ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনের মুখে তড়িঘড়ি সম্প্রচার আইন সমর্থন করে না বিজেসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগমুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে ‘সম্প্রচার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)। সংগঠনটি মতে, জনমত যাচাইয়ের জন্য মাত্র চারদিন সময় দিয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করা সমীচীন নয়। এর পরিবর্তে আইনটি প্রণয়নের দায়িত্ব পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তারা।

বিজেসি জানায়, সম্প্রচার কমিশন গঠনে সরকারের উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানালেও খসড়া অধ্যাদেশের বেশ কিছু ধারা ও শব্দ নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। তাদের মতে, খসড়ায় ‘জনস্বার্থবিরোধী’, ‘বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’-এর মতো অস্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে যেকোনো সমালোচনামূলক সংবাদ বা বিষয়কে সহজেই অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে গণমাধ্যম বন্ধ করার সুযোগ তৈরি হবে।

বিজেসির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক ও সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে যা অপপ্রয়োগের আশঙ্কা রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমান ডিজিটাল যুগে সম্প্রচার খাত কেবল রেডিও-টেলিভিশনে সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন আইসিটি, ইন্টারনেট সম্প্রচার ও সাইবার নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। অথচ খসড়াটিতে এই আধুনিক বিষয়গুলো এবং সাংবাদিকদের বেতন-ভাতার বঞ্চনা নিরসনের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

সংগঠনটি দাবি করেছে, যেহেতু নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি, তাই সব অংশীজনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা ছাড়া এই অধ্যাদেশ জারি করা ঠিক হবে না। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বার্থ রক্ষায় একটি কার্যকর কমিশন গঠনে তারা সরকারকে আরও সময় নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাংবাদিকদের জনআস্থা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
টেলিভিশন সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও জনআস্থা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  সেই সঙ্গে দেশ গঠনে ও জনস্বার্থ রক্ষায় যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।  রাষ্ট্রপতি দীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তাঁদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।  বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)-এর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ আহ্বান জানান তিনি।  সাক্ষাৎকালে দেশের ব্রডকাস্ট সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে দুঃসময়ে পাশে থাকার স্মৃতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।  তিনি বলেন, আপনাদের সাহচর্য, সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন হয়েছে, আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সবসময় আছি। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে গণতন্ত্রচর্চা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা গেলে আমরাও উন্নত দেশগুলোর মতো উপরে উঠতে পারতাম। দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তপাতের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতি ক্ষুদ্র ও রাজনৈতিক স্বার্থ পরিহার করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু টেলিভিশনের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, এর গুণগত মান বজায় রাখতে হবে। তিনি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করে গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে তিনি নীতিনির্ধারকদের বড় ক্যানভাসে, দীর্ঘমেয়াদে ও দূরদৃষ্টি দিয়ে সমস্যাগুলোকে দেখার ও সমাধানের আহ্বান জানান।  রাষ্ট্রপতি ডিজিটালাইজেশন ও স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে টেকসই হতে পারে,  সে ব্যাপারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  বিজেসির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন জানান, বিজেসি ট্রাস্টি সংগঠনের মতো সাংবাদিকদের মূলত কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। এটি সম্প্রচার সাংবাদিকদের পেশাগত গুণগতমান বজায় রাখতে প্রশিক্ষণ প্রদান করে, স্বাস্থ্যসহায়তা, বিমাসহ ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।  তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি বিএনপির মহাসচিব থাকাকালে বিজেসির নানা কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতিকে বিজেসির পাশে থাকার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান। বিজেসি চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বাধীনতা ও সক্ষমতায় রাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন।  রাষ্ট্রপতি বিজেসির কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি তাদের আয়বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি বিজেসির উত্তরাত্তর সাফল্যও কামনা করেন।   সাক্ষাৎকালে বিজেসি প্রতিনিধি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্রাস্টি তালাত মামুন, নির্বাহী জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু, সাইফুল শাহীন, নায়লা পারভীন পিয়া, সদস্য মাহমুদ হাসান, আজিজুর রহমান কিরন, শরিফুল ইসলাম খান ও বেলায়েত হোসেন। আরটিভি/এসআর
সাংবাদিকদের জনআস্থা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আরও পড়ুন
ইউপি নির্বাচন আয়োজনে সামাজিক বাস্তবতাগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে: ইসি সচিব
পোস্টাল ভোটিং নিবন্ধন কার্যক্রমের সময় কমলো
৩০০ প্রার্থীর কেউই পাননি সুযোগ; রুয়েটে ইমাম নির্বাচন ঘিরে নানা অনিয়মের অভিযোগ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম