ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক বহাল, বিসিবির বার্তা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক সরানোর অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে বিষয়টি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নাম বাতিল কিংবা পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং নামফলকও সরানো হয়নি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার একটি ফেসবুক পোস্টের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যান্ডটির নামফলক সরিয়ে নেওয়ার দাবি ছড়িয়ে পড়ে।

তবে বিসিবির দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়াই পুরোনো ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। বোর্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডের নামফলক আগের জায়গাতেই রয়েছে।

এ বিষয়ে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হয়, বর্তমান বোর্ড প্রশাসন মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জুলাই ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা স্ট্যান্ডটি বাতিল করেছে। তবে এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে ক্রিকেট বোর্ড।

বিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম কিংবা দেশের অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ভেন্যুর কোনো স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে বোর্ড কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

বোর্ড আরও জানায়, চলতি বছরের শুরুতে বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর মিরপুরে তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব ম্যাচে শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডসহ সব স্ট্যান্ডের নাম মাঠে উপস্থিত দর্শক এবং টেলিভিশন সম্প্রচারে দৃশ্যমান ছিল। ম্যাচের টিকিট ও প্রচারসামগ্রীতেও স্ট্যান্ডগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে কোনো স্ট্যান্ডের নামসংবলিত সাইনেজ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছে বিসিবি। এ ধরনের কাজ সাধারণত ম্যাচ না থাকার সময়ই করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তার নামে স্ট্যান্ডটির নামকরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে বিসিবি বলেছে, এ বিষয়ে বিভ্রান্তি বা জল্পনার কোনো সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা প্রচারণা হিসেবে দেখছে ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির দাবি, এসব প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য বর্তমান বোর্ডের ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করা। বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার বিসিবি সংরক্ষণ করে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সুইস ফুটবলার
তিন মেয়াদ ধরে ফিফা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। চতুর্থ মেয়াদেও বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। তবে এবার নির্বাচনী লড়াইয়ে তার সামনে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছেন সুইজারল্যান্ডের সাবেক ফুটবলার রেমন ভেগা। ৫৫ বছর বয়সী সাবেক এই ডিফেন্ডার ফিফা সভাপতি পদে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করে জানিয়েছেন, ফুটবলের সেবা এবং বিশ্ব ফুটবল পরিবারকে ঐক্যবদ্ধ করাই তার মূল লক্ষ্য। ভেগা বলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য ফুটবলের সেবা করা এবং যারা এই খেলাকে প্রাণবন্ত করে, তাদের সেবা করা। বিশ্ব ফুটবল পরিবারকে পুনরায় একত্রিত করা, প্রকৃত ও স্থায়ী সংস্কার আনা, একবিংশ শতাব্দীর জন্য ফিফাকে আধুনিক করা, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার এবং আমাদের খেলার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আস্থা পুনর্নির্মাণ করতে নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছি।’ ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়েও সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন ভেগা। তার মতে, ফুটবল কোনো ব্যক্তি, সভাপতি কিংবা প্রশাসকের সম্পত্তি নয়; বরং খেলাটির সঙ্গে যুক্ত সবার। তিনি বলেন, ‘ফুটবল কোনো সভাপতি, কনফেডারেশন বা প্রশাসকের সম্পত্তি নয়। ফুটবল যেকোনো পদ, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বড়। এটি জনগণের খেলা এবং এটি সবার ফুটবলার, কোচ, রেফারি, সমর্থক, স্বেচ্ছাসেবক, ক্লাব, লিগ, অ্যাসোসিয়েশন এবং সেইসব সম্প্রদায়ের, যারা ফুটবলকে জীবন্ত করে।’ দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের কারণে ফিফার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন ভেগা। ইনফান্তিনোর নেতৃত্বাধীন বর্তমান ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান নেতৃত্ব খেলাটির মনোবল ভেঙে দিয়েছে। দুর্বল শাসনব্যবস্থা ফিফার বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষতি করেছে এবং বিশ্ব ফুটবল পরিবারে আস্থা ক্ষুণ্ণ করেছে। এই সংঘাতকে আরও বাড়তে দেওয়া আমাদের অবশ্যই থামাতে হবে।’ স্প্যানিশ অভিবাসী দম্পতির সন্তান রেমন ভেগা বেড়ে উঠেছেন সুইজারল্যান্ডে। ১৩ বছরের বেশি সময়ের খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ারে দেশটির কয়েকটি ক্লাবে খেলার পর ১৯৯৭ সালে ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পারে যোগ দেন তিনি। ক্লাবটির হয়ে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে জেতেন ইংলিশ লিগ কাপ। পরে ধারে সেল্টিকে খেলতে গিয়ে ২০০০-০১ মৌসুমে জেতেন স্কটিশ ট্রেবল। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে খেলেছেন ওয়াটফোর্ডেও। সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের হয়েও ২৩টি ম্যাচ খেলেছেন সাবেক এই সেন্টার ব্যাক। বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ না পেলেও ১৯৯৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে দেশটির হয়ে অংশ নেন তিনি। ২০০৩ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানান ভেগা। এর আগে ২০১৯ ও ২০২২ সালেও ফিফা সভাপতি নির্বাচনে ভেগার প্রার্থী হওয়ার গুঞ্জন উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী দৌড়ে নামেননি তিনি। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদের পথের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেকে সামনে আনলেন সাবেক এই সুইস ফুটবলার। আরটিভি/এসকে
ফিফা সভাপতি পদে ইনফান্তিনোর প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সুইস ফুটবলার
বিদায়ের রাতেই ভক্তদের জন্য মেসির বিশেষ উপহার
আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিদায়ের রাতটাও স্মরণীয় করে রাখলেন লিওনেল মেসি। জাতীয় দলের হয়ে বেনিনের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে পরা জার্সিগুলোর একটি নিজের হাতে স্বাক্ষর করে উপহার দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
বিদায়ের রাতেই ভক্তদের জন্য মেসির বিশেষ উপহার
কোচিং লাইসেন্স জালিয়াতিতে নাম এলো থিয়াগো সিলভার
কোচিং লাইসেন্স জালিয়াতির অভিযোগে লাতিন আমেরিকার ফুটবলে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার সাবেক সহকারী কোচ আলেহান্দ্রো মানকুসোর বিরুদ্ধে ভুয়া কোচিং লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় থিয়াগো সিলভা ও ফেলিপে মেলোর মতো তারকা ফুটবলারদের নামও এসেছে। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ইউওএলের বরাতে গোলডটকম জানিয়েছে, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ ও কোর্স ছাড়াই দ্রুত কোচিং লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার একটি অবৈধ নেটওয়ার্কের সঙ্গে মানকুসোর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে থিয়াগো সিলভা ও সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ফেলিপে মেলোসহ বেশ কয়েকজন পরিচিত খেলোয়াড়ের নাম উঠে এসেছে, যারা এই প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় কোর্স সম্পন্ন না করেই ডিপ্লোমা বা কোচিং লাইসেন্স দেওয়ার বিনিময়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল, যা প্রায় ২০ হাজার মার্কিন ডলারের সমান, দাবি করা হতো। ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে মানকুসোকে তারকাদের জন্য বিশেষ ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ ব্যবস্থার কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তিনি দাবি করেন, যারা দীর্ঘদিন পেশাদার ফুটবল খেলেছেন, তাদের জন্য তিন বছরের অনলাইন কোর্স ছাড়াই কোচিং লাইসেন্স পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে ভুয়া কাগজপত্র বিক্রির অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন বোকা জুনিয়র্সের সাবেক এই আর্জেন্টাইন ফুটবলার। তার দাবি, ব্রাজিলের অনেক খেলোয়াড় লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তিনি শুধু সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনের যোগাযোগের তথ্য দিয়ে নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সহযোগিতা করতেন। বিতর্কে নাম আসার পর নিজেদের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন থিয়াগো সিলভা ও ফেলিপে মেলো। সিলভার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, কোর্সের জন্য অর্থ পরিশোধ করলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্লাস করানো হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সফল হননি সিলভা। অন্যদিকে, অনিয়মের বিষয়টি বুঝতে পেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এটিএফএর তথ্য সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের অর্থ ফেরত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফেলিপে মেলো। ঘটনাটি নিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভুয়া নথি ও কথিত জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত এবং লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র: গোলডটকম আরটিভি/এসকে
কোচিং লাইসেন্স জালিয়াতিতে নাম এলো থিয়াগো সিলভার
কোচিং লাইসেন্স জালিয়াতিতে নাম এলো থিয়াগো সিলভার
কোচিং লাইসেন্স জালিয়াতির অভিযোগে লাতিন আমেরিকার ফুটবলে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার সাবেক সহকারী কোচ আলেহান্দ্রো মানকুসোর বিরুদ্ধে ভুয়া কোচিং লাইসেন্স বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় থিয়াগো সিলভা ও ফেলিপে মেলোর মতো তারকা ফুটবলারদের নামও এসেছে। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ইউওএলের বরাতে গোলডটকম জানিয়েছে, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ ও কোর্স ছাড়াই দ্রুত কোচিং লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার একটি অবৈধ নেটওয়ার্কের সঙ্গে মানকুসোর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে থিয়াগো সিলভা ও সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ফেলিপে মেলোসহ বেশ কয়েকজন পরিচিত খেলোয়াড়ের নাম উঠে এসেছে, যারা এই প্রক্রিয়ায় লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় কোর্স সম্পন্ন না করেই ডিপ্লোমা বা কোচিং লাইসেন্স দেওয়ার বিনিময়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল, যা প্রায় ২০ হাজার মার্কিন ডলারের সমান, দাবি করা হতো। ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে মানকুসোকে তারকাদের জন্য বিশেষ ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ ব্যবস্থার কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তিনি দাবি করেন, যারা দীর্ঘদিন পেশাদার ফুটবল খেলেছেন, তাদের জন্য তিন বছরের অনলাইন কোর্স ছাড়াই কোচিং লাইসেন্স পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে ভুয়া কাগজপত্র বিক্রির অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন বোকা জুনিয়র্সের সাবেক এই আর্জেন্টাইন ফুটবলার। তার দাবি, ব্রাজিলের অনেক খেলোয়াড় লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তিনি শুধু সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনের যোগাযোগের তথ্য দিয়ে নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সহযোগিতা করতেন। বিতর্কে নাম আসার পর নিজেদের অবস্থানও পরিষ্কার করেছেন থিয়াগো সিলভা ও ফেলিপে মেলো। সিলভার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, কোর্সের জন্য অর্থ পরিশোধ করলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্লাস করানো হয়নি। পরে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সফল হননি সিলভা। অন্যদিকে, অনিয়মের বিষয়টি বুঝতে পেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এটিএফএর তথ্য সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের অর্থ ফেরত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফেলিপে মেলো। ঘটনাটি নিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভুয়া নথি ও কথিত জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত এবং লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র: গোলডটকম আরটিভি/এসকে
কোচিং লাইসেন্স জালিয়াতিতে নাম এলো থিয়াগো সিলভার
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ড্রয়ের খেসারত ব্রাজিলের, সুখবর পর্তুগালের
বিশ্বকাপের পর প্রথম আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে তিন ম্যাচের দুটিতে বড় জয় পেলেও ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে তার সুফল পেল না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করার খেসারত দিয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ষষ্ঠ স্থানে নেমে গেছে সেলেসাওরা। বিপরীতে চার ম্যাচে চার জয় তুলে নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে পর্তুগাল। বুধবার (৭ অক্টোবর) ফিফা পুরুষ ফুটবলের সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন তালিকায় শীর্ষ চারটি অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন রয়েছে শীর্ষে। দুইয়ে আর্জেন্টিনা, তিনে ফ্রান্স এবং চতুর্থ স্থানে ইংল্যান্ড। তবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে এসেছে পরিবর্তন। আগের পঞ্চম অবস্থান থেকে এক ধাপ পিছিয়ে ষষ্ঠ স্থানে নেমেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে দুই ধাপ এগিয়ে পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে পর্তুগাল। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পর ব্রাজিলের দায়িত্ব নেন অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তার অধীনে প্রথম আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দলটি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করে তারা। এরপর একই প্রতিপক্ষকে ৪-২ এবং ভারতকে ৪-০ গোলে হারায় ব্রাজিল। তবে প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের ক্ষতি পরের দুই ম্যাচের জয় দিয়ে পুরোপুরি পুষিয়ে নিতে পারেনি আনচেলত্তির দল। ফিফার হিসাব অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওই ড্রয়ের কারণে ২.০২ র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট হারায় ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত নতুন তালিকায় ব্রাজিলের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১৮০৬.৫১ পয়েন্টে। ফলে এক ধাপ নেমে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছে তারা। ব্রাজিলের পতনের সুযোগে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে পর্তুগাল। এবারের আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল তারা। উয়েফা নেশন্স লিগে চার ম্যাচ খেলে প্রতিটিতেই জয় পেয়েছে পর্তুগিজরা। ওয়েলসকে ১-০, নরওয়েকে দুই ম্যাচে ২-১ ও ২-১ এবং ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়েছে তারা। এই ধারাবাহিক সাফল্যের পুরস্কার পেয়েছে পর্তুগাল র‌্যাঙ্কিংয়েও। দুই ধাপ এগিয়ে তাদের পয়েন্ট এখন ১৮০৭.৬৯। ব্রাজিলের চেয়ে মাত্র ১.১৮ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে তারা। ব্রাজিলের পেছনে সপ্তম স্থানে রয়েছে মরক্কো। মালির বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করার কারণে এক ধাপ পিছিয়েছে আফ্রিকার দলটি। যদিও আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে গ্যাবন ও লেসেথোকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। মরক্কোর সংগ্রহ ১৮০৫.৩৪ পয়েন্ট ব্রাজিলের চেয়ে মাত্র ১.১৭ পয়েন্ট কম। এদিকে পর্তুগালের চার ম্যাচের চার জয় নিয়ে আলোচনায় ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও। কোচের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তার দলের ক্যাম্প ছাড়ার খবর সামনে এলেও মাঠের পারফরম্যান্সে তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং দারুণ সাফল্য নিয়ে আন্তর্জাতিক উইন্ডো শেষ করেছে পর্তুগাল। র‌্যাঙ্কিংয়ের অষ্টম থেকে একাদশ অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, মেক্সিকো ও কলম্বিয়া যথাক্রমে এই চারটি অবস্থানে রয়েছে। তবে ১২তম স্থানে উঠে এসেছে সুইজারল্যান্ড। দুই ধাপ উন্নতি করেছে তারা। বিপরীতে এক ধাপ করে পিছিয়েছে জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়া। জার্মানি ১৩তম এবং ক্রোয়েশিয়া ১৪তম স্থানে রয়েছে। সব মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের ক্ষতিটাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে ব্রাজিলের জন্য। পরের দুই ম্যাচে বড় জয় পেলেও সেই ধাক্কা সামলে পঞ্চম স্থান ধরে রাখতে পারেনি আনচেলত্তির দল। বিপরীতে টানা চার জয়ের সুবাদে ব্রাজিলকে টপকে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে পর্তুগাল। আরটিভি/এসকে
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ড্রয়ের খেসারত ব্রাজিলের, সুখবর পর্তুগালের
আরও পড়ুন
অনুমতি ছাড়া অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তির মুখে বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার
বিসিবির বোর্ড সভা আজ, আসতে পারে যেসব সিদ্ধান্ত
এবার কোচদের বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা বিসিবির
বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ, আরও ২ জনকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি