ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

যেদিন দলের সঙ্গে যোগ দেবেন হামজা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
ছবি: বাফুফে

আগামী ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি খেলবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। এই ম্যাচে দলের সেরা তারকা হামজা চৌধুরীকে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলেও তাকে নিয়ে সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

বাফুফে প্রেসিডেন্ট তাবিথ আওয়ালের সভাপতিত্বে জাতীয় দল কমিটির বৈঠকের পর বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, ‘হামজা এখন পুরোপুরি সুস্থ এবং সে ২২ মার্চ ভিয়েতনামে জাতীয় দলে যোগ দেবে।’

বাবুল আরও জানান, স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ার কাব্রেরা শীঘ্রই ৩০ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করবেন। ১৬ মার্চ ঢাকায় জাতীয় ক্যাম্প শুরু হবে। এরপর ২১ মার্চ ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ভিয়েতনামের উদ্দেশে রওনা দেবে।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা জায়ান আহমেদ ১৪ মার্চ এবং কানাডায় থাকা শমিত শোম ১৫ মার্চ ঢাকায় পৌঁছাবেন। ইতালিতে থাকা ফাহামেদুল ইসলাম ও ফিনল্যান্ডে থাকা তারিক রাইহান কাজি ১৬ মার্চ দেশে ফিরবেন।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি চার্লটন অ্যাথলেটিকের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে হাঁটুতে চোট পেয়ে ক্র্যাচে ভর দিয়ে মাঠ ছাড়েন হামজা। এরপর থেকে ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে তার খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।

তবে ফেব্রুয়ারিতে ছয়টি ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকার পর ৭ মার্চ ইপসউইচ টাউন ও ১১ মার্চ ব্রিস্টল সিটির বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মাঠে নামেন ২৮ বছর বয়সী এই ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া মিডফিল্ডার। এতে ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ও সিঙ্গাপুর ম্যাচে তার খেলার সম্ভাবনা ফিরে এসেছে।

গ্রুপ সি থেকে সিঙ্গাপুর ইতিমধ্যে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলেছে। তাই বাংলাদেশের জন্য সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি এখন অর্থহীন হয়ে পড়েছে। পাঁচ ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুর ম্যাচটি হবে বাফুফের সঙ্গে কাব্রেরার চার বছরের চুক্তির শেষ ম্যাচ।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু সুবিধা করতে পেরে টানা দুই হারে সিরিজ হাতছাড়া সফরকারীদের।
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
চলমান আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে ২৪০ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। এদিন দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করা তৃতীয় বাংলাদেশি ও প্রথম পেস বলার হলেন হাসান মাহমুদ।  ৮৩তম ওভারের ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বলে টানা ৩ বলে ৩ উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন হাসান। একে একে ফিরিয়েছেন ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানকে। এর আগে ২০০৩ সালে পেশোয়ার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সোহাগ গাজী। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে টেস্টে হ্যাটট্রিক করাতে হাসান মাহমুদই প্রথম। আগের দুজন অলক কাপালি এবং সোহাগ গাজী ছিলেন স্পিনার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ম্যাচে হ্যাটট্রিকের ঘটনা এবারই প্রথম। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালেও প্রথম হ্যাটট্রিকের ঘটনা এটি। ইয়ামিন আহমেদজাইকে ফিরিয়ে ইনিংসে ফাইফারও তুলে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। সাথে চলে গেছেন ৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে। মাত্র ১৭ ম্যাচ এবং ২৯ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এই মাইলফলকে হাসানই দ্রুততম। টেস্টে ফাইফারে শাহাদাত হোসেনের সমান হলেন হাসান মাহমুদ। দুজনেরই টেস্টে ফাইফার এখন ৪টি। হাসান ছুঁয়েছেন মাত্র ১৭ টেস্টেই। সামনে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো থাকছেই।   আরটিভি/এসআর
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
আবুধাবি টেস্টে দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েছিল আফগানিস্তান। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতে হাসান মাহমুদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। এতে প্রথম ইনিংসে আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৬ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা। রোববার (১১ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের শুরুতেই দুর্দান্তভাবে। ২১ রান খরচায় আফগানদের বাকি ৬টি উইকেট তুলে নিয়েছে। আর তাতেই ১০৬ রানের স্বাস্থ্যকর এক লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামছে দলটি। এই সাফল্যের শুরু আর শেষটা করে দিয়েছেন এবাদত হোসেন। গতকালই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ছন্দে ফেরার। আজ দিনের শুরুটা করে দিয়েছেন তিনি। নতুন বলে ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে তিনি ভাঙেন রহমত শাহর সঙ্গে তার ৮০ রানের জুটি। পরের গল্পটা হাসান মাহমুদের।  প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে গড়েছেন হ্যাটট্রিকের কীর্তি। শুরুটা করেছিলেন ইসমাত আলমকে বোল্ড করে। দারুণ এক ইনসুইঙ্গারে তিনি পরাস্ত করেন আফগানদের নতুন ব্যাটারকে। পরের বলে পালা আসে কাইস আহমেদের। তার সর্বনাশ করল হাসানের এক আউটসুইঙ্গার।  ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে গিয়েছিল পেছনে। দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস। এরপরের বলে নতুন ব্যাটার জিয়া আকবর পরাস্ত হন ভেতরে আসা বলে। তার প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। সেখানে দেখা যায় পিচিং, ইমপ্যাক্ট আর হিটিং সবকিছুতেই জ্বলেছে লাল বাতি। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় হাসানের হ্যাটট্রিক। হাসান এরপর তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার তুলে নেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে বিদায় করে। উইকেট বাকি ছিল একটি। তবে এই ফাঁকেই রহমত শাহ তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিনি শেষমেশ সঙ্গীর অভাবে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। ওপাশে মোহাম্মদ সালিম ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে, এবাদত হোসেনের শিকার হন তিনি। ২৪০ রানে অলআউট হয় দলটি।  বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান। আর এবাদত ৫৬ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। বাকি একটি উইকেট যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে। আরটিভি/এসআর
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা আট জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঘরের মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, গাব্রিয়েল জেসুস ও জুল কুন্দে। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।  ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩ মিনিটে কুন্দের গোলে জয় নিশ্চিত হয় কাতালান ক্লাবটির। হালকা চোটের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় অধিনায়ক রাফিনিয়াকে ছাড়াই মাঠে নামে বার্সেলোনা। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের বাধা কাটিয়ে শট নেন গর্ডন। বল এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করে।  বার্সেলোনার জার্সিতে এটিই ইংলিশ উইঙ্গারের প্রথম গোল। চলতি লিগে এখন পর্যন্ত চারটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে সর্বশেষ চার ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে গেতাফের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে বার্সেলোনা। ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগান জেসুস।  ডি-বক্সের কাছে বল হারান গেতাফের ডিফেন্ডার রোমেরো। সেই সুযোগে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে আর্সেনাল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া জেসুসের এটি পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় গোল। বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি স্বাগতিকদের। ৫৩ মিনিটে জেরার্দ মার্তিনের ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি জেসুস। চার মিনিট পর দানি ওলমোর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গেতাফের গোলরক্ষক। অবশেষে ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে লামিন ইয়ামালের বাড়ানো ক্রসে কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামাল। তবে বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এই জয়ে লা লিগার প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। লা লিগায় নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা শুরুর রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে কোচ জেরার্দো মার্তিনোর অধীনেও লিগের প্রথম আট ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। চলতি মৌসুমে প্রথম আট ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে মোট ৩৪ গোল করেছে ফ্লিকের শিষ্যরা। আরটিভি/এসআর
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাবে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। জোড়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে বড় জয় এনে দিয়েছেন তিনি ও সুয়ারেজ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ডি.সি. ইউনাইটেডকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।  এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইন্টার মায়ামি। তৃতীয় মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।  দুটি গোলেই সহায়তা করেন জার্মান বেরতেরামে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার পর ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির। ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজ দুটি করে গোল করেন। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়ে কোনো গোল করতে পারেনি ডি.সি. ইউনাইটেড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটাল ইন্টার মায়ামি। এর আগে দলটি পাঁচ ম্যাচে জয় পায়নি—একটি ম্যাচে হার ও চারটি ম্যাচে ড্র করেছিল তারা। মেসি ও সুয়ারেজের এই পারফরম্যান্স মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ইন্টার মায়ামির আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
আরও পড়ুন
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা
নারীর স্বাস্থ্য ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবায় ২৫০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের উদ্যোগ বাংলাদেশ ও ইআইবির
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান