এক বছরের মধ্যে পাল্টে যাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের চিত্র। বছরে দুই কোটি যাত্রীসেবা দেওয়ার লক্ষে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো কাজ শেষ করতে চায় কর্তৃপক্ষ।
তথ্যমতে, অনেকটা সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের আদলে তৈরি হচ্ছে তৃতীয় টার্মিনাল। নকশা করেছেন রোহানি বাহরিন, বাস্তবায়ন করছে জাপানের দুই প্রতিষ্ঠান। বর্তমান দুটি টার্মিনালের দ্বিগুণের বেশি ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটারে তৈরি হচ্ছে তৃতীয় টার্মিনালটি।
শুধু তাই নয়, টার্মিনালে ঢুকতে দীর্ঘ লাইন এড়াতে থাকবে ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার। তৈরি হচ্ছে নতুন ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ। দুই পাশে বহির্গমন ও আগমনি কাউন্টার থাকবে ৬৪টি করে। একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্কের জন্য তৈরি হচ্ছে অ্যাপ্রোন।
এ ছাড়া এই প্রকল্পের আওতায়, দুইটি হাইস্পিড ট্যাক্সিওয়ে, ২৭ হাজার বর্গমিটারের আমদানি কার্গো টার্মিনাল ও গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য তিনতলা ভবন তৈরি করা হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এম ইকবাল হোসেন বলেন, আমাদের একটা ভিজিলেন্স টিম প্রয়োজন। যারা প্রতিদিন সাইডে গিয়ে দেখবেন কী কাজ হচ্ছে, কখন হচ্ছে এবং কীভাবে করতেছে। এই জিনিসগুলো না দেখলে মাটির নিচে কী ঢুকছে তা বুঝা যাবে না।
তবে কোনো বিদেশি বিমানবন্দরে নেমেই বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারণা পাবে বলে আশা বেবিচক কর্তৃপক্ষের।




