
ফুটবল ও বাস্কেটবলের মতো বেশ কয়েকটি ডিসিপ্লিনের খেলা শুরু হলেও আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে এশিয়ান গেমসের। বহুজাতিক এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি নিয়ে শুরু থেকেই নেতিবাচক খবরের শিরোনামে আয়োজক জাপান। টুর্নামেন্টের আবাসন ব্যবস্থাকে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বাজে’ বলে অভিহিত করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। একই অভিযোগ ভারতসহ বেশ কিছু দেশের।
মূলত থাকার জায়গা নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন বেশ কিছু দেশের অ্যাথলিটরা। পরিস্থিতি সামলাতে ক্রুজ জাহাজও প্রস্তুত রেখেছে আয়োজক দেশ।
এদিকে, ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এশিয়ান গেমসের জন্য কয়েক ধাপে ভারতের ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস, রোয়িং, অ্যাথলেটিক্স, শুটিংয়ের দল ইতোমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে আয়োজক শহর আইচি-নাগোয়ায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে থাকার রুম পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েছেন ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। বিশেষত রোয়িং বা শুটিংয়ের মতো যে সব খেলার দল সবার আগে পৌঁছে গিয়েছে, তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ঘর পাওয়ার জন্য অনেককেই কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। দেখা গিয়েছে, দীর্ঘযাত্রার ক্লান্তির জেরে বহু ক্রীড়াবিদ গেমস সেন্টারের লবিতে থাকা সোফাতেই ঘুমিয়ে পড়েছেন।
প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, গত মঙ্গলবারই আইচি-নাগোয়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারতের শুটিং দল। কিন্তু ঘর দেওয়া হয়নি তাদের। ফলে সারা রাত লবিতেই কাটিয়েছেন শুটাররা। অবশেষে ভোরের দিকে ঘর বরাদ্দ করা হয় তাদের জন্য। ক্রীড়াবিদদের থেকেও খারাপ অবস্থা সাপোর্ট স্টাফদের। কারণ, তাদের ঘর পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে আরও বেশি সময়।
ভারতের এক কোচ আইচি-নাগোয়া থেকে গণমাধ্যমকে বলছিলেন, ‘আমরা বুধবার এসেছি। যারা মঙ্গলবার এসেছে, সবচেয়ে বেশি ভুগেছে তারা। কারণ প্রথমদিকে একেবারে অচলাবস্থা ছিল। আমরা যখন এসেছি, পরিস্থিতি সামান্য হলেও উন্নত হয়েছে। তারপরও আমাদের প্লেয়াররা ঘণ্টা দু’য়েক অপেক্ষা করেছে ঘর পাওয়ার জন্য। ওদের ক্রুজে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমাদের ঘর তখন দেওয়া হয়নি। জায়গা পেলাম রাতের দিকে। আমরা এসেছি স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ। আর আমাদের ঘর দেওয়া হল রাত দশটার দিকে। তাও আবার গেমস সেন্টার থেকে অনেকটা দূরে। সেন্টার থেকে বাসে করে রাত এগারোটার দিকে হোটেলে এসেছি।’
এদিকে, এই অব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, একটি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে খেলোয়াড়দের রুম বরাদ্দ না রাখা চরম অপমানের শামিল।
আরটিভি/ এসকেডি



