বিশ্বকাপে সাধারণত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন গোলদাতারা। কিন্তু ২০২৬ আসরে গোলকিপারদের পারফরম্যান্সও সমানভাবে নজর কাড়ছে উনাই সিমন। চলতি বিশ্বকাপে মাত্র ১টি গোল হজম করেছেন তিনি। তাই বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) নিউ জার্সির মেটালাইফ স্টেডিয়ামের আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। এই ম্যাচে বিশেষ অবদান রেখেছেন সিমন।
এ ছাড়াও সিমন ভেঙে দিয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী এক রেকর্ড। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের ৩-০ গোলের জয়ে নিজের পোস্ট অক্ষত রাখেন সিমন। আর তাতেই বিশ্বকাপে টানা ৫১৯ মিনিট গোল না খাওয়ার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি।
এর আগে ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপে টানা ৫১৭ মিনিট গোল না খেয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গা। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে সেই কীর্তিই ছিল বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ।
জেঙ্গাকে ছাড়িয়ে এখন ইতিহাসের এক নম্বরে উনাই সিমন। তালিকার তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি পিটার শিলটন, যার টানা গোল না খাওয়ার সময় ছিল ৫০০ মিনিট।
সিমনের এই অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকেই। জাপানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে আও তানাকার গোল হজম করার পর আর কোনো প্রতিপক্ষ তার জাল খুঁজে পায়নি।
ওই ম্যাচের বাকি সময়, মরক্কোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর অতিরিক্ত সময়সহ পুরো ১২০ মিনিট এবং ২০২৬ বিশ্বকাপে কেপ ভার্দে, সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পূর্ণ সময় মিলিয়ে টানা ৫১৯ মিনিট নিজের পোস্ট অক্ষত রেখেছেন স্প্যানিশ এই গোলরক্ষক।
বিশ্বরেকর্ডের পাশাপাশি স্পেনের ইতিহাসেও নতুন মাইলফলক গড়েছেন ২৯ বছর বয়সি এই গোলকিপার। এতদিন দেশটির হয়ে বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি সময় গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল ইকার কাসিয়াসের দখলে। ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে গড়া কাসিয়াসের ৪৭৭ মিনিটের সেই কীর্তিও এখন সিমনের কাছে অতীত।
আরটিভি/এসআর



