ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

টি-রেক্স নিয়ে নতুন তথ্য, বদলে গেল বিজ্ঞানীদের ধারণা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫০ পিএম
ফাইল ছবি

দশক ধরে বিজ্ঞানীরা ডায়নোসরের প্রজাতি টাইরানোসরাস রেক্সের (টি-রেক্স) বয়স এবং বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করছিলেন হাড়ের ফসিলের মধ্যে সংরক্ষিত বার্ষিক বৃদ্ধির আংটি বা রিং গণনা করে- যা গাছের বার্ষিক রিং-এর মতো। এই রিং ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা অনুমান করতেন যে এই দৈত্যাকার মাংসাশী প্রাণীরা ২৫ বছর বয়সে মারা যায়। তবে নতুন গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রজাতি পূর্ণবয়সে পৌঁছাতে প্রায় ৪০ বছর সময় নিয়েছিল এবং প্রায় ৮ টনের ওজনের হয়ে উঠত।

এ বিষয়ে অকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির হেলথ সায়েন্সেস সেন্টারের অ্যানাটমি ও প্যালিওনটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. হোলি উডওয়ার্ড বলেন, পূর্ববর্তী গবেষণার সেরা অনুমান অনুযায়ী, টি-রেক্স সাধারণত ২৫ বছর বয়সে বৃদ্ধি থামত। তবে ১৭টি টি-রেক্সের ফসিল বিশ্লেষণ কিশোর থেকে পূর্ণবয়স্ক নমুনা পর্যন্ত দেখিয়েছে যে এই প্রজাতি পূর্ণবয়সে পৌঁছাতে প্রায় ৪০ বছর সময় নিয়েছিল এবং প্রায় ৮ টন ওজনের হয়ে উঠত।

গবেষণায় দেখা গেছে, এই দীর্ঘ বৃদ্ধির সময়কাল থেকে বোঝা যায় যে, কিছু প্রসিদ্ধ নমুনা হয়তো আসল টি-রেক্সের নয় বরং কাছের অন্যান্য টাইরানোসরাস প্রজাতি বা ভ্যারিয়েন্ট হতে পারে।

আরও পড়ুন

ড. উডওয়ার্ড বলেন, এটি এখন পর্যন্ত তৈরি সবচেয়ে বড় টি-রেক্স ডেটাসেট। হাড়ের ফসিলে সংরক্ষিত বৃদ্ধির আংটি পরীক্ষা করে আমরা প্রাণীর বার্ষিক বৃদ্ধির ইতিহাস পুনর্গঠন করতে পেরেছি।

গবেষকরা একটি নতুন পরিসংখ্যানিক পদ্ধতি তৈরি করেছেন, যা বিভিন্ন নমুনা থেকে তথ্য একত্র করে টি-রেক্সের সমস্ত জীবনপর্যায় ধরে বৃদ্ধির চিত্র প্রদর্শন করে।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, টি-রেক্স দ্রুত বৃদ্ধি পেত এবং তাড়াতাড়ি পূর্ণবয়স্ক হত এমন ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মৃত নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন একটি গ্রহ তৈরি হয়েছে—এমন সম্ভাবনার প্রথম প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মহাবিশ্বের বুকে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর চক্র অন্তহীন।
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। বাড়ে দায়িত্ব, তৈরি হয় নতুন স্বপ্ন। তবে ছেলে না মেয়ে— সন্তানের লিঙ্গের সঙ্গে বাবার আয়ুর কোনো সম্পর্ক আছে কি? বিশেষ করে, কন্যাসন্তান হলে বাবার আয়ু বাড়ে— এমন ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্য রয়েছে?
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার বছর আগের এক আদি মানুষের মুখচ্ছবি পুনর্গঠন করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, আধুনিক পোশাক পরিয়ে ওই মানুষকে আজকের মানুষের ভিড়ে দাঁড় করালে প্রথম দেখায় আলাদা করে চেনা কঠিন হতো।
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে মহাবিশ্বে আমরা একা কিনা, তা জানতে বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এবার সেই অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ এক সাফল্য পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ থেকে সরাসরি আসা রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছেন তারা।
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড গড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।  আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরকে ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড করা হতে পারে। শুধু তা–ই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোয় এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।  একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।  যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।  বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। সূত্র: ডেইলি মেইল আরটিভি/এসএস
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
আরও পড়ুন
মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে তৈরি হওয়া গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
টানা চতুর্থবার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ড. খালিদ, বাংলাদেশে পঞ্চম
টানা দুইবার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় কুবি শিক্ষক শফি উল্যাহ্
বর্জ্য হিসেবে ফেলা হয় ১২ হাজার টন কমলার খোসা, ১৬ বছর পর ‘চোখ ছানাবড়া’ বিজ্ঞানীদের