
২০১৮ সালে প্রথমবার আয়োজন করা হয়েছিল যুব গেমস। তখন প্রতি দুই বছর অন্তর একবার বাংলাদেশ গেমস ও একবার বাংলাদেশ যুব গেমস আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে দেশের দুটি বড় গেমসেরই সিডিউল ঠিক রাখা সম্ভব হয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ যুব গেমসের দ্বিতীয় আসর।
নতুন বছর ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি উপজেলা পর্যায়ের খেলা দিয়ে মাঠে গড়াবে দেশের যুবাদের সবচেয়ে বড় এই গেমসের দ্বিতীয় আসর। ক্রীড়াঙ্গনে দেশের উদীয়মান তরুণ ক্রীড়াবিদদের অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিতের লক্ষে এবারের টুর্নামেন্টের নাম ‘শেখ কামাল দ্বিতীয় বাংলাদেশ যুব গেমস ২০২৩’ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে গেমস আয়োজন সম্পর্কিত তথ্যাদি অবহিতকরণের নিমিত্তে অ্যাসোসিয়েশনের ডাচ বাংলা ব্যাংক অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)।
সেখানে টুর্নামেন্টের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও বিওএ-এর সহসভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন জানিয়েছেন, ২০০৬ সালের ২ জানুয়ারির পর জন্ম নেওয়া (অনূর্ধ্ব-১৭) বাংলাদেশর সব তরুণ-তরুণীই এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বয়স যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জন্ম সনদই প্রমাণপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।
আগামী ২ জানুয়ারি উপজেলা পর্যায়ের খেলা শুরু হয়ে চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। জেলা পর্যায়ের খেলা হবে ১৬ থেকে ২২ জানুয়ারি। চূড়ান্ত পর্ব হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ মার্চ। চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
২০১৮ সালে গেমস হয়েছিল ২১ ডিসিপ্লিন নিয়ে। এবার আরও তিনটি ডিসিপ্লিন- সাইক্লিং, রাগবি ও জিমন্যাস্টিকস যোগ হয়েছে। এতে ৪৯৫ উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার ক্রীড়াবিদ ৪২৯টি সোনার পদকের জন্য লড়বেন। সোনার পদক ছাড়াও রৌপ্য রয়েছে ৪২৯টি, ব্রোঞ্জ ৫৬১টি।
উপজেলা পর্যায়ে সর্বাধিক ৮টি যার মধ্যে সর্বোচ্চ ২টি দলীয় এবং ৬টি ব্যক্তিগত ডিসিপ্লিনে নিবন্ধণ করতে পারবেন। এছাড়া প্রতিটি ডিসিপ্লিনে তরুণ ও তরুণী দলের অংশগ্রহনের সুযোগ দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সেনাবাহিনী প্রধান ও বিওএ সভাপতি জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন এই প্রতিযোগিতার লোগো ও মাসকট উন্মোচন করেন। সময় বাংলাদেশ যুব গেমস সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের লক্ষে ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে চেয়ারম্যান করে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কমিটি এবং ১৪টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।




