ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

ইবোলা আতঙ্কে স্পেনে বাতিল কঙ্গো-চিলির প্রীতি ম্যাচ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০৮:২১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

আফ্রিকাজুড়ে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ইবোলা-আক্রান্ত দেশ ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে চিলির প্রীতি ম্যাচ বাতিল করেছে স্পেনের স্থানীয় প্রশাসন। স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় ম্যাচটি আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগামী ৯ জুন স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলের লা লিনিয়া দে লা কনসেপসিওনে ডিআর কঙ্গো ও চিলির মধ্যকার প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে মঙ্গলবার লা লিনিয়ার মেয়র হুয়ান ফ্রাঙ্কো জানান, আঞ্চলিক সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারিশের ভিত্তিতে ম্যাচটি স্থগিত করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ফ্রাঙ্কো বলেন, ডিআর কঙ্গো ও চিলির মধ্যকার ম্যাচ নিষিদ্ধ করার ডিক্রিতে আমি সই করেছি। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে এবং ম্যাচটি আয়োজন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্প্যানিশ সংবাদ সংস্থা ইএফই জানিয়েছে, চিলি ফুটবল কর্তৃপক্ষ রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে ম্যাচটি আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত প্রশাসন ঝুঁকি নিতে রাজি হয়নি।

১৯৭৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে ডিআর কঙ্গো। সে সময় দেশটি ‘জায়ারে’ নামে বিশ্বমঞ্চে খেলেছিল। তবে ইবোলা পরিস্থিতির কারণে বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতেও বিঘ্ন ঘটেছে। এর আগে দেশের পূর্বাঞ্চলে মহামারির প্রকোপের কারণে মে মাসে নির্ধারিত তিন দিনের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এবং রাজধানী কিনশাসায় আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা বাতিল করা হয়।

এদিকে বিশ্বকাপ উপলক্ষে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিউলিয়ানি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগে ডিআর কঙ্গো দলকে ২১ দিন বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকতে হবে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, আমরা ডিআর কঙ্গোকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি যে ১১ জুন হিউস্টনে আসার আগে তাদের ২১ দিনের জন্য বাবলে থাকতে হবে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে জটিলতার মুখে পড়তে পারে। আমাদের লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি সীমান্তের কাছাকাছিও পৌঁছাতে না দেওয়া।

ইবোলা আতঙ্কে আন্তর্জাতিক ফুটবলেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ও আন্তর্জাতিক সূচি এখন স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় সাঁতারে পদকজয়ীদের প্রাইজমানি উধাও 
জাতীয় সাঁতারে পদক জিতলে গত বছরও মিলতো আর্থিক পুরস্কার। স্বর্ণজয়ীর জন্য দুই হাজার, রৌপ্যজয়ীর এক হাজার আর ব্রোঞ্জজয়ীর জন্য ছিল ৫০০ টাকা। এবার সেই পুরস্কারই তুলে দেওয়া হয়েছে।  মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পল্টনে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার বিস্তারিত তুলে ধরে সুইমিং ফেডারেশন। সেখানেই সামনে আসে পদকজয়ীদের জন্য আর্থিক পুরস্কার না রাখার বিষয়টি। রেকর্ড গড়লে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও সাধারণ পদকজয়ীদের জন্য আর কোনো আর্থিক পুরস্কার রাখেনি বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন। বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ম্যাক্স গ্রুপ ৩৫তম জাতীয় সাঁতার, ডাইভিং ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতা। মিরপুরের জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ৭৪টি দলের প্রায় ৪৭০ জন পুরুষ ও ১০২ জন নারী সাঁতারু। গত বছর অনুষ্ঠিত ৩৪তম জাতীয় সাঁতারে স্বর্ণপদকজয়ীরা পেয়েছিলেন দুই হাজার টাকা, রৌপ্যপদকজয়ীরা এক হাজার এবং ব্রোঞ্জপদকজয়ীরা ৫০০ টাকা করে। এবার সেই পুরস্কার কেন থাকছে না- এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল। বরং রেকর্ডধারীদের পুরস্কারের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রেকর্ডধারীদের অনুপ্রাণিত করতেই পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’ তবে রেকর্ড গড়লে পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কারের নিয়ম গত বছরও ছিল। এবারের প্রতিযোগিতায় সাঁতারে মোট ৪২টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ব অ্যাকোয়াটিক্সের ইভেন্ট কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গত বছর থেকে পুরুষদের ৮০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, নারীদের ১ হাজার ৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ৪×১০০ মিটার মিক্সড ফ্রিস্টাইল রিলে এবং ৪×১০০ মিটার মিক্সড মিডলে রিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া গত বছর থেকে জাতীয় পর্যায়ে নারীদের জন্য তিনটি ডাইভিং ইভেন্ট চালু হয়েছে। ডাইভিংয়ে পুরুষদের তিনটি ও নারীদের তিনটি ইভেন্টের পাশাপাশি ওয়াটার পোলো মিলিয়ে মোট ৪৯টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাঁতারুদের জন্য একটি প্রদর্শনী সাঁতার ইভেন্টও রাখা হয়েছে। বুধবার বিকাল ৩টায় ৩৫তম জাতীয় সাঁতারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আরটিভি/এসআর  
জাতীয় সাঁতারে পদকজয়ীদের প্রাইজমানি উধাও 
পেশাদার গলফে মিডিয়া পার্টনার ‘গলফ মিডিয়া’
বাংলাদেশ প্রোফেশনাল গলফার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজিএ) সঙ্গে  আজ গলফ মিডিয়ার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তারা বলেছেন, পেশাদার গলফে মিডিয়া পার্টনার ‘গলফ মিডিয়া’। আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিপিজিএ-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইউনুস, সেক্রেটারি জেনারেল সিফাত চৌধুরী, গলফ মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক মেজবাহ্-উল-হক। এছাড়া দুই প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিপিজিএ-এর পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিপিজিএ প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইউনুস ও গলফ মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক মেজবাহ্-উল-হক। মোহাম্মদ ইউনুস মিডিয়াকে বলেন, বাংলাদেশের গলফকে আমরা বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে চাই। গলফের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে যেতে চাই। এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রয়েছে প্রচার মাধ্যমের। যত প্রচার হবে তত বেশি উন্নয়ন হবে। সে লক্ষ্যেই আমরা গলফ মিডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছি। তারা গলফের প্রচারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। এটা আমাদের জন্য একটা বিশেষ দিন।’ গলফ মিডিয়ার মেজবাহ্-উল-হক বলেন, প্রচারেই প্রসার। গলফের উন্নয়নের জন্য প্রচারের বিকল্প নেই। আমরা বাংলাদেশের গলফের উন্নয়নের ব্রত মাথায় নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। পেশাদার গলফের আতুরঘর বাংলাদেশ প্রোফেশনাল গলফার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে প্রচারের কাজটা আমাদের কাছে সহজ হয়ে গেল। বিপিজিএ-এর সঙ্গে গলফ মিডিয়া যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের গলফ যেন কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল।’ বিপিজিএ এর সেক্রেটারি জেনারেল সিফাত চৌধুরী বলেন, আজকের দিনটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। গলফ মিডিয়া অনেক দিন থেকেই গলফের প্রচারে খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে আসছে। তাদের মাধ্যমে দেশবাসী এমনকি বিদেশ থেকেও বাংলাদেশর গলফ সম্পর্কে জানছে মানুষ। সে জন্যই আমরা গলফ মিডিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছি। আশা করছি, একসঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশের গলফকে আমরা অনেক ভালো কিছু উপহার দিতে পারব। এদিকে আজ আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে চতুর্থ ওয়েস্টার্ন গ্রুপ পেশাদার গলফ ওপেন-২০২৬। প্রথম রাউন্ড শেষে ৬-আন্ডার-পার খেলে শীর্ষে রয়েছেন আকবর হোসেন। ৫-আন্ডার-পার খেলে দ্বিতীয় স্থানে বাদল হোসেন। তৃতীয় স্থানে থাকা জামাল হোসেন খেলেছেন ৩-আন্ডার-পার। তারকা গলফার সিদ্দিকুর রহমান ২-আন্ডার-পার খেলে সজীব আলী ও মো. রাজুর সঙ্গে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। সব মিলে চার রাউন্ড খেলা হবে। আরটিভি/এসআর
পেশাদার গলফে মিডিয়া পার্টনার ‘গলফ মিডিয়া’
সাফে এক টিকিটে দুই ম্যাচ দেখার সুযোগ, কাটবেন যেভাবে
আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্টের এক টিকিটে দুটি করে ম্যাচ দেখার সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেভারেশন (বাফুফে)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে সাফের কর্মকর্তা ও বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির সমন্বয় সভায় টিকিটের মূল্য, বিক্রির সময় ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন দর্শকেরা। এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টিকিট পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা। ক্লাব হাউসে বসে খেলা দেখতে খরচ হবে ৪ হাজার টাকা। ভিআইপি গ্যালারির টিকিট ৭ হাজার, রেড বক্সের ৮ হাজার এবং করপোরেট বক্সের টিকিট ১০ হাজার টাকা। তবে দর্শকদের জন্য একটি সুবিধাও থাকছে। গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালে প্রতিটি ম্যাচ-ডেতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। একটি টিকিট কিনলেই সেদিনের দুটি ম্যাচ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা। অর্থাৎ আলাদা দুটি ম্যাচের জন্য পৃথক টিকিট কিনতে হবে না। টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাই জানিয়েছে, একটি টিকিটে একজন দর্শক নির্দিষ্ট দিনের সব ম্যাচ দেখতে পারবেন। প্রতিদিন প্রথম ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেওয়া হবে। তবে ১৭ নভেম্বরের ফাইনালের টিকিটের দাম পরিবর্তন হতে পারে। টিকিট কিনতে দর্শকদের টিকিফাইয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আলাদা ইভেন্ট পেজ তৈরি করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে পছন্দের গ্যালারি ও আসনের শ্রেণি বেছে টিকিট কেনা যাবে। টিকিটের কিউআর কোড গোপন রাখার পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ একই টিকিটের কোড প্রথম যিনি ব্যবহার করবেন, তিনিই স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। উল্লেখ্য, খেলা দেখতে দর্শকদের সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। আর সবচেয়ে দামি করপোরেট বক্সের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা।  আরটিভি/এসআর
সাফে এক টিকিটে দুই ম্যাচ দেখার সুযোগ, কাটবেন যেভাবে
সাফের টিকিটের সর্বোচ্চ দাম ১০ হাজার, সর্বনিম্ন কত?
আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এই টুর্নামেন্টের টিকিটের দাম ও বিক্রির সময় চূড়ান্ত করা হয়েছে। খেলা দেখতে দর্শকদের সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা খরচ করতে হবে। আর সবচেয়ে দামি করপোরেট বক্সের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা।  মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে সাফের কর্মকর্তা ও বাফুফের কম্পিটিশন কমিটির সমন্বয় সভায় টিকিটের মূল্য, বিক্রির সময় ও পদ্ধতি চূড়ান্ত করা হয়। আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অনলাইন টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাইয়ের মাধ্যমে টিকিট কিনতে পারবেন দর্শকেরা। এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টিকিট পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ১ হাজার টাকা। ক্লাব হাউসে বসে খেলা দেখতে খরচ হবে ৪ হাজার টাকা। ভিআইপি গ্যালারির টিকিট ৭ হাজার, রেড বক্সের ৮ হাজার এবং করপোরেট বক্সের টিকিট ১০ হাজার টাকা। তবে দর্শকদের জন্য একটি সুবিধাও থাকছে। গ্রুপ পর্ব ও সেমিফাইনালে প্রতিটি ম্যাচ-ডেতে দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। একটি টিকিট কিনলেই সেদিনের দুটি ম্যাচ দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা। অর্থাৎ আলাদা দুটি ম্যাচের জন্য পৃথক টিকিট কিনতে হবে না। টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম টিকিফাই জানিয়েছে, একটি টিকিটে একজন দর্শক নির্দিষ্ট দিনের সব ম্যাচ দেখতে পারবেন। প্রতিদিন প্রথম ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেওয়া হবে। তবে ১৭ নভেম্বরের ফাইনালের টিকিটের দাম পরিবর্তন হতে পারে। টিকিট কিনতে দর্শকদের টিকিফাইয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য আলাদা ইভেন্ট পেজ তৈরি করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে পছন্দের গ্যালারি ও আসনের শ্রেণি বেছে টিকিট কেনা যাবে। টিকিটের কিউআর কোড গোপন রাখার পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ একই টিকিটের কোড প্রথম যিনি ব্যবহার করবেন, তিনিই স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। এদিকে টিকিটের মূল্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে দাম নির্ধারণের দায়িত্ব বাফুফের নয় বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম গাউস। তার ভাষ্য, টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করেছে সাফ কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবারের সমন্বয় সভায় টিকিটের পাশাপাশি স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং দর্শকদের প্রবেশপথ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কার্টেল জানিয়েছেন, দর্শক ও অতিথিদের নির্বিঘ্নে স্টেডিয়ামে প্রবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
সাফের টিকিটের সর্বোচ্চ দাম ১০ হাজার, সর্বনিম্ন কত?
এস্তেভাওকে পেতে ছক কষছে পিএসজি, কঠিন শর্ত চেলসির
গত দুই মৌসুমে দুর্দান্ত ফুটবল খেলে চ্যাম্পিয়নস লিগের জোড়া শিরোপা ঘরে তুলেছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। তবে চলতি মৌসুমে আক্রমণ বিভাগে বেশিকিছু দুর্বলতা দেখা দিয়েছে তাদের। তাই জানুয়ারির দলবদলে চেলসির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এস্তেভাও উইলিয়ানকে দলে আনতে ছক কষছে ফরাসি ক্লাবটি। ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান তারকাকে পিএসজিতে নিয়ে আসতে মূল ভূমিকা রাখছেন স্বয়ং কোচ লুইস এনরিকে। পুরোপুরি না পেলেও এস্তেভাওকে ধারে (লোন) দলে নিতে চান তিনি।  সামনে রয়েছে দীর্ঘ ও কঠিন মৌসুম। তার ওপর খাভিচা কভারাৎসখেলিয়া ও উসমান দেম্বেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ তারকাদের চোটে পড়ার কারণে এনরিকের হাতে ফরোয়ার্ড অপশন একপ্রকার শেষ বললেই চলে।  চলতি মৌসুমে বড় কিছু করার লক্ষ্য নিয়ে এগোনো পিএসজি কোনোভাবেই ঝুঁকিতে থাকতে চায় না। তাই জানুয়ারিতেই আক্রমণভাগ শক্তিশালী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ক্লাবটি। মধ্যবর্তী এই দলবদলে চেলসির রত্ন খ্যাত ব্রাজিলিয়ান তরুণ এস্তেভাওকেই সবচেয়ে কার্যকর লক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে পিএসজি। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে পালমেইরাস থেকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রথম একাদশে নিয়মিত জায়গা করতে লড়াই করছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। এমনকি প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচে শুরু থেকে (স্টার্টার হিসেবে) খেলার সুযোগ পাননি তিনি। ফরাসি ক্রীড়ামাধ্যম ফুট০১-এর মতে, লুইস এনরিকে এই তরুণের খেলার ধরনে ভীষণ মুগ্ধ। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, স্প্যানিশ এই কৌশলবিদ ও পিএসজির স্পোর্টিং অ্যাডভাইজর লুইস কাম্পোস দুজনেই এস্তেভাওকে নিয়ে আগ্রহী।  পিএসজির প্রভাবশালী এই দুই কর্তাব্যক্তির সম্মতিতেই সম্ভাব্য এই লোন চুক্তির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গেছে। ফ্রান্সে স্বল্পমেয়াদি এই সময়ের মধ্যে এস্তেভাওয়ের সেরাটা বের করে আনার ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী এনরিকে। উভয় পক্ষের আগ্রহ থাকলেও, এই চুক্তির ব্যাপারে কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে চেলসি।  স্পোর্টস পোর্টাল টিমটক-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই ক্লাবের মধ্যে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ব্রাজিলের তরুণ উইঙ্গারের চুক্তি, বেতন এবং মাঠে খেলার সময় নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা চেয়েছে লন্ডনের দলটি। চেলসি তাকে কেবল শর্তহীন লোন (সোজা ধারে) দিতে চায়, কারণ তারা বিশ্বাস করে যে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে এই ব্রাজিলিয়ানের দীর্ঘমেয়াদি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। এছাড়া পিএসজিকে খেলোয়াড়ের পুরো বেতন বহন করার দাবি জানিয়েছে তারা।  সেই সঙ্গে এস্তেভাও যেন প্যারিসে গিয়েও বেঞ্চে বসে না থাকেন, সে জন্য তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যক মিনিট না খেললে পিএসজির ওপর আর্থিক জরিমানা আরোপের মতো কড়া ধারাও যুক্ত করতে চাইছে চেলসি। শর্তগুলো নিয়ে এখনো দরকষাকষি চলছে, তবে চেলসি মূলত এই শীতেই এস্তেভাওকে প্যারিসে পাঠানোর ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে। চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে উভয় দলের জন্যই লাভজনক হবে। এস্তেভাও পাবেন সর্বোচ্চ স্তরে খেলার অভিজ্ঞতা, আর পিএসজিও শিরোপা লড়াইয়ের জন্য দলের গভীরতা বাড়িয়ে নিতে পারবে। আরটিভি/এসআর
এস্তেভাওকে পেতে ছক কষছে পিএসজি, কঠিন শর্ত চেলসির
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ-স্পেন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ জোরদারে গুরুত্ব আরোপ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
স্পেন ও যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন শামা ওবায়েদ
মেসিকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলারের’ স্বীকৃতি দিলো স্পেন
মেসিকে এক নজর দেখার জন্য হাত কাটলেন তরুণ