
নদী ভাঙ্গনে ভিটে-মাটি হারিয়ে থাকেন ভাড়া বাসায়, সেখানকার দেয়াল সাজিয়েছেন নিজের মতো করে, তবে পছন্দের কোন রঙ কিংবা পারিবারিক ছবিতে নয় পেপার কাটিং দিয়ে, যেখানে রয়েছে জমি নিয়ে খুন, সংঘর্ষ, জালিয়াতি ও বঞ্চনার হাজারো খবর। আর এসবের সমাধান খুঁজতেই সেলিম মিয়া গড়েছেন এই গবেষণাগার।
উত্তরের নদীভাঙ্গন কবলিত জেলা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সেলিম মিয়া এনজিওর চাকরি হারিয়ে মামলার এজাহার লেখালেখির কাজ করতে গিয়ে তার নজরে আসে ভূমিসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়। এরপর প্রায় ১৩ বছর ধরে ভূমি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন খবর সংগ্রহ করতে থাকেন, যা সেঁটে রেখেছেন ঘরের চার দেয়ালে।
এছাড়াও নারীর সম্পত্তির অধিকার থেকে শুরু করে জমি নিয়ে বিভিন্ন জটিলতা সমাধানে নিজের মতো তৈরি করেছেন ‘ডিজিটাল ভূমি কার্ডের’ ধারণা, যেখানে থাকবে জমির মালিকের জমির পরিমাণ, মৃত্যু-সংক্রান্ত তথ্য, ওয়ারিশের তালিকা ও জমি কেনাবেচার হিসাব। সেলিমের দাবি, সরকারিভাবে এটি কার্যকর হলে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব- সংঘাত কমানো সম্ভব।
নিজে ভিটেমাটি হারিয়েছেন বহু আগেই, সেই অভিজ্ঞতা থেকেই হয়তো অন্যের বিরোধ অবসানের পথ খুঁজে চলেছেন সেলিম।
আরটিভি/এআর


