ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

মেসির চার গোল, মন্ট্রিলকে উড়িয়ে খরা কাটালো মায়ামি

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০১ এএম
মায়ামির ৭ গোলের বিশাল জয়ে মেসি যেন ছিলেন আগুনে ফর্মে।ছবি: সংগৃহীত

টানা পাঁচ ম্যাচে চার হার আর একটি ড্র নিয়ে নিজেদের যেন হারিয়ে খুঁজছিল ইন্টার মায়ামি। অবশেষে মেসিময় এক রাতে সেই টানা জয়হীনতার বৃত্ত ভাঙল ফ্লোরিডার ক্লাবটি। লিওনেল মেসির অসাধারণ হ্যাটট্রিক ও চার গোলের নৈপুণ্যে সিএফ মন্ট্রিলকে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে মায়ামি। মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) রেকর্ড গড়ে ফিরল তারা জয়ের ধারায়।

মায়ামির ৭ গোলের বিশাল জয়ে মেসি যেন ছিলেন আগুনে ফর্মে। একাই চার গোল করার পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন আরও একটি গোল।

মায়ামি শেষ পর্যন্ত বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেও ম্যাচের প্রথমার্ধে মন্ট্রিল ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়েছিল। নিজেদের মাঠে শুরুতে কাসেমিরোর কর্নার কিক থেকে আসা শক্তিশালী হেডে এগিয়ে যায় মায়ামি। কিন্তু ৩৭ মিনিটে ফ্যাবিয়ান হারবার্সের গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। সমতায় ফেরার আনন্দ বেশি সময় ধরে রাখতে দেয়নি মায়ামি। ঠিক দুই মিনিট পর মেসির দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে ২-১ ব্যবধানের এগিয়ে বিরতিতে যায় মায়ামি।

আরও পড়ুন

বিরতির পর পুরো ম্যাচেই ছিল মেসি ও মায়ামির একচেটিয়া আধিপত্য। ৫১ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন মেসি। এরপর ৭৯ মিনিটে লুইস সুয়ারেজ ব্যবধান করেন ৪-১। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে মেসি পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন এক হ্যাটট্রিক। এতেও থামেনি মায়ামির আক্রমণ। ৮৯ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আলেক্সান্দার শো ষষ্ঠ গোল করার পর ইনজুরি টাইমের পঞ্চম মিনিটে নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে ম্যাচে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন মেসি।

এই চার গোলের মাধ্যমে দীর্ঘ চার বছর পর এক ম্যাচে চার বা তার বেশি গোল করার স্বাদ পেলেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। শেষবার বার্সেলোনার হয়ে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে লা লিগায় এইবারের বিপক্ষে চার গোল করেছিলেন তিনি। মায়ামির গোলাপি জার্সিতেও এটি তার প্রথম চার গোলের রেকর্ড। এই চার গোলের সৌজন্যে চলতি এমএলএসে ১৯ ম্যাচে ১৮ গোল নিয়ে শীর্ষ গোলদাতার তালিকার এক নম্বরে উঠে এসেছেন মেসি।

মাঠে মেসির এমন তাণ্ডবের দিনে ডাগআউটে ছিলেন না ভারপ্রাপ্ত কোচ গুইলেরমো হোয়োস। নতুন নিয়োগ পাওয়া ক্রিস্টিয়ান 'কিলি' গঞ্জালেজ এখনও ওয়ার্ক পারমিট না পাওয়ায় এদিন মায়ামির ডাগআউট থেকে দিকনির্দেশনা দেন সহকারী কোচ রাফায়েল পেরেজ। দীর্ঘ আড়াই সপ্তাহ পর পাওয়া এই জয় দিয়ে লিগের পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের অবস্থান আবারও শক্ত করল ইন্টার মায়ামি।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু সুবিধা করতে পেরে টানা দুই হারে সিরিজ হাতছাড়া সফরকারীদের।
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
চলমান আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে ২৪০ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। এদিন দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করা তৃতীয় বাংলাদেশি ও প্রথম পেস বলার হলেন হাসান মাহমুদ।  ৮৩তম ওভারের ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বলে টানা ৩ বলে ৩ উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন হাসান। একে একে ফিরিয়েছেন ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানকে। এর আগে ২০০৩ সালে পেশোয়ার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সোহাগ গাজী। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে টেস্টে হ্যাটট্রিক করাতে হাসান মাহমুদই প্রথম। আগের দুজন অলক কাপালি এবং সোহাগ গাজী ছিলেন স্পিনার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ম্যাচে হ্যাটট্রিকের ঘটনা এবারই প্রথম। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালেও প্রথম হ্যাটট্রিকের ঘটনা এটি। ইয়ামিন আহমেদজাইকে ফিরিয়ে ইনিংসে ফাইফারও তুলে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। সাথে চলে গেছেন ৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে। মাত্র ১৭ ম্যাচ এবং ২৯ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এই মাইলফলকে হাসানই দ্রুততম। টেস্টে ফাইফারে শাহাদাত হোসেনের সমান হলেন হাসান মাহমুদ। দুজনেরই টেস্টে ফাইফার এখন ৪টি। হাসান ছুঁয়েছেন মাত্র ১৭ টেস্টেই। সামনে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো থাকছেই।   আরটিভি/এসআর
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
আবুধাবি টেস্টে দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েছিল আফগানিস্তান। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতে হাসান মাহমুদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। এতে প্রথম ইনিংসে আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৬ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা। রোববার (১১ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের শুরুতেই দুর্দান্তভাবে। ২১ রান খরচায় আফগানদের বাকি ৬টি উইকেট তুলে নিয়েছে। আর তাতেই ১০৬ রানের স্বাস্থ্যকর এক লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামছে দলটি। এই সাফল্যের শুরু আর শেষটা করে দিয়েছেন এবাদত হোসেন। গতকালই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ছন্দে ফেরার। আজ দিনের শুরুটা করে দিয়েছেন তিনি। নতুন বলে ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে তিনি ভাঙেন রহমত শাহর সঙ্গে তার ৮০ রানের জুটি। পরের গল্পটা হাসান মাহমুদের।  প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে গড়েছেন হ্যাটট্রিকের কীর্তি। শুরুটা করেছিলেন ইসমাত আলমকে বোল্ড করে। দারুণ এক ইনসুইঙ্গারে তিনি পরাস্ত করেন আফগানদের নতুন ব্যাটারকে। পরের বলে পালা আসে কাইস আহমেদের। তার সর্বনাশ করল হাসানের এক আউটসুইঙ্গার।  ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে গিয়েছিল পেছনে। দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস। এরপরের বলে নতুন ব্যাটার জিয়া আকবর পরাস্ত হন ভেতরে আসা বলে। তার প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। সেখানে দেখা যায় পিচিং, ইমপ্যাক্ট আর হিটিং সবকিছুতেই জ্বলেছে লাল বাতি। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় হাসানের হ্যাটট্রিক। হাসান এরপর তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার তুলে নেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে বিদায় করে। উইকেট বাকি ছিল একটি। তবে এই ফাঁকেই রহমত শাহ তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিনি শেষমেশ সঙ্গীর অভাবে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। ওপাশে মোহাম্মদ সালিম ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে, এবাদত হোসেনের শিকার হন তিনি। ২৪০ রানে অলআউট হয় দলটি।  বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান। আর এবাদত ৫৬ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। বাকি একটি উইকেট যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে। আরটিভি/এসআর
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা আট জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঘরের মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, গাব্রিয়েল জেসুস ও জুল কুন্দে। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।  ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩ মিনিটে কুন্দের গোলে জয় নিশ্চিত হয় কাতালান ক্লাবটির। হালকা চোটের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় অধিনায়ক রাফিনিয়াকে ছাড়াই মাঠে নামে বার্সেলোনা। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের বাধা কাটিয়ে শট নেন গর্ডন। বল এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করে।  বার্সেলোনার জার্সিতে এটিই ইংলিশ উইঙ্গারের প্রথম গোল। চলতি লিগে এখন পর্যন্ত চারটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে সর্বশেষ চার ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে গেতাফের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে বার্সেলোনা। ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগান জেসুস।  ডি-বক্সের কাছে বল হারান গেতাফের ডিফেন্ডার রোমেরো। সেই সুযোগে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে আর্সেনাল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া জেসুসের এটি পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় গোল। বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি স্বাগতিকদের। ৫৩ মিনিটে জেরার্দ মার্তিনের ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি জেসুস। চার মিনিট পর দানি ওলমোর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গেতাফের গোলরক্ষক। অবশেষে ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে লামিন ইয়ামালের বাড়ানো ক্রসে কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামাল। তবে বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এই জয়ে লা লিগার প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। লা লিগায় নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা শুরুর রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে কোচ জেরার্দো মার্তিনোর অধীনেও লিগের প্রথম আট ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। চলতি মৌসুমে প্রথম আট ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে মোট ৩৪ গোল করেছে ফ্লিকের শিষ্যরা। আরটিভি/এসআর
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাবে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। জোড়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে বড় জয় এনে দিয়েছেন তিনি ও সুয়ারেজ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ডি.সি. ইউনাইটেডকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।  এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইন্টার মায়ামি। তৃতীয় মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।  দুটি গোলেই সহায়তা করেন জার্মান বেরতেরামে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার পর ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির। ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজ দুটি করে গোল করেন। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়ে কোনো গোল করতে পারেনি ডি.সি. ইউনাইটেড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটাল ইন্টার মায়ামি। এর আগে দলটি পাঁচ ম্যাচে জয় পায়নি—একটি ম্যাচে হার ও চারটি ম্যাচে ড্র করেছিল তারা। মেসি ও সুয়ারেজের এই পারফরম্যান্স মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ইন্টার মায়ামির আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
আরও পড়ুন
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
বিদায়ের রাতেই ভক্তদের জন্য মেসির বিশেষ উপহার
মেসিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে যা বললেন রোনালদো
মেসির বিদায়ী পোস্টের কমেন্টে যা লিখলেন রোনালদো