ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

আশুলিয়ায় প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ পিএম
আশুলিয়ায় প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও ভাইরাল। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ঢাকার আশুলিয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে নাচের দৃশ্যের পাশাপাশি পাশের একটি টেবিলে মদের বোতলসদৃশ বস্তু দেখা যাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে উপজেলার ১১০ নম্বর শ্রীখণ্ডিয়া সালেহা ইদ্রিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানোয়ার মাস্টারকে এক ব্যক্তির সঙ্গে আনন্দচিত্তে নাচতে দেখা যায়।

তবে ভিডিওটিতে থাকা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মদ্যপানের অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক সানোয়ার মাস্টারের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে শিক্ষকের এক নিকটাত্মীয় দাবি করেছেন, ভিডিওটি সাম্প্রতিক নয়, বরং প্রায় সাত থেকে আট মাস আগে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে এটি ধারণ করা হয়েছিল। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে এখন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে, তা তাদের জানা নেই।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়টি তার দাপ্তরিক আওতাধীন নয়। ওই স্কুলটির দায়িত্বে রয়েছেন আশুলিয়ার শিক্ষা কর্মকর্তা ঝর্ণা রানী পাল। তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা, দৃশ্য ধারণের সঠিক সময় ও স্থান কিংবা টেবিলে থাকা বোতলের তরল পদার্থের প্রকৃতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার ক্ষমা চাইলেন মাসুদের ‘শ্যালিকা’, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর!
দেশজুড়ে আলোচনা সমালোচনা পর এবার নওগাঁয় আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করা মাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী পুর্নিমা ও শ্বশুর মান্নান সাপুরে গ্রামবাসীর সামনে ক্ষমা চেয়েছেন এবং তওবা করেছেন। এ ছাড়া মাসুদও কান ধরে ক্ষমা চান।
এবার ক্ষমা চাইলেন মাসুদের ‘শ্যালিকা’, কান ধরে তওবা করলেন শ্বশুর!
গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন
‘গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক নিয়ে জামায়াতের বিবৃতি ও গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের সমালোচনা করে এ মন্তব্য করেন তিনি। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘জামায়াতের এই বিবৃতির ভাষা কি প্রমাণ করে না যে, মিয়া গোলাম পরওয়ার গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করেছেন? বিবৃতিতে কোথাও বৈঠক না হওয়ার বিষয়ে অস্বীকার করে নাই এবং বিবৃতিতে কোথাও ভারত শব্দটা পর্যন্ত আনে নাই! কেন?  ‘শোনেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছে, জামায়াত তাকে রক্ষা করতে গেলে পুরো দলকে এর দায় নিতে হবে। আর এখন থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দিলে জনগণ উত্তর দিবে মুনাফেক মুনাফেক! দিল্লি না ঢাকা.... মুনাফেক, মুনাফেক!’ তিনি লেখেন, গতকাল নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, সাংবাদিক যে সময় বলছিলো মিয়া গোলাম পরওয়ার ভাইয়ের কাছে প্রশ্ন করতে চাইলো, তিনি বা পাশ থেকে কেউ বললেন, না আজকে অন্য প্রশ্ন না! আবার তিনি তড়িঘড়ি করে গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে অন্য প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য চলে গেলেন! তিনি যদি ঐদিন অন্য প্রশ্ম না নিবেন, তবে কেনো প্রথম প্রশ্নের যথাযথ উত্তর না দিয়ে দ্বিতীয় প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিলেন? তিনি আরও লেখেন, এর মূল কারণ হলো, প্রথম প্রশ্নে তিনি ইতস্তত অনুভব করছিলেন যে, টুপি মাথায় দিয়ে আর কতো মিথ্যা বলা যায়! আমিও অবাক হলাম, জামায়াত যে ইসলামের কথা বলে! তাদের ইসলাম মানে কি টুপি মাথায় দিয়ে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানানো? আরটিভি/এসআর
গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন
ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ভিডিও প্রকাশ করলেন রাশেদ খাঁন
ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।  এ অভিযোগের পক্ষে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছে এবং এতে থাকা গাড়িতে কারা ছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি প্রকাশ করেন রাশেদ খাঁন। ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া পোস্টে তিনি দাবি করেন, ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ওই গাড়িতে করে বেরিয়ে আসেন। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক শেষে এই গাড়ি করে বের হয়ে আসে মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জামায়াতের প্রতিনিধি দল। আমি আবারও বলছি, মিয়া গোলাম পরওয়ার চাইলে আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে পারেন। এর আগে সোমবার (২৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসেও একই অভিযোগ তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, গত ১৬ অক্টোবর মাগরিবের পর রাজধানীর বারিধারার একটি বাড়িতে ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াত নেতা এটিএম মাছুমসহ তিনজন। যারা প্রকাশ্যে ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন, তারা কোন স্বার্থে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছেন- এমন প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার ভাষ্য, ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করা এবং দেশটির উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করা এক বিষয় নয়। জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার নৈতিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করলে কথিত বৈঠকের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন বলে তিনি আশা করেন। তা না হলে জামায়াত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত- এমন ধারণা তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। আরটিভি/এসআর
ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ভিডিও প্রকাশ করলেন রাশেদ খাঁন
জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখে ‘চুন-কালি লাগা’ সেই মাসুদ
প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে রেখেই তার আপন ছোট বোনকে (শালী) বিয়ে করে দেশজুড়ে সমালোচনার জন্ম দেওয়া টিকটকার ও আইনজীবীর সহকারী মো. মাসুদ রানা অবশেষে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এছাড়া তিনি তার নতুন স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন মুখে ‘চুন-কালি লাগা’ সেই মাসুদ
মাকে ভিডিওতে এনে বাবার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন তাশরীফ
ইসলামী ধর্মীয় বক্তা হাফেজ ক্বারী জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বিরুদ্ধে অসুস্থ বাবার ভরণপোষণ না দেওয়া এবং তার খোঁজখবর না রাখার অভিযোগ উঠেছে। ছেলের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন তার বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ। এ ঘটনার পর পারিবারিক বিষয়ে খোলাসা বক্তব্য দেন তাশরীফ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ফেসবুক লাইভে এসে এ বক্তব্য দেন তিনি ভিডিওতে জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ বলেন, পিতামাতার খেদমত করা ফরজ। তাদের খেদমত অবশ্যই করতে হবে। তবে সেটির সৌন্দর্য থাকে। মানুষ পিতামাতার সঙ্গে বসবাস করে, খাওয়া-দাওয়া করে। পিতামাতাকে খরচ দেয়। কিন্তু আমি ছোটবেলাতেই আমার বাবার কাছ থেকে আলাদা।  বাবার প্রতি অভিযোগ করে তিনি বলেন, প্রায় প্রতিদিন ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আমার মাকে আমার বাবা নির্মম অত্যাচার করতেন। তরকারিতে লবন বেশি হলে মাকে মারধর করতেন। আমার বাবার বিভিন্ন জায়গায় বিয়ে করার বিষয়গুলো নিয়ে যখন জানতে চাইতেন, তখনই আমার মায়ের ওপর শুরু হতো অত্যাচার। আমার ছোট বোনের জন্মের পর আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দেন। নানা বেঁচে না থাকায় অনেক কষ্ট করেছি। আমার মা অত্যন্ত ধৈর্যশীল একজন মানুষ। আমি আজকে বলতে পারি মায়ের দোয়ার কারণেই আমি হয়তো এতটুকু আসতে পেরেছি।  তাশরীফ বলেন, ৪ বছর বয়সে আমাকে এতিম খানায় ভর্তি করা হয়। এতিম খানা ভর্তির পর আমার জীবনের ১৮/১৯ টি বছর ছিল অত্যন্ত মাজলুমের। সে সময় আমার মনে হতো আমার বাবা এই পৃথিবীতে আমার জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু।  তিনি বলেন, কখনও মানুষকে বাবা-মা ডেকে, মানুষের বাড়িতে কাজ করে পড়াশুনা চালিয়েছি। বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশ নিতে পরিক্ষার ফর্মের টাকা পর্যন্ত আমার বাবা দিতেন না। সেই প্রতিযোগীতায় পাওয়া পুরস্কারের টাকা গুলো আবার সে নিয়ে নিতেন, আমাকে দুটি টাকাও দিতেন না। বাবা মিথ্যা বলছেন অভিযোগ করে তাশরীফ বলেন, তাকে সবসময়ই টাকা ওেয়া হয়েছে, ২০/৩০ হাজার টাকা দিলেও নেয় না। কিন্তু তার চাওয়া লাখ লাখ টাকা, গাড়ি।  কোরবানির মাংস না দেওয়ার বিষয়ে জানান, আমি কোরবনির গোশত পাঠিয়েছি কিন্তু তা সে নেয়নি। মোবাইল চেয়েছেন, আমি মোবাইল দিয়েছি।  চিকিৎসা করাতে বলেছেন, আমি বলেছি একটু সময় দাও, কিন্তু উনি তা না শুনে ভিক্ষা করেছেন। আমাকে ছোট করার জন্য এই কাজ করেছেন। বাবার বিরুদ্ধে দাদা-দাদিকে কষ্ট দেওয়ার অভিযোগ করে তাশরীফ বলেন, তিনি নিজের বাবা-মাকে, সন্তানদের, স্ত্রীকে অত্যাচার করে সে মানুষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। এদিকে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তাশরীফের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ভিডিওতে তাশরীফের মা বলেন, তাশরীফ তার বাবার ভরণ-পোষণ বা খোঁজখবর নেন না বলে যে অভিযোগ ‍উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, তাশরীফ তার বাবাকে প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দেয়। কিন্তু সম্প্রতি ঝগড়া-ঝাটির কারণে দুই তিন মাস ধরে সেটা দিচ্ছে না, তাই তার বাবা তার নামে এমন মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। মূলত তিনি চান না তার ছেলে এত উপরে ওঠুক আর তিনি নিচে থাকেন। তাশরীফের বাবা অন্য মানুষের কথা শুনে চলেন বলেও অভিযোগ করেন তার মা। তিনি বলেন, মানুষ তাকে (তাশরীফের বাবাকে) বলে, তোর ছেলে এত উপরে থাকবে আর তুই এভাবে থাকবি কেন’— মানুষের এসব কথা শুনে তিনি তাশরীফের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন। এ সময় তাশরীফের বাবা মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ ১৭-১৮টি বিয়ে করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাশরীফের মা বলেন, তাশরীফের বাবা তো অনেক বিয়ে করেছেন। আমি তার ঘরে থাকতেই তিনি সাতটি বিয়ে করেন। আমি আসার পর শুনেছি, তিনি ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে করেছেন। আরটিভি/এসআর
মাকে ভিডিওতে এনে বাবার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন তাশরীফ
আরও পড়ুন
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা
২০ বছরের কর্মজীবন শেষে ঘোড়ার গাড়িতে আবেগঘন বিদায়
বাড়ি ফেরার পথে স্ত্রীর সামনেই ট্রাকচাপায় স্বামীর মৃত্যু
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ফেরাতে ব্যাকুল শিক্ষার্থীরা