ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

তিন গোলে এগিয়ে থেকেও জিততে পারলো না ইন্টার মায়ামি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
ছবি: এএফপি

মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়মিত মৌসুমের শেষ ম্যাচে শার্লটের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল ইন্টার মায়ামি। এদিন ৩-০ গোলের লিড পেলেও জয় তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মেসিরা। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ম্যাচ ড্র করে শার্লট।

রোববার (৮ নভেম্বর) ভোরে শার্লটের বিপক্ষে ম্যাচের ১৪তম মিনিটে ইয়ান ফ্রেই মায়ামিকে এগিয়ে দেন। ৩৩তম মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে জার্মান বার্তেরামে হেড করলে লুইস সুয়ারেজ খুব কাছ থেকে বল জালে জড়ান।

৪২তম মিনিটে পেনাল্টি এলাকার বাইরে থেকে শট নিয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন রদ্রিগো ডি পল। বিরতির আগে মায়ামির লিড ৩-০। দ্বিতীয়ার্ধে নেমে শার্লট দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। ব্যবধান কমিয়ে ৫০তম ও ৫৫তম মিনিটে গোল করেন লিয়েল আবাদা।

৯০তম মিনিটে টাইগার স্মলসের শট পোস্টে লেগে ফিরলে ফিরতি বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান রোদোলফো আলোকো। এর আগে গত ২ মে ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে মায়ামি ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও জয় পায়নি। সেদিন ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জিতেছিল অরল্যান্ডো সিটি।

এই ড্রতে ৬০ পয়েন্ট ইস্টার্ন কনফারেন্সের টেবিলে দ্বিতীয় হয়েছে মায়ামি। ৩৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৬০। শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলে এসসি ১৭ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে। ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা এমএলএসের এক মৌসুমে (২০২৪) মায়ামির (৭৪) সর্বোচ্চ পয়েন্টের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রাজিল ও উরুগুয়েকে ডেকে এনে মহাবিপদে ভারত, দেনায় ডুবছে ফেডারেশন
ব্রাজিল ও উরুগুয়ের মতো বিশ্ব ফুটবলের দুই শক্তিশালী দলকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বড় আয়োজন করেছিল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ)। আর তাতেই বিপাকে পড়েছে ভারত। দুটি প্রীতি ম্যাচের পুরো পারিশ্রমিক এখনও বুঝে পায়নি ব্রাজিল ও উরুগুয়ে।  গত ৩ নভেম্বর পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এরপর ৬ নভেম্বর সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে মাঠে নামে ভারত। দুটি ম্যাচই হয়েছিল কলকাতায়।  এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বরে বেঙ্গালুরুতে পানামার বিপক্ষেও একটি ম্যাচ খেলেছিল তারা। পানামা পুরো পারিশ্রমিক বুঝে পেলেও ব্রাজিল ও উরুগুয়ে এখন পর্যন্ত পাওনা অর্থের অর্ধেক পেয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রাজিলের কাছে প্রায় ১৯ কোটি রুপি এবং উরুগুয়ের কাছে ৪ কোটি ৭০ লাখ রুপি দেনা রয়েছে এআইএফএফের। মূলত টিকিট বিক্রি থেকে প্রত্যাশিত আয় না হওয়ায় আর্থিক সংকটে পড়েছে এআইএফএফ। ম্যাচগুলো থেকে ৩০ থেকে ৪০ কোটি রুপি আয়ের আশা করেছিল ভারত। কিন্তু টিকিটের চড়া দামের কারণে দর্শকদের আগ্রহ প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। পরে কলকাতার তিন ক্লাব মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মহামেডান স্পোর্টিংয়ের সমর্থকদের জন্য ছাড়ে টিকিট বিক্রি করা হয়। ব্রাজিলের ম্যাচে চালু করা হয় একটি কিনলে আরেকটি বিনা মূল্যে পাওয়ার অফারও। এমন পরিস্থিতিতে বকেয়া পরিশোধ করতে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২০ কোটি রুপির একটি স্থায়ী আমানত ভাঙার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে। কিন্তু সভায় সদস্যরা এর বিরোধিতা করেন।  তাদের যুক্তি, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এই অর্থ ব্যবহার করা উচিত নয়। ফেডারেশনের সহসভাপতি এনএ হারিসও মনে করিয়ে দেন, স্থায়ী আমানত থেকে অর্থ না তোলার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল নির্বাহী কমিটি। স্থায়ী আমানতটি করা হয়েছিল প্রফুল প্যাটেলের সভাপতিত্বের সময়। ভার্চুয়াল সভায় উপস্থিত প্যাটেলও আমানত ভাঙার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। পরে বকেয়া পরিশোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হারিসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এদিকে টিকিট বিক্রির অংশীদারের কাছ থেকে পাওয়া ২৫ কোটি রুপির অগ্রিম অর্থের একটি অংশও ফেরত দিতে হতে পারে ফেডারেশনকে। কারণ, ওই অর্থ ছিল শর্তসাপেক্ষে ফেরতযোগ্য অগ্রিম। ভারতে প্রথমবার খেলতে এসে তারকাখচিত দল নিয়ে এসেছিল ব্রাজিল। দলে ছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, আর্সেনালের গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, পিএসজির অধিনায়ক মারকিনিয়োস ও চেলসির এস্তেভাও।  এত বড় তারকাদের উপস্থিতি সত্ত্বেও ম্যাচ আয়োজনের আর্থিক দায় মেটাতে এখন চ্যালেঞ্জের মুখে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। দেনা পরিশোধ করতে সময় বাড়ানোর আবেদনও করেছে তারা। আরটিভি/এসআর
ব্রাজিল ও উরুগুয়েকে ডেকে এনে মহাবিপদে ভারত, দেনায় ডুবছে ফেডারেশন
হামজা-ফারহান কবে বাংলাদেশে আসবে জানাল বাফুফে
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও একাদশ সাজাতে হিমশিম খাচ্ছেন কোচ থমাস ডুলি। দলের সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরীকে মাঠে মিস করছে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি জানান, ফিফা উইন্ডো বা অন্যান্য কারণে স্কোয়াডের যে দুজন খেলোয়াড় এখনো দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি, তাদের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত হামজা চৌধুরী এবং ফারহান আলী আগামী ৯ নভেম্বর ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন। এবং সেদিনই তাদের অনুশীলনে দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। শেখ মোরসালিন প্রথম ম্যাচে ২৩ জনের স্কোয়াডে ছিলেন না। তবে পরের ম্যাচে খেলতে আশাবাদী তিনি। এছাড়া হামজা ও ফারহান যোগ দিলে দলের শক্তি বাড়বে বলে মনে করেন আবাহনীর এই মিডফিল্ডার। মোরসালিন বলেন, আমরা অবশ্যই এটা নিয়ে খুবই আশাবাদী। হামজা ভাই, ফারহান আসলে দলের যে স্পিরিট ছিল আশা করছি সেটি আরো বাড়বে, ইনশাআল্লাহ। এদিকে গত ম্যাচে সেরা একাদশে থাকলেও ওয়ার্মআপের সময় হঠাৎ ইনজুরিতে পড়ে মাঠের বাইরে চলে যান অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ।  তার বর্তমান অবস্থা নিয়ে ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বলেন, বিদেশি ফিটনেস ট্রেনারের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তপু বর্মণ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। আগামী ১১ তারিখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে কোচ যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে তাকে খেলাতে পারেন। আরটিভি/এসআর
হামজা-ফারহান কবে বাংলাদেশে আসবে জানাল বাফুফে
ইতিহাস গড়ে আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন মেসি
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার জিতলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট। ব্যক্তিগত অর্জনের দিনে অবশ্য জয় পায়নি তার দল ইন্টার মায়ামি। রোববার (৮ নভেম্বর) এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমের শেষ দিনে শার্লট এফসির বিপক্ষে নেমেছিল মায়ামি। ঘরের মাঠ ন্যু স্টেডিয়ামে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ৩-৩ গোলে ড্র করেছে মায়ামি। ম্যাচে গোল করতে পারেননি মেসি।  তবু ২৬ গোল নিয়ে মৌসুম শেষ করায় গোল্ডেন বুট উঠেছে তার হাতেই। মেসির সবচেয়ে কাছাকাছি ছিলেন এফসি ডালাসের পেতার মুসা। ২২ গোল করে দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি। ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ ২১ গোল নিয়ে তৃতীয়, আর ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের ব্রায়ান হোয়াইটের গোল ২০টি। গত মৌসুমে ২৯ গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন মেসি। এক মৌসুমে সেটি ছিল এমএলএস ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলসংখ্যা। এবার গোলের সংখ্যা কিছুটা কমলেও লিগের অন্যতম ধারাবাহিক গোলদাতা হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। মায়ামির আক্রমণভাগেও মেসির অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। নিয়মিত মৌসুমে ৮০ গোল করে লিগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছে দলটি। এর মধ্যে মেসির একার গোল ২৬টি। দলের মোট গোলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই এসেছে তার পা থেকে। গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে গোল করাতেও পিছিয়ে ছিলেন না ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মৌসুমে মেসির অ্যাসিস্ট ১৭টি, যা লিগের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট করা পেপ বিয়েলের চেয়ে মাত্র একটি কম। মাঠে ২ হাজার ৬৬৪ মিনিট খেলেই এই অবদান রেখেছেন তিনি। গোলের সুযোগ তৈরি ও কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেও সবার ওপরে ছিলেন মেসি। নিয়মিত মৌসুমে ১৮৩টি শট নিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মিলান ইলোস্কির শট ১২২টি। লক্ষ্যে রাখা শটের সংখ্যাও মেসির সবচেয়ে বেশি ৭৬টি। এই তালিকায় তার পরেই থাকা লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির ডেনিস বুয়াঙ্গার শট ৫১টি। আগস্টে মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে মায়ামির ৭-১ গোলের জয়ে একাই চার গোল করেছিলেন মেসি। সেটিই ছিল মৌসুমে তার সবচেয়ে উজ্জ্বল ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স। এবার মায়ামির সামনে এমএলএস কাপ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। ২০১১ ও ২০১২ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির পর আর কোনো দল টানা দুই মৌসুমে এই শিরোপা জিততে পারেনি। ইস্টার্ন কনফারেন্সে রেকর্ড গড়া ন্যাশভিলের পেছনে দ্বিতীয় হয়ে প্লে-অফে উঠেছে মায়ামি। সেরা সাতের মধ্যে থাকা দলগুলোর লড়াইয়ে প্রথম রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ সপ্তম বাছাই কলম্বাস ক্রু। ব্যক্তিগতভাবে মেসির সামনে রয়েছে আরও একটি বড় অর্জনের হাতছানি। টানা তৃতীয়বারের মতো এমএলএসের বর্ষসেরা খেলোয়াড় বা এমভিপি হওয়ার দৌড়ে আছেন তিনি। গত মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন মেসি। এর আগে কেবল প্রেকিই দুবার এমভিপি হয়েছিলেন ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে। এবার গোল্ডেন বুট জয় মেসির দাবিকে আরও শক্তিশালী করল। তবে এমভিপি নির্বাচনে শুধু গোল নয়, গণমাধ্যমকর্মী, খেলোয়াড় ও ক্লাব কর্মকর্তাদের ভোটও বিবেচনায় নেওয়া হয়। আরটিভি/এসআর
ইতিহাস গড়ে আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন মেসি
ম্যানসিটিকে হারিয়ে রেলিগেশন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে এলো নটিংহ্যাম
চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের লড়াইটা ভালোই জমে উঠেছিল। কিন্তু ম্যানসিটিকে হারিয়ে সেই লড়াইয়ে বড় পার্থক্য তৈরি করেছে নটিংহ্যাম ফরেস্ট। এদিন সিটিজেনদের ৩-১ গোলে হারিয়েছে নটিংহ্যাম। এতে প্রিমিয়ার লিগে নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে টানা তৃতীয় হারের শিকার হলো ম্যানচেস্টার সিটি।  সাবেক সিটি স্ট্রাইকার লিয়াম দেলাপের জোড়া গোলে সিটি গ্রাউন্ডে তারা ৩-১ গোলের জয় পায়। আর এই জয়ে ফরেস্ট রেলিগেশন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং ম্যানইউকে সেই জায়গায় নামিয়েছে। দুই বছরে প্রথমবার লিগে টানা তৃতীয় ম্যাচ হারল ম্যানসিটি। আর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রথমবার এমন একটি দলের কাছে তিন গোল খেল, যারা দিনের শুরুতে প্রিমিয়ার লিগের তলানিতে থাকা তিন দলের একটি ছিল। মৌসুমের শুরুতে টানা সাত জয় পাওয়া ম্যানসিটি দ্বিতীয় স্থানেই আছে। কিন্তু শীর্ষ দল ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান এখন ছয় পয়েন্টের। আর এই জয়ে ফরেস্ট রেলিগেশন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং ম্যানইউকে সেই জায়গায় নামিয়েছে। চেলসি থেকে ক্লাব রেকর্ড গড়ে ফরেস্টে আসার পর তার প্রথম আট ম্যাচে মাত্র একটি গোল করেন দালেপ। কিন্তু জোড়া গোল করে বুঝিয়ে দিলেন, এই মৌসুমে ফরেস্টকে আরও ভালো কিছু এনে দিতে পারেন তিনি। দালেপের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু সিটিতে। কিন্তু ক্লাবটির হয়ে মাত্র দুটি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ খেলেছিলেন। তার গোলেই ২০ মিনিটের মধ্যে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ম্যানসিটি। তাতে ২০০৭ সালের পর প্রথমবার টানা তিনটি লিগ ম্যাচে হাফটাইম পিছিয়ে থেকে শেষ করল।  এদিন সিটি ডিফেন্ডার জোসকো জিভারদিওলের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান জাইর কুনহা, তারপর একটু ফাঁক খুঁজে বাঁ দিক দিয়ে নিচু কোণাকুণি শটে ষষ্ঠ মিনিটে লিড এনে দেন। রক্ষণের ভুলে আবারও বল হারায় ম্যানসিটি। এবার নিজের অর্ধ থেকে দেলাপ দুজন ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে এগিয়ে গিয়ে ১৮তম মিনিটে ফরেস্টের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। সিটি দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল শোধ দেয়। বাঁ প্রান্ত থেকে একটি লম্বা বল পান তিনি। তার ক্রস প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে রায়ান শেরকির কাছে পৌঁছায়, তিনি উঁচু শটে জালের কোণা দিয়ে বল জড়ান। সিটি সমতা ফেরাতে প্রাণপণ চেষ্টা করছিল। কিন্তু ফরেস্ট ৭৪তম মিনিটে দুই গোলে এগিয়ে যায়। দ্রুত একটি পাল্টা আক্রমণ থেকে দেলাপের শট দূরের পোস্টের ভেতরে লেগে জাল কাঁপায়। ফরেস্ট কোচ গ্লাসনার তার খেলোয়াড়দের সঙ্গে গোল উদযাপনে মাঠের অর্ধেক পর্যন্ত দৌড়ে যান। ম্যানসিটির বিপক্ষে জয়ের আনন্দ তো বাধ ভেঙে যাওয়ার মতোই! আরটিভি/এসআর
ম্যানসিটিকে হারিয়ে রেলিগেশন অঞ্চল থেকে বেরিয়ে এলো নটিংহ্যাম
ভ্যালেন্সিয়াকে উড়িয়ে বার্সেলোনার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে রিয়াল মাদ্রিদ
লা লিগায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এদিন প্রতিপক্ষের মাঠে দাপুটে ফুটবল খেলে বড় জয় তুলে নিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। এতে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে থেকে বার্সেলোনার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে রিয়াল মাদ্রিদ। এদিন অষ্টাদশ মিনিটে অঁরেলিয়ে চুয়ামেনির ভুলে বল পেয়ে ভ্যালেন্সিয়া জোরালো শট নিলে থিবো কোর্তোয়া দুর্দান্ত সেভ করেছেন। মিনিট দুয়েক পর তাদের গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। সেই চাপ সামলে ২৬ মিনিটে রিয়াল লিড নেয় ভালভার্দের গোলে।  ফাউলের শিকার হওয়ার পর এমবাপে ফ্রি-কিক নিলে রক্ষণ দেয়ালে লাগে, এরপর উরুগুইয়ান তারকা নিচু শটে সেটি জালে জড়ান। রিয়ালের পরপর দুই ম্যাচেই ডি-বক্সের বাইরে থেকে উরুগুইয়ান তারকা চোখধাঁধানো শটে গোল করলেন। এর আগের ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ এইকে এথেন্সের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচেও এমন গোল করেছিলেন ভালভার্দে।  ১০ মিনিটের ব্যবধানে জুড বেলিংহ্যামের কাটব্যাক পেয়ে গুলার ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে ভলি শটে স্কোরলাইন ২-০ করেন। বিরতির আগেই এই তুর্কি মিডফিল্ডারের আরেকটি শট ভ্যালেন্সিয়া গোলরক্ষকের হাতে পরাস্ত হয়। ফিরতি বল পেয়ে উড়িয়ে মারেন ইয়ান দিয়োমান্দে। দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপের পরপর দুটি প্রচেষ্টা স্বাগতিক গোলরক্ষক স্তোল দিমিত্রিয়েভস্কি কাছে পরাস্ত হয়। ৬৫ মিনিটে বেলিংহ্যামের বক্সে ঢুকে নেওয়া শটও ঠেকিয়ে দেন তিনি। এমবাপেরও আরেকটি বল সহজে ধরাশায়ী হওয়ার পর ভ্যালেন্সিয়ার শট ঠেকান রিয়াল গোলরক্ষক কোর্তোয়া।  ৭৫ মিনিটে তৃতীয় গোলে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে। গুলারের পাস পেয়ে তিনি গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে জড়ান। যা চলতি লা লিগায় তার ১৩তম গোল। ১৫ গোল নিয়ে সামনে আছেন কেবল বার্সেলোনার ব্রাজিল তারকা রাফিনিয়া। গুলার চলতি মৌসুমের সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪ গোল ও সাতটি অ্যাসিস্ট করেছেন। তিন গোলে পিছিয়ে পড়া ভ্যালেন্সিয়া ৭৯ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এমবাপেকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার হোসে গায়া। যদিও এরপর আর ব্যবধান বাড়েনি।  লা লিগার টেবিলে দুইয়ে থাকা রিয়ালের ১২ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে সমান পয়েন্ট বার্সারও। আরটিভি/এসআর
ভ্যালেন্সিয়াকে উড়িয়ে বার্সেলোনার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে রিয়াল মাদ্রিদ
আরও পড়ুন
ইতিহাস গড়ে আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন মেসি
জোড়া গোল ও অ্যাসিস্টে মেসির ইতিহাস
আমেরিকান ফুটবলের অভিজাত ক্লাবে মেসি
মেসিদের লিগে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত কাভান সুলিভান