ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামায়াতেও একটা আসছে: রফিকুল ইসলাম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান কার্যক্রম ও পশ্চিমের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক পোস্টে তিনি জামায়াতকে পশ্চিমা সন্তুষ্টির পথ পরিহার করে আল্লামা সাঈদীর রক্তের বিনিময়ে গড়া দলটির মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার আহ্বান জানান।

রফিকুল ইসলাম মাদানী লেখেন, মমতাজ আওয়ামী লীগেও একটা ছিল, এখন জামাতেও একটা আসছে। পার্থক্য-আওয়ামী লীগেরটা খোলামেলা, সে বাউল শিল্পী, তার কাজও সরাসরি, সে ওপেন ফাইট্টা যায় ছিঁইড়া যায় বলত!

তিনি লেখেন, আর এটা হিজাব পরে ইসলামের নামে ধোঁকা দিয়ে সবকিছু ফাটাইলতাছে, ছিঁড়ালতাছে, ইসলামের ক্ষতি করতাছে!

তিনি আরও লেখেন, ঐ মমতাজও সংসদে সবজান্তা মাতব্বরের মতো সিয়াসিত্তার হাদিস কউত, এটাও সবজান্তা হাদিস বলে! ভাবসাবও সেইম!

কেন জানি মনে হচ্ছে, জামাত পশ্চিমাদের থেকে ক্ষমতা পাওয়ার আশায় এদেশের ইসলামপন্থীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চ্যালেঞ্জ করে বসছে আমরা ইসলামের নামে যা তা করব, পারলে কী করবা কর?

মাদানী লেখেন, এরা ভাবতেছে, আওয়ামী লীগের চ্যাপ্টার ক্লোজ, বিএনপি এখন পাওয়ারে আছে, আর বাঙালি টানা ২ টার্মে কাউকে ভোট দিয়ে পাস করাবে না। অতএব, আগামী টার্মে আমরা কনফার্ম সমস্যা ভোটের মাঠে নাই!

সমস্যা পশ্চিম। তারা যদি মনে করে আমরা ইসলামপন্থী, তাহলে আমাদের আসতে দিবে না। যেটা উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের কথায় বুঝা যায় এবারই হইছে!

ইসলামিক এই বক্তা লেখেন, অতএব, পশ্চিমের কাছে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে আওয়ামী লীগ-বিএনপির চেয়েও আমরা আল্ট্রা ফ্রো-মেক্স স্টাইলে আরও আপডেট পুরোপুরি সেকুলার আমরাও! পূর্বে যা কেউ করে নাই, সেগুলোও আমরা করব।

এগুলো করে পশ্চিমকে বুঝাচ্ছে এই দেখুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা প্রথম হাফ প্যান্ট পরে বাস্কেটবল আয়োজন করছি মেয়েদের! সারাদেশে এত এত সমালোচনা, তারপরও আমরা আমাদের মহিলা এমপিকে দিয়ে খেলার পুরস্কার দিয়েছি। এটাই আমাদের কাছে ইসলাম!

রফিকুল লেখেন, জামাত-শিবিরকে বলি, ভাইরে আমার কষ্টের জীবনে আপনারা সহযোগিতা করছেন, খোঁজখবর নিছেন। তাই আপনাদের প্রতি একটা ইমোশন-সিমপ্যাথি কাজ করে। আপনাদের দলীয় অবস্থান নিয়ে অন্যদের মতো আমি বিরোধিতা করি না, সমালোচনার জন্য সমালোচনাও করি না।

কিন্তু আপনারা যদি এভাবে পশ্চিমাদের খুশি করার জন্য ওপেন আমাদের চ্যালেঞ্জ করেন, তাহলে শুধুমাত্র ইস্যুভিত্তিক বিরোধিতা করব না!

তিনি লেখেন, আমাকে মেরে ফেলা না হলে, আমি একা বিরোধিতায় লাগলে লোড নিতে পারবেন না, পাগল হয়ে যাবেন!

প্লিজ, আল্লাহর ওয়াস্তে, আল্লামা সাঈদী রহ.এর শাহাদাতে রঞ্জিত দলটাকে আর নিচে নামায়েন না! আপাতত এতটুকু চাওয়া!

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির
জলফড়িং এজেন্সি নামে একটি অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ভ্রমণ প্যাকেজ ও টিকিট বুকিংয়ের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট সংগঠন এ অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
ভ্রমণ প্যাকেজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা জলফড়িং এজেন্সির
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসাপড়ুয়া শিশুকন্যাকে চুমু খেতে চাওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে চড় মারা শাহজালাল রুমির পাশে দাঁড়ালেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
শাহজালাল রুমিকে নিয়ে সোহেল তাজের পোস্ট
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
গোপালগঞ্জে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয় আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। 
আবারও প্রমাণ হলো আ.লীগ সন্ত্রাসী সংগঠন: আবু হানিফ 
এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক: তারেক রহমান
সন্তানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আমজনতা দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বডিবিল্ডার বাবার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, এমন বাবা ঘরে ঘরে হওয়া উচিত। শনিবার (২৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি। পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ময়মনসিংহে এক হিন্দু যুবককে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে গাছের সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জুবায়ের নামে এক ব্যক্তি উসকানিদাতা ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি লেখেন, থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় জুবায়েররা প্রমাণ ও ন্যায়বিচার চাইছেন। কিন্তু কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার সময় ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা কেন বিবেচনায় নেওয়া হয় না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। সবার ক্ষেত্রেই ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্তানের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন তারেক রহমান। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘মানুষের মনের কথা, এমন বডি বিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক, তার সন্তানকে যেন খারাপ কিছু করতে ১০ বার ভাবে।’ শিশুদের সুরক্ষার প্রসঙ্গে তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার ছবি ও ভিডিও প্রকাশের বিষয়েও মন্তব্য করেন। এ ধরনের আচরণ শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমানের দাবি, শিশুদের ঠোঁটে চুমু দেওয়ার মাধ্যমে বড়দের মুখের লালা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মেনিনজাইটিস, হারপিস ও দাঁতের ক্ষয়ের মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সন্তানের সুরক্ষার স্বার্থে এ ধরনের অভ্যাস পরিহারের আহ্বান জানান তিনি। এ ছাড়া শিশুদের প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারেক রহমান। একই সঙ্গে জুবায়ের নামের ওই ব্যক্তিকে আলেম-ওলামাদের আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। আরটিভি/এসআর
এমন বডিবিল্ডার বাবা ঘরে ঘরে হোক: তারেক রহমান
একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন: রাশেদ খাঁন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, আমাদের সব বাবা-মায়ের কাছে সন্তান একটি পবিত্র আমানত। এই আমানতের দিকে কেউ কুনজর দিলে বাবা-মায়ের ক্ষুব্ধ হওয়া খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না, একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, হয়তো শিশু বা কারও প্রতি স্বাভাবিক আদর কিংবা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তিনি চুমু দেন। কিন্তু তার আচরণের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অন্য কেউ এমন আবেগ প্রকাশ করলে কিংবা দুশ্চরিত্র সুযোগসন্ধানী লোকজন শিশুদের দিকে কুনজর দিলে, এর পরিণতি কি হতে পারে, সেটি টঙ্গীতে পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমি বলছি না যে, সেই দলের প্রধান নেতা কোনো নেতিবাচক সেন্স থেকে চুমু দিয়ে কারও প্রতি ভালোবাসা বা আদরের বহিঃপ্রকাশ ঘটান। তবে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপটে এই ধরনের চুমু দেওয়া একটি শিশু কিংবা কোনো ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। আশা করি, টঙ্গীর ঘটনার পরে ওই দলের প্রধান নেতাও সংশোধন হবেন। টঙ্গীর ঘটনায় নিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, চুমু দেওয়া একজন শিক্ষকের কাজ নয়, একজন রাজনৈতিক নেতারও কাজ নয়। টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় ৭ বছরের শিশু কন্যাকে ওই মাদ্রাসার অভিযুক্ত একজন শিক্ষক চুমু দেওয়া এবং পরবর্তীতে শিশুটির বাবার অভিযুক্ত শিক্ষককে থাপ্পড় মারার ঘটনা সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।  ‘বিষয়টি সামনে আসার পর অনেক বাবা-মাকে তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আবার এই ঘটনাকে সামনে এনে কারও কারও মাদ্রাসাশিক্ষা-বিরোধী ক্যাম্পেইনও করতে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু কোনো ব্যক্তির অপরাধের জন্য পুরো মাদ্রাসাশিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় না, ওই বাবাও তার বক্তব্যে এমনটাই তুলে ধরেছেন।’ তিনি বলেন, আশা করি, সারা দেশের মাদ্রাসার শিক্ষকরাই এই ঘটনাগুলোর প্রতিকার বের করে প্রতিবাদ করবেন এবং জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন। আরটিভি/এসআর  
একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন: রাশেদ খাঁন
আরও পড়ুন
কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর
১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ চলছে
ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল
জামায়াত থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি