ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষায় বইয়ের সঙ্গে খেলাধুলা আর্ট কালচার অন্তর্ভুক্ত করতে চান তারেক রহমান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভবিষ্যৎ শিক্ষানীতিতে শুধু বইয়ের পড়া নয়, খেলাধুলাতেও পাস করার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পাঠ্যক্রমে আর্ট অ্যান্ড কালচার অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে শিশুরা পড়ালেখাকে চাপ হিসেবে না নেয়, বরং আনন্দের সঙ্গে শেখে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সঙ্গে আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

তারেক রহমান বলেন, শিশুরা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে, তাহলে তাদের সময়ের বড় একটি অংশ গঠনমূলকভাবে কাটবে। এতে করে অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও অনলাইন আসক্তি কমানো সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন

শুধু একাডেমিক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার সঙ্গে খেলাধুলা, শিল্প ও সংস্কৃতিকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে চান। শিশু-কিশোরদের অনলাইন আসক্তি থেকে দূরে রাখতে শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, স্কুল ভবন নির্মাণের চেয়ে শিক্ষকদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বাড়ানো বেশি জরুরি। এজন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাডেমিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ শেখানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সামাজিক অবক্ষয় ও মব জাস্টিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের ন্যায়-অন্যায়ের শিক্ষা দেওয়া গেলে ভবিষ্যতে এসব সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সঙ্গে তরুণদের ভাবনা, শিক্ষা, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান ও ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

প্রসঙ্গত, বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী প্রায় আড়াই হাজার প্রতিযোগী অংশ নেন। জনমত ও জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের মাধ্যমে সেখান থেকে ১০ জন বিজয়ী নির্বাচিত হন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছেন: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা সেখান থেকে উসকানি দিয়ে তার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছেন ও মানুষ হত্যা করছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালিপূর্ব গণজমায়েতে তিনি এসব কথা বলেন। পোশাক খাতের বর্তমান অস্থিরতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে রিজভী বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে সরকার কথা বলেছে এবং ওয়েজ বোর্ডের ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে। মূল শ্রমিকরা এখন আর আন্দোলনে নেই। যারা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিচ্ছেন এবং আন্দোলনকারীদের পিটিয়ে মারছেন, তারা শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া গুণ্ডা-সন্ত্রাসী।  ‘সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ১১ জনের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক নেতাও রয়েছেন, যিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, এই মদদ ও উসকানি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসছে।’ বিগত সরকারের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি আর বলেছেন, বেসিক ব্যাংক, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের টাকা লুট ও পাচার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের এক সাবেক মন্ত্রী ও এমপির ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বাড়ি ইংল্যান্ড সরকার বাজেয়াপ্ত করেছে। এই লুটের রাজত্ব ফিরে পেতেই শেখ হাসিনা আবারও সন্ত্রাস ও উসকানির চেষ্টা করছেন। তবে দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে রিজভী বলেছেন, এই দিনটি দেশের মানুষের কথা বলার, রাজনীতি করার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিল। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন কায়েম করে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হত্যা করেছিল। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মোশতাকসহ আওয়ামী লীগের নেতারাই ক্ষমতায় এসেছিলেন। এরপর খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানের পর জনজীবনে যে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার মিলিত স্রোত গণতন্ত্রের মুক্ত বাতাস ফিরিয়ে আনে এবং জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেছেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়েই ছাত্র-জনতা শেখ হাসিনার ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। এরপর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দেশের সব মানুষ মেনে নিয়েছিল। কারণ তিনি একজন গুণী মানুষ, যাকে শেখ হাসিনা বারবার মিথ্যা মামলা দিয়ে অপমানিত করেছিলেন। পরবর্তীতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরুসহ জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছেন: রিজভী
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে স্মারকলিপি চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা।
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে স্মারকলিপি চুয়েট শিক্ষার্থীদের
বিগত সরকারের প্রতিটি অন্যায়ের বিচার এই মাটিতেই হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
বিগত সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জনগণের সম্পদ লুটপাট করেছে এবং সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায়-অত্যাচার চালিয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারা জনগণের অধিকার হরণ করেছে, তাদের কোনোভাবেই দায়মুক্তি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, অতীতে যত অন্যায় ও অপকর্ম করা হয়েছে, প্রতিটি অন্যায়ের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে। অপরাধী যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা এবং মানুষের ওপর নির্যাতনের জন্য প্রত্যেককে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এককালীন আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী, দুস্থ-অসহায়, অসুস্থ ও গৃহহীন ব্যক্তি এবং সাত ধরনের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, আমাদের চুপচাপ ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান দেখে কেউ যেন মনে না করেন, এ দেশের মানুষ আপনাদের অতীত কর্মকাণ্ড ভুলে গেছে। জনগণ সবকিছু মনে রেখেছে। এমনকি আপনারা যদি জনগণের কাছে দুই হাত তুলে, করজোড়ে ক্ষমা চাইতেন, তাহলেও জনগণ বিবেচনা করত আপনাদের ক্ষমা করা যায় কি না। তাই আরেকটি জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দয়া করে আস্ফালন করবেন না, উসকানিমূলক বক্তব্য দেবেন না এবং জনগণকে বিপথগামী করার চেষ্টা করবেন না। দেশের মানুষ এখন শান্তি ও স্থিতিশীলতা চায়। জনগণের আবেগ ও ধৈর্যকে দুর্বলতা মনে করার কোনো কারণ নেই। তাই সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আতিকুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্র প্রকাশ চক্রবর্তী, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, পেস এগ্রোভেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আনিছুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাজ্জাদ আল মামুন, মুক্তি মাহফুজসহ অনেকে। আরটিভি/টিআর
বিগত সরকারের প্রতিটি অন্যায়ের বিচার এই মাটিতেই হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
যে কারণে এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সাবেক নেত্রী সামান্তা শারমিন।
যে কারণে এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন
এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন 
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।
এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন 
আরও পড়ুন
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে চীনা শিক্ষার্থীদের ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স 
ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী