
চলতি মৌসুমে নিজেদের প্রথম হোম ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। আর এই জয়ের পর এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন কোচ হোসে মরিনহো।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্স এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা জানান এই পর্তুগিজ কোচ।
তার মতে, ম্যাচের প্রথমার্ধ রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বেশ কঠিন ছিল। সোসিয়েদাদের সুসংগঠিত রক্ষণ ও চাপের কারণে স্বাভাবিক খেলা খেলতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল স্বাগতিকদের। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কৌশলগত পরিবর্তন আনতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
মরিনহো বলেন, প্রথমার্ধে আমরা নিজেদের প্রেসিং নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। সোসিয়েদাদ খুব ভালো দল এবং তাদের কোচও দারুণ। তবে বিরতিতে কিছু সমন্বয় করার পর দ্বিতীয়ার্ধে আমরা গোল করেছি। সংখ্যাটা চার হলেও তা সহজেই পাঁচ বা ছয় হতে পারত। এমবাপ্পে ও জুডদের মতো খেলোয়াড়রা মাঠে নামলে প্রতিপক্ষের জন্য ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে ওঠে।
শিষ্যদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সে অবিশ্বাস্য। বিশ্বকাপের ইতিহাস গড়ার পর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ইতিহাস তৈরি করার এক দারুণ ক্ষুধা ওর মাঝে দেখতে পাচ্ছি। তবে আমার কাছে দলগত অবদানই আগে। প্রথমার্ধে যখন দল চাপে ছিল, তখন সবাই শান্ত ছিল। আর দ্বিতীয়ার্ধে আমরা নকশা বদলে ফেলি।
তিনি আরও বলেন, এমবাপ্পে কেবল একজন গোলদাতা নন। তিনি নিচে নেমে এসে যখন জুডের (বেলিংহ্যাম) সঙ্গে সংযোগ তৈরি করেন, তখন আক্রমণ চালানো সহজ হয়ে যায়। আক্রমণভাগের পাশাপাশি আমাদের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডাররা দারুণ খেলেছে, আর বের্নার্দো এবং ফেদে (ভালভের্দে) কঠোর পরিশ্রম করেছে।
সোসিয়েদাদের বিপক্ষে এই বড় জয় স্মরণীয় হয়ে থাকবে মরিনহোর কাছেও। কারণ, এই ম্যাচ দিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রত্যাবর্তন হয়েছে তার।
এ বিষয়ে এই পর্তুগিজ কোচ বলেন, নতুন বার্নাব্যুতে এটিই আমার প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ নিয়ে আমি এখন আর আগের মতো নার্ভাস হই না, বেশ উপভোগ করেছি। তবে ভক্তরা আমার নাম ধরে স্লোগান দেক—সেটি আমি চাই না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দল এবং তাদের সমর্থন করা।
তিনি বলেন, দর্শকরা মুখে হাসি নিয়ে বাড়ি ফিরেছে, এটাই সবচেয়ে আনন্দের। তবে উদযাপনের সময় নেই, রোববার মালাগার বিপক্ষে ম্যাচ থাকায় কাল থেকেই আমাদের অনুশীলনে নামতে হবে
উল্লেখ্য, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। আরেকটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান পোস্টারবয় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
আরটিভি/এসআর




