার ঘটনা ঘটছে।

গত ১২ অক্টোবর সুন্দরবনের শিবসা নদীর আরবনিয়া খাল এলাকায় সম্রাট বাহিনীর অপহৃত চার জেলেকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তিন মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞাকালে নিবন্ধিত জেলেদের জন্য ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।

কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী গ্রামের জেলে শাহাবুদ্দিন ব্যাপারী বলেন, সরকারি এ সহায়তা তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কমিয়েছে।

শরণখোলা উপজেলার বনজীবী রমজান আলী বলেন, আগে জলদস্যুদের আতঙ্ক নিয়ে তাদের বনে যেতে হতো। গত মৌসুমে তার দলের কয়েকজন সদস্য জিম্মি হওয়ার পর প্রত্যেককে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিতে হয়েছে।

দক্ষিণ বেদকাশীর জেলে জব্বার মোল্লা বলেন, গত ৩০ অক্টোবর ৪০টি মাছ ধরার নৌকার একটি বহর দুবলার চরে পৌঁছেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জোরদার নিরাপত্তাব্যবস্থা তাদের জীবন ও জীবিকা সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিমরাড) মহাপরিচালক কমডোর (অব.) সৈয়দ মেসবাহ উদ্দিন আহমদ সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও উপকূলীয় সম্পদ সুরক্ষায় নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, জলদস্যুতা শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্যই হুমকি নয়, এটি উপকূলীয় অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা, পর্যটন ও বন সংরক্ষণের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করে।

সাবেক এই নৌ-কর্মকর্তা ও গবেষক বলেন, উপকূলে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, গোপন তথ্যদাতাদের সুরক্ষা, সহজ অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিরসনের লক্ষ্যে বিকেলে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে মন্ত্রী চলমান আন্দোলন ও তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের বিষয়ে কথা বলবেন।
শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বিকেলে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নতুন মজুরি ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।  সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে রোববার (১ নভেম্বর) মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। সোমবার সেই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে অথবা সম্ভাব্য খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তারা বসবেন। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হবে এবং সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যথা-শিগগির সম্ভব তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সেটি ঘোষণা হতে পারে। আশা করি, তারা সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ন্যূনতম মজুরি ঠিক করতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যেন শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ হয় এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। শ্রমিকদের বিষয়গুলো যেন অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হয়। সুতরাং, বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারিত হবে। এখানে অসন্তোষের কিছু নেই। গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শিল্প মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে তারা বলেছেন কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে। তাদের তালিকা তারা আমাদের প্রদান করবেন। এ ছাড়াও কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে, সে সব সংগঠন এবং নামের তালিকাও আমরা তাদের সরবরাহ করতে বলেছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিক এবং কোনো শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন না। আন্দোলনের নামে সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে কিছু শিল্প-মিল মালিক জড়িত আছে এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে কিছু লোকজন অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে, যা কোনোভাবেই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না। আমরা অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলে দিতে চাই যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, আইন-শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আরটিভি/এসকে
সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব জানান । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে রোববার (১ নভেম্বর) মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। সোমবার সেই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে অথবা সম্ভাব্য খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তারা বসবেন। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হবে এবং সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যথা-শিগগির সম্ভব তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সেটি ঘোষণা হতে পারে। আশা করি, তারা সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ন্যূনতম মজুরি ঠিক করতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যেন শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ হয় এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। শ্রমিকদের বিষয়গুলো যেন অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হয়। সুতরাং, বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারিত হবে। এখানে অসন্তোষের কিছু নেই। গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শিল্প মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে তারা বলেছেন কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে। তাদের তালিকা তারা আমাদের প্রদান করবেন। এ ছাড়াও কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে, সে সব সংগঠন এবং নামের তালিকাও আমরা তাদের সরবরাহ করতে বলেছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিক এবং কোনো শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন না। আন্দোলনের নামে সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে কিছু শিল্প-মিল মালিক জড়িত আছে এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে কিছু লোকজন অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে, যা কোনোভাবেই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না। আমরা অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলে দিতে চাই যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, আইন-শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আরটিভি/এসকে
সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার ‘আগাম বার্তা’ পাবেন কৃষকরা
কৃষক কার্ডধারীদের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যাবে আবহাওয়ার আগাম পূর্বাভাস। এর ফলে বৃষ্টি, তাপমাত্রার পরিবর্তন কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ার বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক হতে পারবেন কৃষকরা। 
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার ‘আগাম বার্তা’ পাবেন কৃষকরা
পোশাক শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য বোর্ড গঠনের আলোচনার মধ্যে পোশাক শিল্পে এমন অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা যারা করছে তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছেন তারা চিহ্নিত হয়েছে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, এখানে দুঃখজনক হলেও কিছু শিল্প মালিকরা জড়িত আছেন এবং কিছু শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে যারা শ্রমিকদের কল্যাণ চায় কিনা সেটা প্রশ্নবিদ্ধ সে সমস্ত লোকজন এই অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে। রাস্তায় আন্দোলনের নামে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে যেটা কোনভাবেই শ্রমিকদের কোন কাজে আসবে না। সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে পোশাক শিল্প মালিকদের দুইটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা বলেন তিনি। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব শিল্প মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল, যারা নিষিদ্ধ সংগঠনের হয়তো কোন কোন সময় কেউ এমপি বা কেউ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিল সেসমস্ত শিল্প মালিকরা তারা এ সমস্ত অস্থিরতার পেছনে কাজ করছে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে এবং সেটার প্রমাণও আছে। একইসঙ্গে, যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির কাজে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। শিল্প মালিকদের বরাত দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তারা বলেছেন, কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে যারা উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে তাদের তালিকা তারা আমাদেরকে প্রদান করবে। আর কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে সে সমস্ত সংগঠন এবং নামের তালিকাও দিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, কোন শ্রমিক এবং শ্রমিকদের সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোন কাজে জড়িত থাকতে পারে না বলে সরকার বিশ্বাস করে। যদি ভুলক্রমে এ সমস্ত কাজে কেউ ইন্ধন দিয়ে থাকে বা জড়িত থাকে তাহলে আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাবো, তারা যেন সে সমস্ত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে। কারণ আমরা কঠোরভাবে সেটা দমনের চেষ্টা করবো যারা যেভাবেই হোক অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে, ঘৃণ্য পলিটিকেল কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সীমান্তের ওপার থেকে ইশারায় যা কিছু তারা করা চেষ্টা করছে যেভাবেই হোক তা আমরা প্রতিহত করব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কোন শিল্প কারখানা বন্ধ হোক সেটা চাই না, একমূহুর্তের জন্যও হোক চাই না। কোন অস্থিরতা সৃষ্টি হোক সেটা চাই না। আরটিভি/এসকে
পোশাক শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে :  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনলাইনে ছড়ানো হচ্ছে জিরো-ক্লিক স্পাইওয়্যার
তাইওয়ান প্রেসিডেন্টের ছেলেকে নজরদারি, চীনা এজেন্ট সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে নারী
যৌথ অভিযান নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে কচুয়ায় ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন