ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় মিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দর্শন, পররাষ্ট্রনীতি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে আলোকপাত করেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান।

নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রীতি রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী পড়ে শোনান কমার্স কাউন্সিলর ইফতেখারউদ্দিন শামীম, সহকারী ডিফেন্স এডভাইজার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুমন পারভেজ।

মিশনের এইচওসি মাহমুদুল হকের পরিচালনায় মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
‎
আরটিভি/এসআর


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
শনিবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ইশরাক হোসেনের
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নত ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।  তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান তাদের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইশরাক হোসেন বলেন, ৭ নভেম্বরের মতো একটি বিপ্লবের অপেক্ষায় তারা দীর্ঘদিন ছিলেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত ফল দেখা গেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা তাদের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের দুই-তিন বছর আগে থেকেই তাদের প্রজন্ম বিভিন্ন বক্তব্যে আরেকটি সিপাহি-জনতার বিপ্লবের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশপন্থি সব শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে আবার গণতন্ত্রের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য সফল আন্দোলন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সব জনগণ এই স্লোগানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে পারে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা ৫০ বছর পরও তাদের প্রজন্মের কাছে প্রাসঙ্গিক। তিনি যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, বর্তমান প্রজন্ম এমনকি পরবর্তী প্রজন্মও সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। জিয়াউর রহমান তার সময়ে এই দূরদর্শী ভাবনা তুলে ধরতে পেরেছিলেন, যা তাদের জন্য অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে থাকবে। ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে ধারণ করে আগামী দিনে তারা এগিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে উন্নত ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সদস্য হিসেবে তারা গর্ববোধ করেন। নিজেদের বৃহত্তম প্রো-বাংলাদেশি রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় ইশরাক জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। আরটিভি/এসআর  
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ইশরাক হোসেনের
জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই ৭ নভেম্বরের অন্যতম শিক্ষা: কৃষিমন্ত্রী
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ।  তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অন্যতম শিক্ষা হলো জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা। এই চেতনাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে হবে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। নানা রাজনৈতিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে সেদিনের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এ দিবসের মূল চেতনা হলো বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। জাতীয় স্বার্থে এই ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে। দিবসটি উপলক্ষে বেলা ১১টায় কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ডসহ কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শোভাযাত্রা। এর আগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা, জাতীয় ঐক্য সুসংহত করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠাই ৭ নভেম্বরের অন্যতম শিক্ষা: কৃষিমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীর সব সড়কজুড়ে মিছিল, জনসমুদ্র নয়াপল্টন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা সফল্যের সঙ্গে উদযাপন করতে রাজধানীর সব সড়কেই দেখা গেছে জনতার মিছিল, আর সবগুলো মিছিল এসে মিশে নয়াপল্টনে রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমাবেশ ও শোভাযাত্রা শুরু হয় বেলা ৩টার দিকে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। কর্মসূচি উপলক্ষে নয়াপল্টনে আজ সকাল থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষেরা। খণ্ড-খণ্ড মিছিল নিয়ে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলাগুলো থেকে সকাল থেকেই নয়াপল্টনে আসে নেতা-কর্মীরা। তাদের হাতে শোভা পাচ্ছিলো জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে-স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে রেখেছে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শোভাযাত্রার শুরুতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে এবং শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকেই এ সুসজ্জিত শোভাযাত্রাটি যাত্রা শুরু করে। এরপর রাজধানীর নির্ধারিত সড়কগুলো পেরিয়ে সেটি গিয়ে থামে মানিক মিঞা অ্যাভিনিউতে। পুরো শোভাযাত্রা যেন সুশৃঙ্খল ও শান্ত পরিবেশেই সম্পন্ন হয়, সেজন্য দলের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে জোরালো প্রস্তুতি। রাস্তায় চলাচলের নিয়ম ও নিয়মশৃঙ্খলা ধরে রাখতে সচেষ্ট আছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবীরা। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের পুরো এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারিতে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা, আরামবাগ, নাইটিংগেল মোড়, বিজয়নগর, কাকরাইল, শান্তিনগর ও মালিবাগ পর্যন্ত জনতার স্রোত র‌্যালিকে জনসমুদ্রে পরিনত করেছে। বিএনপি দীর্ঘ ২০ বছর পর ক্ষমতায় ফেরার পর জাতীয় এ দিবসটিতে ব্যাপক আনন্দ উচ্ছ্বাস ও আবেগ ছিলো চোখে পড়ার মতো। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজকের শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে দলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। নেতা-কর্মীরা আগেভাগেই নয়াপল্টনে এসেছেন। আজকের শোভাযাত্রায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা আমাদের জন্য গর্বের। এতে নেতা-কর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন। দল ও সংগঠনগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করবে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ আজ এই সমাবেশ ও র‌্যালিতে শরিক হয়েছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার সব ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক জাতীয়াবাদী শক্তি ও জনগণ নস্যাৎ করে দেবে এটিই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শপথ। আরটিভি/এসআর  
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীর সব সড়কজুড়ে মিছিল, জনসমুদ্র নয়াপল্টন
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন জিয়াউর রহমান ও তার অনুসারীরা: জবি উপাচার্য
যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ কেবল রাজনৈতিক পরিচয় নয়, এটি একটি দর্শন: চবি উপাচার্য