ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

মিশরে মানব পাচারের বিভীষিকা থেকে ফেরার গল্প

মিশর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশিকে মিশরে আটকে রেখে নির্যাতন ও প্রতারণার অভিযোগের একটি ঘটনা আবারও সামনে এসেছে। আরটিভির মিশর প্রতিনিধি আফছার হোসাইন দুই বছর আগের সেই ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

নিচে ঘটনার বর্ণনাটি আফছার হোসাইনের ভাষায় তুলে ধরা হলো:

ঠিক দুই বছর আগে অচেনা একটি নম্বর থেকে ফোন এলো। রিসিভ করতেই ওপাশে একজন হাউমাউ করে কাঁদছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কে? কাঁদছেন কেন? তিনি বললেন, আমার নাম আবুল কাসেম। মিশরের আশরা রামাদান থেকে বলছি। বাড়ি কিশোরগঞ্জ। অনেক চেষ্টা করে আপনার নম্বর পেয়েছি। আল্লাহর দোহাই লাগে, আমাদের বাঁচান।

আমি জানতে চাইলাম, কী হয়েছে? তিনি বললেন, আমি কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়ন পরিষদে চাকরি করতাম। নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদে চাকরি করত মোহাম্মদ শরীফ মিয়া। সেই কারপাশা জালালপুর গ্রামের (মিশরে বসবাসরত) জহির মিয়া ও মিনা বেগম নামে এক দালাল দম্পতি ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে আমি আবুল কাসেম, মোহাম্মদ শরীফ মিয়া এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. জামান মিয়াকে মিশরে নিয়ে এসেছে। প্রায় তিন মাস ধরে আমাদের একটি ঘরে অনেকটা বন্দি করে রেখেছে। কারপাশা ইউনিয়নের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ শরীফ মিয়ার স্ত্রী ফুলনাহার বেগম কে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার কথা বলে এনে সেই দালালের বাসায় রেখে গৃহকর্ম করানো হচ্ছে। আমরা ৪জন— আমি, আমার বন্ধুর স্ত্রী, দুই বন্ধু। আমাদের দেশে ফিরতে সাহায্য করুন।

আমি বললাম, বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করুন। তিনি জানালেন, দূতাবাসের কোনো নম্বর তাদের কাছে নেই। এমনকি নিজেদের কোনো মোবাইল ফোনও নেই। অন্য একজনের ফোন থেকে সুযোগ পেয়ে আমাকে কল করেছেন।

আরও পড়ুন

আমি দালালের নাম ও ফোন নম্বর চাইলে তিনি তা দিয়ে ফোন কেটে দেন।

কিছুক্ষণ পর আমার WhatsApp-এ বাংলাদেশ থেকে সেই দালালের পাসপোর্টের কপি, ছবি, ফেসবুক লিংক এবং আবুল কাসেম ও আরেকজন ভুক্তভোগীর দুটি ভিডিও পাঠানো হয়। ভিডিয়োগুলোতে তাদের অমানবিক ও অসহায় জীবনযাপনের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছিল।

সেদিন রাতেই আমি দালালকে ফোন করি। তিনজনের নাম উল্লেখ করে জিজ্ঞেস করি, এদের চেনেন?

প্রথমে তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। পরে স্বীকার করে বলেন, হ্যাঁ, আমি এনেছি। গার্মেন্টসে চাকরি দিয়েছি। এরপর উল্টো আমাকে ধমক দিয়ে ফোন কেটে দেন। পরে আর যতবারই ফোন করেছি, তিনি আর রিসিভ করেননি।

পরদিন সকালে আমি বিষয়টি বাংলাদেশে দূতাবাসের তৎকালীন শ্রম কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেনকে জানাই এবং দালালের নম্বর দিয়ে আবুল কাসেমদের সহায়তার অনুরোধ করি।

দূতাবাস থেকে আবুল কাসেমকে যোগাযোগ করে আসতে বলা হলে তিনি জানান, তার ডিউটি রয়েছে, পরের সপ্তাহে আসবেন। কিন্তু পরের সপ্তাহে তিনি নিজে না এসে তার স্ত্রীকে পাঠান। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি শ্রম কাউন্সিলের সামনে ঘটনার সবকিছুই অস্বীকার করেন।

এদিকে আমি কিশোরগঞ্জের কয়েকটি পাবলিক ফেসবুক গ্রুপে দালালের ছবি ও ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে একটি পোস্ট করি। পোস্টটি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য শুরু হয়। সে সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা পোস্টটি মুছে ফেলার জন্য আমাকে হুমকি দেন। কিন্তু আমি পোস্টটি সরাইনি।

পরদিন আবুল কাসেম দালালের ফোন থেকেই আমাকে কল করে বললেন, স্যার, দালাল বলেছে আগামীকাল আমাদের দেশে পাঠিয়ে দেবে। আপনি দয়া করে পোস্টটি ডিলিট করে দিন।

পরদিন বিমানবন্দর থেকে আবার ফোন করে তিনি বললেন, স্যার, আমরা দেশে ফিরে যাচ্ছি। আপনার জন্য আমরা নতুন জীবন পেলাম। আপনি যদি কখনো দেশে আসেন, তাহলে শুধু একবার আপনার সঙ্গে দেখা করে সালাম করতে চাই।

কয়েক মাস পর দেশে গিয়েছিলাম। তিনি বারবার মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করেছিলেন, দেখা করার অনুরোধও করেছিলেন। কিন্তু সময়ের স্বল্পতায় আর দেখা হয়ে ওঠেনি।

আজ (১২ জুলাই) হঠাৎ টাইমলাইনে কাসেম ও তার পরিবারের এই ছবিটি চোখে পড়তেই সেই দুই বছর আগের ঘটনাগুলো একে একে মনে ভেসে উঠল। মনে হলো, এই ঘটনাটি আবারও লেখা উচিত— যাতে মানুষ বুঝতে পারে, বিদেশে ভালো জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা কত নিষ্ঠুরভাবে অসংখ্য নিরীহ মানুষের জীবন নিয়ে খেলছে। কারণ বিদেশে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা আজও অসংখ্য নিরীহ মানুষকে প্রতারণার জালে আটকে ফেলছে। অনেকেই হারিয়ে ফেলছেন অর্থ, সম্মান, স্বাধীনতা— কখনো কখনো নিজের জীবনও।

প্রবাসে যাওয়ার আগে দালাল নয়, যাচাই করা বৈধ পথ বেছে নিন। মনে রাখবেন, একটি ভুল সিদ্ধান্ত শুধু একজন মানুষের জীবন নয়, একটি পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিতে পারে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
সোমবার (২ নভেম্বর) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিস্তারিত দিকনির্দেশনা সংবলিত জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বর্তমানে দুজনের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। পুলিশি আনুষ্ঠানিকতা ও দূতাবাসের প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি দেশে পাঠানো হবে। 
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
গত ৩১ অক্টোবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলা কবিতা, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত ফার্মিংটন হিলসের দ্য হক ফার্মিংটন হিলস কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান হবার কথা রয়েছে। ‘মনের গহীনে বাংলা’ নামের এই আয়োজনের মূল উপজীব্য দেশ, মা, মাটি, প্রেম, মাতৃভাষা এবং বাঙালির শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা। প্রবাসে বসবাস করেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করার যে নিরন্তর প্রয়াস, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সেটিই দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানের শিরোনামের মধ্যেও রয়েছে বাংলার প্রতি গভীর আবেগ ও আত্মিক টানের প্রকাশ। অনুষ্ঠান সম্পর্কে সাইফুল আজম সিদ্দিকী বলেন, এখানে কবিতায় দেশের কথা বলব, প্রেমের কথা বলব, বাংলার কথা বলব।  তিনি জানান, দেশ, মা ও মাটির কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কবিতাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সময়ের শক্তিমান কবিদের রচনার পাশাপাশি সমকালীন ও প্রবাসী কবিদের কবিতাও আয়োজনে স্থান পাবে। অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার পাশাপাশি নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক এবং মহাদেব সাহার নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হবে। বাংলা কবিতার বিভিন্ন সময়, ধারা ও অনুভূতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে পুরো আয়োজনে। এটি সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হলেও মিশিগানের কয়েকজন কবি ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। তাঁরা নিজেদের নির্বাচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবেন। ফলে একক আবৃত্তির পাশাপাশি এটি প্রবাসী বাঙালি কবি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেবল আবৃত্তির মধ্যে অনুষ্ঠানটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। কবিতার সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত এবং আবদুল করিমের গানসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ পরিবেশিত হবে। কোনো কোনো পরিবেশনায় কবিতা ও গান মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ ফিউশন। এ ছাড়া প্রবাসে বেড়ে ওঠা কয়েকজন তরুণ-তরুণী বাংলা কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন। কবিতা, কণ্ঠ, সুর ও নৃত্যের এই সমন্বয় অনুষ্ঠানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা মনে করছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন সাইফুল আজম সিদ্দিকী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট, আবৃত্তিকার এবং প্রবাসী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বর্তমানে বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসে প্রকৌশল ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অনুষ্ঠানটি যথাসময়ে শুরু করার জন্য শিল্পী ও অংশগ্রহণকারীদের বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘মনের গহীনে বাংলা’ মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিদের কাছে কবিতা, গান ও নৃত্যের একটি স্মরণীয় বিকেল হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের ঠিকানা: The Hawk–Farmington Hills Community Center, 29995 W. 12 Mile Road, Farmington Hills, MI 48334। আরটিভি/টিআর
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শতভাগ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে তিনজন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ। গ্রেডভিত্তিক ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির ১১ জন শিক্ষার্থী ‘এ’, তিনজন ‘এ-’ এবং একজন ‘বি’ গ্রেড অর্জন করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন শিক্ষার্থী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান। দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রমের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছে। আরটিভি/টিআর
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
আরও পড়ুন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সংঘাতে পরিণতি হবে ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক, বলছে মিশর
এক ঘণ্টা পেছানো হচ্ছে মিশরের ঘড়ির কাঁটা
ফেরাউনের জন্মদিনে ‘অদ্ভুত’ বিরল দৃশ্য দেখলেন হাজারো মানুষ 
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে রেফারিং নিয়ে সমালোচনা, নিষিদ্ধ ৩