
প্রকাশ্যে ভারতবিরোধিতা করলেও বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী ঠিকই গোপনে দেশটির সঙ্গে আঁতাত করছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আবু হানিফ তার পোস্টে বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করলেও বর্তমানে জামায়াত বিরোধী দল। রাজনৈতিক দল হিসেবে অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ বা বৈঠক করাটাকে আমি নেতিবাচক হিসেবে দেখছি না।
তিনি বলেন, সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার গোপন বৈঠকে হয়েছে। এই বৈঠককে স্বাভাবিক কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ রয়েছে।
‘কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রকাশ্যে ভারতবিরোধী বক্তব্য দিয়ে জনগণের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা, মানে উপর দিয়ে ভারতবিরোধিতা, তলে তলে ভারতের ‘র’-এর সঙ্গে বৈঠক করছে, এ কেমন দ্বৈতনীতি?’
হানিফ বলেন, রাজনীতিতে যোগাযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু প্রকাশ্য বক্তব্য ও গোপন তৎপরতার মধ্যে এতটা বৈপরীত্য থাকলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে। জামায়াত যদি ভারতের সঙ্গে যোগাযোগকে স্বাভাবিক মনে করে, তাহলে প্রকাশ্যেও তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত।
‘লোক দেখানো ভারত বিরোধিতার নামে জামায়াত ভণ্ডামি করছে, অন্যদিকে আড়ালে আবার যোগাযোগ করছে,এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে জামায়াতে ইসলামীর সরে আসা উচিত।’
প্রসঙ্গত, গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বারিধারায় ভারতের উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুমসহ ৩ জন গোপন বৈঠক করেছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ নিয়ে জামায়াত ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা চলছে।
আরটিভি/এসআর



