
পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্যের নায়কের নাম ইমরান খান। এই লড়াকু ক্রিকেটার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর হাত দিয়ে পাকিস্তান প্রথমবারের মতো বিশ্ব মঞ্চে সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছিল।
পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসের একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা এসেছিল ইমরান খানের নেতৃত্বে। ১৯৯২ বিশ্বকাপে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ইংল্যান্ডকে হারানোর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল পাকিস্তানিরা।
২০০৯ সালে আরেকবার অবশ্য শিরোপা জেতার স্বাদ পেয়েছিল পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেটি ছিল পাকিস্তানের প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আজ (১৩ নভেম্বর) মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে বাবর আজমের দল।
দলকে উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান এক বার্তা দিয়েছেন। যেখানে তিনি লিখেছেন,
‘পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রতি আমার বার্তাটা আজও একই থাকবে যেটা আমি আমার দলকে দিয়েছিলাম ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালের মঞ্চে।
প্রথমত: যেকোনো ক্রিকেটার খুব সাধনার পর বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে পারে। তাই এই মঞ্চে অভিভূত না হয়ে বরং দিনটি উপভোগ করো।
দ্বিতীয়ত: যদি তোমরা রিস্ক নিতে ইচ্ছুক হও তবেই কেবল জিততে পারবে এবং প্রতিপক্ষের প্রত্যেকটি ভুল থেকে সুবিধা আদায় করে নিতে পারবে।’
এখানে রিস্ক বলতে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের কথা বুঝিয়েছেন জানিয়ে ইমরান খান অন্য একটি কমেন্টসে বলেন, ‘এর মানে হচ্ছে আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে ক্রিকেট খেলা। শুভকামনা দল। পুরো জাতি তোমাদের সাফল্যের জন্য দোয়া করছে।
এদিকে ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালে টসে জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইংল্যান্ড। এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। মেলবোর্নে টসে জিতে আজকের ফাইনালে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জস বাটলার।
বিশ্বকাপের ফাইনালে টস পর্বের সময় বাবর আজমও সেই ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, 'ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে (১৯৯২ বিশ্বকাপের সঙ্গে মিলিয়ে)।'




