
ডারউইনে ইতিহাস গড়া বাংলাদেশ ম্যাকাইতে নিশ্চয় এমন শুরুর কল্পনাও করেনি। মিচেল স্টার্কের আগুনঝরা বোলিংয়ে পুড়ে ছাই সফরকারীদের টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার। মাত্র ৬.৪ ওভারে ১২ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন স্টার্ক। সাদমান ইসলামকে গালিতে ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ বানান অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসার। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি চতুর্থবারের মতো প্রথম বলেই উইকেট পাওয়ার ঘটনা স্টার্কের।
নিজের পরের ওভারে টানা দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের টপ অর্ডারে ধস নামান তিনি। প্রথমে ব্যাটের কিনারা ছুঁয়ে তৃতীয় স্লিপে বিউ ওয়েবস্টারের হাতে ধরা পড়েন এক ব্যাটার। পরের বলেই বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে এলবিডব্লিউ করেন স্টার্ক। শান্ত রিভিউ নিলেও আম্পায়ার্স কলে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
স্টার্ককে দ্বিতীয় বলেই চার মেরে রানের খাতা খোলা মুমিনুল হকও পঞ্চম ওভারে হন তার শিকার। স্টার্কের ওয়াইড ইয়র্কারে গালিতে ক্যামেরন গ্রিনের হাতে ক্যাচ দেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর লিটন দাসও স্টার্কের শিকারে পরিণত হন। একবার বিউ ওয়েবস্টারের হাত ফসকে জীবন পেলেও পরের বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে লিটনকে সাজঘরে ফেরায় অস্ট্রেলিয়া।
তাতে মাত্র ২২ বলের ব্যবধানে ৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন স্টার্ক। প্রশ্ন উঠতে পারে, টেস্ট ক্রিকেটে এটিই কি দ্রুততম ফাইফার?
উত্তর না। লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে দ্রুততম পাঁচ উইকেটের রেকর্ডটিও মিচেল স্টার্কের দখলে। ২০২৫ সালে কিংস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। সেই ইনিংসে ক্যারিবীয়রা অলআউট হয়েছিল মাত্র ২৭ রানে।
সবচেয়ে দ্রুততম ফাইফারের তালিকায় ১৯ বলে পাঁচ উইকেট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন আর্নি টোশাক, স্টুয়ার্ট ব্রড ও স্কট বোল্যান্ড। ২১ বলে ফাইফার নিয়ে তৃতীয় স্থানে শেন ওয়াটসন।
আর বাংলাদেশের বিপক্ষে ২২ বলে ফাইফার নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে নাম লেখালেন স্টার্ক। অর্থাৎ, দ্রুততম ফাইফারের তালিকায় নিজের নাম আরও একবার যোগ করলেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা পেসার।
আরটিভি/এসকে



