ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ভূমধ্যসাগরের সেই নৌযানে ছিলেন রবিন? ২৫ দিনেও মেলেনি নিশ্চিত কোনো উত্তর

মিশর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
নরসিংদীর রায়পুরার রবিন মিয়া । ছবি: সংগৃহীত

উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে দালালের মাধ্যমে অবৈধ পথে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন নরসিংদীর রায়পুরার রবিন মিয়া। লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে ভূমধ্যসাগরে যাত্রা করা একটি নৌযানে তিনি ছিলেন—এমন তথ্যই পেয়েছে তার পরিবার। কিন্তু ওই নৌযানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর কেটে গেছে ২৫ দিন। এখনো রবিনের কোনো সন্ধান মেলেনি।

রবিন জীবিত আছেন, নাকি ভূমধ্যসাগরের উত্তাল জলরাশিতে হারিয়ে গেছেন—কোনোটিই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না তার পরিবার।

পরিবারের দাবি, গত ৩ আগস্ট লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ওই নৌযানে রবিনসহ ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ছিলেন। ভূমধ্যসাগরের মাঝপথে নৌযানটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। একপর্যায়ে জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে খাবার ও পানি ছাড়াই প্রায় ১১ দিন সাগরে ভাসতে হয় তাদের। পরে ১৩ আগস্ট নৌযানটি মিশরের মার্সা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছায়।

ওই নৌযানে থাকা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আব্দুল করিম নামে এক অভিবাসনপ্রত্যাশী একটি ভিডিওতে জানিয়েছেন। তার দাবি, নিহতদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি।

করিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নৌযানটিতে ৪২ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাদের ২৮ জনকে উদ্ধার করা হলেও রবিন মিয়ার অবস্থান এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

আরও পড়ুন

‘ভাই ওই নৌযানেই ছিল’

রবিনের বোন মাহমুদা আরটিভিকে জানান, বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন, গত ৩ আগস্ট দুর্ঘটনার কবলে পড়া নৌযানটিতে তার ভাই রবিনও ছিলেন। পরে নৌযানটি মিশরের মার্সা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছানোর খবর পাওয়ার পর পরিবারের আশা ছিল, রবিন হয়তো জীবিত উদ্ধার হয়েছেন।

কিন্তু সেই আশারও এখন কোনো নিশ্চিত ভিত্তি নেই।

মাহমুদা বলেন, মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস, হাসপাতাল, কারাগার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো রবিনের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য তারা পাননি।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মুসাপুর গ্রামের বাসিন্দা রবিন মিয়া। তার বাবা জলিল মিয়া ও মা শোফালা বেগম। ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তাঁদের।

দালালের হাত ধরে লিবিয়ায়

পরিবারের ভাষ্য, উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ পথে ইউরোপ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবিন। এ জন্য স্থানীয় দালালচক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।

পরিবারের দাবি, তাদের এলাকার রাজীব নামের এক দালালের মাধ্যমে রবিনকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে আলম নামের আরেক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মাহমুদার ভাষ্য, লিবিয়ায় থাকা আলমের কাছ থেকেই পরে তারা জানতে পারেন, ৩ আগস্ট গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা ওই নৌযানে রবিন ছিলেন।

তবে এসব তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে বা সরকারি কোনো সূত্রে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জানিয়ে মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাসেও ই-মেইল করা হয়েছে বলে জানান মাহমুদা।

৩ আগস্ট থেকেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

পরিবারের দাবি, ৩ আগস্ট নৌযাত্রা শুরুর পর থেকেই রবিনের সঙ্গে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় অপেক্ষা। একদিন, দুদিন করে পেরিয়ে যায় সপ্তাহ। কিন্তু রবিনের কোনো ফোন আসে না। তার অবস্থান সম্পর্কেও পাওয়া যায়নি নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য।

এর মধ্যে বিভিন্ন দালাল ও পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে পরিবারের কাছে আসতে থাকে নানা ধরনের খবর। কেউ জানান, দুর্ঘটনার পর কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের মিশরে আটক রাখা হয়েছে। আবার উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দালালচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজনের আত্মীয়ও রয়েছেন বলে পরিবারকে জানানো হয়।

কিন্তু মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পাওয়া উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও তালিকা দেখে কিংবা মার্সা মাতরুহ পুলিশ হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই করে রবিনের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি পরিবার।

‘হাসপাতালের কর্মী’ পরিচয়ে ফোন

রবিনের সন্ধান নিয়ে নতুন করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় রামিম খান নামের এক ব্যক্তির ফোনে।

মাহমুদার দাবি, ওই ব্যক্তি ফোন করে নিজেকে মিশরের একটি হাসপাতালের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি দাবি করেন, রবিন মিয়াকে মিশরের তোরা কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, অর্থের বিনিময়ে রবিনকে কারাগার থেকে বের করে দেওয়ারও প্রস্তাব দেন তিনি।

মাহমুদা বলেন, আমি তাকে বলেছি, আমার ভাইকে জেল থেকে বের করে ভিডিও কলে কথা বলিয়ে দিতে পারলে আপনাকে টাকা দেব। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিনি তাঁর কথা রাখতে পারেননি।

মাহমুদার দেওয়া রামিম খানের নম্বরে এই প্রতিবেদক যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে রবিন সত্যিই তোরা কারাগারে রয়েছেন কি না, সেই দাবিরও কোনো স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এদিকে রবিনের সন্ধানে তার ছবি ও পরিচয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে পরিবার। এরপর বিভিন্ন ব্যক্তি ও দালালচক্রের কয়েকজন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের কেউ কেউ দাবি করেন, রবিন জীবিত এবং মিশরের একটি কারাগারে আটক রয়েছেন।

এমন খবরে একদিকে পরিবারের মধ্যে আশার আলো জ্বলে ওঠে, অন্যদিকে পরবর্তী সময়ে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় সেই আশাই আবার পরিণত হয় হতাশায়।

একেকজনের কাছে একেক তথ্য

রবিন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তার পরিবারের কাছে আসছে পরস্পরবিরোধী তথ্য। কেউ বলছেন তিনি জীবিত। কেউ বলছেন মিশরের কারাগারে আটক। আবার কেউ কেউ এমন ইঙ্গিত দিচ্ছেন, দুর্ঘটনার পর তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

ফলে পরিবারটি এখন চরম বিভ্রান্তি ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।

একদিকে দালালকে দেওয়া বিপুল অর্থের ঋণ, অন্যদিকে ছেলের কোনো নিশ্চিত সন্ধান না পাওয়ার যন্ত্রণা—দুই দিক থেকেই বিপর্যস্ত পরিবারটি।

রবিনের বাবা জলিল মিয়া বর্তমানে শয্যাশায়ী। ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর মা শোফালা বেগমও শোক ও দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েছেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

রবিন জীবিত থাকলে তাকে দ্রুত শনাক্ত করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার। আর যদি তিনি দুর্ঘটনায় মারা গিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারকে সরকারি ও নির্ভরযোগ্যভাবে বিষয়টি জানানোর অনুরোধ করেছে তারা।

দালালচক্রের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

রবিনকে বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় এবং পরে ইউরোপে পাঠানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার।

বিশেষ করে বাংলাদেশের রাজীব এবং লিবিয়ায় থাকা আলমের মাধ্যমে রবিনের বিদেশযাত্রার পুরো প্রক্রিয়া তদন্ত করে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার।

‘আমরা গুজব চাই না, নিশ্চিত খবর চাই’

মাহমুদা জানান, প্রতিদিনই পরিবারের কাছে নতুন কোনো খবর আসে—কখনো আশার, কখনো হতাশার। কিন্তু কোনো খবরই এখন পর্যন্ত তাদের কাছে রবিনের প্রকৃত অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি।

পরিবারের সদস্যদের ভাষায়, তারা আর গুজব, অনুমান কিংবা দালালদের পরস্পরবিরোধী কথা শুনতে চান না। তারা শুধু রবিনের প্রকৃত পরিণতি সম্পর্কে একটি নিশ্চিত খবর চান।

রবিন জীবিত থাকলে তাকে খুঁজে বের করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর যদি তিনি না থাকেন, তাহলে অন্তত তার পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারকে জানানো হোক।

কারণ, প্রিয়জন বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন—এই প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে প্রতিদিন অপেক্ষা করে থাকা যে কতটা নির্মম, রবিনের পরিবার এখন তারই সাক্ষী।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
গত ৩১ অক্টোবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলা কবিতা, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত ফার্মিংটন হিলসের দ্য হক ফার্মিংটন হিলস কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান হবার কথা রয়েছে। ‘মনের গহীনে বাংলা’ নামের এই আয়োজনের মূল উপজীব্য দেশ, মা, মাটি, প্রেম, মাতৃভাষা এবং বাঙালির শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা। প্রবাসে বসবাস করেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করার যে নিরন্তর প্রয়াস, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সেটিই দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানের শিরোনামের মধ্যেও রয়েছে বাংলার প্রতি গভীর আবেগ ও আত্মিক টানের প্রকাশ। অনুষ্ঠান সম্পর্কে সাইফুল আজম সিদ্দিকী বলেন, এখানে কবিতায় দেশের কথা বলব, প্রেমের কথা বলব, বাংলার কথা বলব।  তিনি জানান, দেশ, মা ও মাটির কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কবিতাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সময়ের শক্তিমান কবিদের রচনার পাশাপাশি সমকালীন ও প্রবাসী কবিদের কবিতাও আয়োজনে স্থান পাবে। অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার পাশাপাশি নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক এবং মহাদেব সাহার নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হবে। বাংলা কবিতার বিভিন্ন সময়, ধারা ও অনুভূতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে পুরো আয়োজনে। এটি সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হলেও মিশিগানের কয়েকজন কবি ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। তাঁরা নিজেদের নির্বাচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবেন। ফলে একক আবৃত্তির পাশাপাশি এটি প্রবাসী বাঙালি কবি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেবল আবৃত্তির মধ্যে অনুষ্ঠানটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। কবিতার সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত এবং আবদুল করিমের গানসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ পরিবেশিত হবে। কোনো কোনো পরিবেশনায় কবিতা ও গান মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ ফিউশন। এ ছাড়া প্রবাসে বেড়ে ওঠা কয়েকজন তরুণ-তরুণী বাংলা কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন। কবিতা, কণ্ঠ, সুর ও নৃত্যের এই সমন্বয় অনুষ্ঠানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা মনে করছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন সাইফুল আজম সিদ্দিকী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট, আবৃত্তিকার এবং প্রবাসী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বর্তমানে বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসে প্রকৌশল ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অনুষ্ঠানটি যথাসময়ে শুরু করার জন্য শিল্পী ও অংশগ্রহণকারীদের বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘মনের গহীনে বাংলা’ মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিদের কাছে কবিতা, গান ও নৃত্যের একটি স্মরণীয় বিকেল হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের ঠিকানা: The Hawk–Farmington Hills Community Center, 29995 W. 12 Mile Road, Farmington Hills, MI 48334। আরটিভি/টিআর
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শতভাগ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে তিনজন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ। গ্রেডভিত্তিক ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির ১১ জন শিক্ষার্থী ‘এ’, তিনজন ‘এ-’ এবং একজন ‘বি’ গ্রেড অর্জন করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন শিক্ষার্থী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান। দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রমের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছে। আরটিভি/টিআর
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোজিবুল হকের সাক্ষাৎ
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভাইস প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা- শাহ গ্রুপ, টিএএস এভিয়েশন গ্রুপ ও বাকা হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কে. এম. মোজিবুল হক।
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোজিবুল হকের সাক্ষাৎ
নিউইয়র্কে কিশোরীর জামার নিচে হাত ঢুকিয়ে ‘কাজের অফার’ বাংলাদেশি চিকিৎসকের!
ঘটনাটি নিজের চেম্বারে ঘটিয়েছেন ডা. ফজল ইউসুফ, যা তার বাড়ির ভেতরেই অবস্থিত।
নিউইয়র্কে কিশোরীর জামার নিচে হাত ঢুকিয়ে ‘কাজের অফার’ বাংলাদেশি চিকিৎসকের!
আরও পড়ুন
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি
তুরস্ককে ঠেকাতে গ্রিসের সঙ্গে ইসরায়েলের বড় সামরিক চুক্তি!
গ্রিস উপকূলে বাংলাদেশিসহ ৭৯ অভিবাসী উদ্ধার
লিবিয়ার তদ্রু থেকে সমুদ্রযাত্রা, ৩৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি সোহেল রানার