ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যেখানে মানুষ অতিথি, রাজত্ব শুধু প্রজাপতির!

অর্পিতা জাহান, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম

চোখ যেদিকে যায়, সেদিকেই রঙিন ডানার ঝাপটানি। গাছের ডাল, পাহাড়ের ঢাল, এমনকি বাতাসও যেন ঢেকে গেছে লাখো-কোটি প্রজাপতিতে। কারণ এটা মানুষের নয়, প্রজাপতির দ্বীপ। যেখানে পা রাখতেই লাখো প্রজাপতি উড়ে এসে স্বাগত জানাতে চলে আসে। মনে হয়, যেন প্রকৃতির সবচেয়ে রঙিন বাসিন্দারা অপেক্ষা করছিল নতুন কোনো অতিথির জন্য।

চীনের ইউনান প্রদেশের হংহে বাটারফ্লাই ভ্যালিতে এখন দেখা মিলছে এমনই এক বিস্ময়কর দৃশ্যের। বছরের এই সময়টাতে উপত্যকাজুড়ে শুরু হয় প্রজাপতিদের মহাউৎসব। চারদিকে শুধু রঙিন ডানার উড়াউড়ি। কোথাও তারা গাছের কাণ্ডে দল বেঁধে বসে আছে, কোথাও আবার একসঙ্গে আকাশে উড়ে তৈরি করছে জীবন্ত রঙের ঢেউ।

আরও পড়ুন

দূর থেকে তাকালে মনে হয়, গাছের পাতাগুলো বুঝি হাওয়ায় কাঁপছে। কিন্তু একটু কাছে গেলেই বোঝা যায়, সেগুলো আসলে অসংখ্য প্রজাপতি। ডানা মেলার সঙ্গে সঙ্গে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে নীল, হলুদ, কমলা ও সাদা রঙের অপূর্ব মিশেল। বাতাসে ভেসে আসে ডানার মৃদু শব্দ, আর পুরো উপত্যকা যেন পরিণত হয় প্রকৃতির এক বিশাল উৎসবমঞ্চে।

এই দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করছেন পর্যটকেরা। কেউ ক্যামেরাবন্দি করছেন সেই বিরল মুহূর্ত, কেউ আবার দাঁড়িয়ে মুগ্ধ চোখে দেখছেন প্রকৃতির এই অনন্য আয়োজন। অনেকের কাছেই এটি শুধু একটি ভ্রমণ নয়, বরং প্রকৃতির সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হওয়ার অভিজ্ঞতা।

সেখানে ঘুরতে যাওয়া দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, বাস্তবে এই দৃশ্য ছবির চেয়েও অনেক বেশি সুন্দর। উপত্যকার মাঝে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে, ব্যস্ত জীবনের সব ক্লান্তি যেন মুহূর্তেই হারিয়ে গেছে। আবার কেউ কেউ মনে করেছেন, এত বিপুল সংখ্যক প্রজাপতিকে একসঙ্গে উড়তে দেখা প্রকৃতির এক বিরল উপহার।

বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের শেষ দিকে এই উপত্যকায় প্রজাপতির সংখ্যা প্রায় ১০ কোটিতে পৌঁছে যায়। ইউনানের এই অঞ্চলে ৩২০টিরও বেশি প্রজাতির প্রজাপতি পাওয়া যায়। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে ডিম থেকে বের হয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতিতে রূপ নেয় তারা। আর তখনই পুরো উপত্যকা রঙিন ডানার এক জীবন্ত সমুদ্রে পরিণত হয়।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
একটি পাহাড়ি টিলা, যেখানে ভেসে উঠে নানা নকশা, ছুটে চলা হরিণের অবয়ব আর রঙ্গিন আলোর খেলা। আর তা দেখেই অবাক দর্শকরা, অনেকেই আবার ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ছবি তুলতে।
আলো আর সুরের মায়াজালে জীবন্ত হয়ে উঠল প্রাচীন সমাধি
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার! 
ডিজেলের দাম এতটাই বেড়েছে যে, পাম্পের ডিজিটাল ডিসপ্লেতেই আর বাড়তি দাম দেখানোর জায়গা নেই কোনো! ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও হু হু করে বাড়ছে জ্বালানির দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামে রেকর্ড; স্টেশনের ডিসপ্লেতেই জায়গা হচ্ছে না সংখ্যার!