ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

ছাত্রদলের নতুন কমিটি শিগগিরই, আলোচনায় যারা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
ফাইল ছবি

দীর্ঘ দেড় দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর প্রভাবে দলটির অন্যতম সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মাঝে ফিরে এসেছে নতুন উদ্দীপনা। তবে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আশানুরূপ ফল না পাওয়া এবং ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল—এসব বিষয় নিয়ে সংগঠনের ভেতরেই সমালোচনা রয়েছে। তারই প্রেক্ষাপটে এবার ছাত্রদলকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে দলের হাইকমান্ড। সেই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন।

২০২৪ সালের ১ মার্চ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ঠিক আগে রাকিবুল ইসলামকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্যের একটি আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছিল ছাত্রদল। পরবর্তীতে ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে রূপ নেয় তা। নিয়ম অনুযায়ী, দুই বছরের এই কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

এমন বাস্তবতায় ত্যাগী ও রাজপথে পরীক্ষিত নেতাদের নিয়ে ছোট, কার্যকর ও গতিশীল একটি কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।

গত ৮ মার্চ বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘দ্রুতই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।’ তার এই বক্তব্যের পর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

ছাত্রদলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখা যায়, রাজীব–আকরাম কমিটি ছাড়া বাকি চারটি কেন্দ্রীয় কমিটি প্রায় দুই বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব গঠনের দাবি জোরালো হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরাও ইতোমধ্যে তৎপর হয়ে উঠেছেন—দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ইফতার আয়োজন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সক্রিয়তা বাড়িয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে। সম্প্রতি (২৮ মার্চ) দলের চেয়ার‌ম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শনের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গঠনের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।

তবে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা—এবার যেন স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।

সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। সিনিয়রদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব এলে ২০০৭-০৮ সেশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম আলোচনায় রয়েছেন।

২০০৮-০৯ সেশন থেকে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এইচ এম আবু জাফর, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, খোরশেদ আলম সোহেল, মনজরুল আলম রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল এবং শাফি ইসলামও আলোচনায় আছেন।

তবে, তৃণমূলে জোরালো গুঞ্জন— এবার ২০০৯-১০ সেশন থেকেই আসতে পারে মূল নেতৃত্ব। এই সেশন থেকে ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, হাসানুর রহমান হাসান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ মো. আদনান এগিয়ে রয়েছেন। এ ছাড়া সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদুল হাসান রনি এবং প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভও আলোচনায় রয়েছেন।

অন্যদিকে, ২০১০-১১ সেশন থেকে ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক। যদিও এই সেশন থেকে সাধারণ সম্পাদক আসতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০১০-১১ সেশন থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর নাম শোনা যাচ্ছে।

এর বাইরে, ২০১১-১২ সেশনের নেতাদের মধ্য থেকেও বেশ কয়েকজন সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজু আহমেদ, নাছির উদ্দিন শাওন, গাজী সাদ্দাম হোসেন, তারেক হাসান মামুন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, সাইদুর রহমান, ইব্রাহিম খলিল, মাহমুদ ইসলাম কাজল ও শামীম আকতার শুভ।

তবে, সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন আলোচিত ছাত্রনেতা নতুন কমিটিতে বাদ পড়তে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।

পদপ্রত্যাশীরা বলছেন, স্বৈরাচারী আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী এবং গঠনমূলক রাজনীতির মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বি ছাত্র শিবিরকে মোকাবিলার মতো প্রজ্ঞা আছে এমন ব্যক্তিদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণ হবে। এতে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে ছাত্রদল।

যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাদের ভাষ্য, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক অভিভাবক। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই সংগঠনের পক্ষ থেকে সাদরে গ্রহণ করা হবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
দ্বিতীয় দফায় মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে তার সহধর্মিনী আফরোজা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।  গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল। তিনি জানান, মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ। এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তারও আগে দীর্ঘ প্রায় পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন মির্জা আব্বাস। গত ১১ মার্চ ইফতারের সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাতেই এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার মস্তিষ্কে রক্তঃক্ষরণ হয়েছে। পরে দ্রুত অস্ত্রোপচার করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে দেড় মাস চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরটিভি/টিআর
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতনের শিকার অসহায় নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
‘পরাজিত ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদেশে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন’
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান বলেছেন, কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না। যেখানেই ফ্যাসিস্টদের ছায়া দেখা যাবে, সেখানেই প্রশাসনকে অবহিত করে তাদের ধরিয়ে দিতে হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক ডাকসু নেতা আমানউল্লাহ আমান বলেন, যেখানে ফ্যাসিস্টের ছায়া দেখবেন, প্রশাসনকে বলে তাদের ধরিয়ে দেবেন। কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে দেওয়া যাবে না। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা প্রত্যেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাবেন। জনগণের সঙ্গে সর্বদা নিবেদিত থাকবেন। জনগণকে রাস্তায় দেখলে সালাম দেবেন, সম্মান করবেন। সমাজকে সম্মান করলে সম্মান পাবেন। ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার; ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে এবং থাকবে, সরকার তা নিশ্চিত করবে। হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই বিশ্বাসের প্রতিফলন আমরা ঘটাব। আমরা সবাই হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সমান অধিকার ভোগ করব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। আরটিভি/এসআর  
কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা বাংলাদেশে হবে না: আমানউল্লাহ আমান
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দলের নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন।   বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে। দাফন শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় তার ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন সবার কাছে বাবার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেন। এর আগে বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এরপর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ঢাকা মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে দলের নেতাকর্মীরা সাবেক এই সংসদ সদস্যের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিজ এলাকা রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদে। সেখানে বিকেল ৩টায় তার তৃতীয় ও শেষ জানাজা হয়। উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার সালাহউদ্দিন আহমেদ রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা শোক প্রকাশ করেন।  আরটিভি/এসআর  
জুরাইনে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন, সেখানে সারসংকট বা এ-সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। যেসব জেলায় সার নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেসব জেলার এমপিরা ১১-দলীয় জোটের। সরকারকে বিভ্রান্ত করতে তারা দলীয় লোকজনের মাধ্যমে এই সংকট তৈরি করে থাকতে পারেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ঘোড়াইঘাট এলাকায় গড়াই নদীর ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুর স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে তারা যেসব সার ডিলার পেয়েছেন, তাদের স্বৈরাচারী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের অসহযোগিতার কারণে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান সরকারের আমলে সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলার রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় জেলার বর্তমান ও সাবেক বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্যরা এবং শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সার সংকটে ১১ দলীয় জোটের এমপিদের হাত থাকতে পারে: মীর শাহে আলম
আরও পড়ুন
ফেনী ইউনিভার্সিটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে রাবিতে ছাত্রদলের মাইকিং
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল
সাঁকোর জায়গায় ১৫০ ফুট মাটির রাস্তা নির্মাণ করলেন ছাত্রদল নেতা