ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

এমবাপ্পের গোলের পর গোল, মালাগাকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কিলিয়ান এমবাপ্পে যেন থামতেই চাইছেন না। আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর এবারও গোল করেছেন ফরাসি তারকা। তার গোলের সঙ্গে জুড বেলিংহাম ও আরদা গুলারের লক্ষ্যভেদ— সব মিলিয়ে মালাগাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল রিয়ালের হাতে। এই জয়ে লা লিগায় টানা তৃতীয় জয় পেল জোসে মরিনিওর দল। দ্বিতীয় দফায় রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়ার পর টানা তিন ম্যাচেই জয় পেলেন মরিনিও। এর আগে এস্পানিওলের বিপক্ষে ২-১ এবং রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ৪-১ গোলে জিতেছিল রিয়াল।

অন্যদিকে মৌসুমের শুরুটা ভালো হয়নি মালাগার। আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে হারের পর দেপোর্তিভো লা করুনিয়ার সঙ্গে ড্র করে তারা। বার্নাব্যুতে এসে রিয়ালের সামনে যে কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হবে, ম্যাচের শুরু থেকেই তার আভাস পাওয়া যায়।

চতুর্থ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি করে রিয়াল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস থেকে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের নেওয়া হাফ ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে গোল না পেলেও রিয়ালের আক্রমণের ধার তখনই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

১৯ মিনিটে সেই আক্রমণই সাফল্যের দেখা পায়। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে বল পেয়ে দুজন প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে বাঁ কোণের শটে গোল করেন জুড বেলিংহাম। গোলটি নিয়ে মালাগার আপত্তি থাকলেও রেফারি সিদ্ধান্ত বদলাননি। ভিএআর পর্যালোচনার পরও গোল বহাল থাকে। বার্নাব্যু তখন বেলিংহামের নামে গর্জে ওঠে।

এর মাত্র সাত মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে রিয়াল। ব্রাহিম দিয়াজের দৌড়ের পর এমবাপ্পে শট নেন। মালাগার গোলরক্ষক বল ঠেকালেও সেটি শেষ পর্যন্ত জালে জড়িয়ে যায়। গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে আলফোনসো হেরেরোর নামে লেখা হয়।

৩০ মিনিটে অবশ্য নিজের গোল ঠিকই পেয়ে যান এমবাপ্পে। ডান দিক থেকে আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের বাড়ানো চমৎকার ক্রসে শট নিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। এই গোলের সঙ্গে লা লিগায় যেসব দলের বিপক্ষে খেলেছেন, এলচে ছাড়া বাকি ২২ দলের বিপক্ষেই গোল করার কীর্তি গড়লেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।

প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় রিয়াল। মালাগাও অবশ্য সুযোগ তৈরি করেছিল। কর্নার থেকে রদ্রিগেজের নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া তখন সতীর্থদের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে তাতে ম্যাচের গতিপথ বদলায়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও স্বচ্ছন্দ দেখায় রিয়ালকে। কখনো কখনো মনে হচ্ছিল, ম্যাচটি যেন অনুশীলনের মতোই চলছে। বেলিংহামের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরে সহজ একটি সুযোগও নষ্ট করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।

রিয়ালের আরেকটি দিকও এ ম্যাচে নজর কেড়েছে—বল হারানোর পরপরই প্রতিপক্ষের ওপর তীব্র চাপ তৈরি করা। মালাগাকে সহজে আক্রমণে উঠতে দেয়নি মরিনিওর দল। মাঝমাঠে বেলিংহাম এবং ডান প্রান্তে আলেক্সান্ডার আর্নল্ড ছিলেন দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।

আরও পড়ুন

শেষ দিকে মালাগা পেনাল্টির সুযোগ পেয়েছে বলে মনে করেছিল। রেফারি প্রথমে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দিলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর তা বাতিল করেন। এরপর যোগ করা সময়ে ম্যাচের শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয় রিয়াল।

হাউসেন বল কেড়ে নেওয়ার পর দ্রুত আক্রমণে ওঠে রিয়াল। বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে গিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কাটব্যাক করেন। আর সেই বল সহজেই জালে পাঠিয়ে দেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা আরদা গুলার। ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল।

শেষ বাঁশির পর বার্নাব্যুতে নামে জয়ের উল্লাস। টানা তিন জয়ে লা লিগায় দারুণ ছন্দে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। শুরুতেই বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে মরিনিওর দল যেন নিজেদের বার্তাটাও পরিষ্কার করে দিল— গত দুইবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তারা প্রস্তুত।

আর সেই দাপুটে রিয়ালের শুরুতেই সবচেয়ে বেশি আলো ছড়াচ্ছেন একজন— কিলিয়ান এমবাপ্পে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু সুবিধা করতে পেরে টানা দুই হারে সিরিজ হাতছাড়া সফরকারীদের।
রেকর্ড গড়েও সিরিজ জিততে পারল না বাংলাদেশ
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
চলমান আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে ২৪০ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। এদিন দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করা তৃতীয় বাংলাদেশি ও প্রথম পেস বলার হলেন হাসান মাহমুদ।  ৮৩তম ওভারের ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বলে টানা ৩ বলে ৩ উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন হাসান। একে একে ফিরিয়েছেন ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানকে। এর আগে ২০০৩ সালে পেশোয়ার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সোহাগ গাজী। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে টেস্টে হ্যাটট্রিক করাতে হাসান মাহমুদই প্রথম। আগের দুজন অলক কাপালি এবং সোহাগ গাজী ছিলেন স্পিনার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ম্যাচে হ্যাটট্রিকের ঘটনা এবারই প্রথম। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালেও প্রথম হ্যাটট্রিকের ঘটনা এটি। ইয়ামিন আহমেদজাইকে ফিরিয়ে ইনিংসে ফাইফারও তুলে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। সাথে চলে গেছেন ৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে। মাত্র ১৭ ম্যাচ এবং ২৯ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এই মাইলফলকে হাসানই দ্রুততম। টেস্টে ফাইফারে শাহাদাত হোসেনের সমান হলেন হাসান মাহমুদ। দুজনেরই টেস্টে ফাইফার এখন ৪টি। হাসান ছুঁয়েছেন মাত্র ১৭ টেস্টেই। সামনে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো থাকছেই।   আরটিভি/এসআর
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
আবুধাবি টেস্টে দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েছিল আফগানিস্তান। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতে হাসান মাহমুদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। এতে প্রথম ইনিংসে আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৬ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা। রোববার (১১ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের শুরুতেই দুর্দান্তভাবে। ২১ রান খরচায় আফগানদের বাকি ৬টি উইকেট তুলে নিয়েছে। আর তাতেই ১০৬ রানের স্বাস্থ্যকর এক লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামছে দলটি। এই সাফল্যের শুরু আর শেষটা করে দিয়েছেন এবাদত হোসেন। গতকালই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ছন্দে ফেরার। আজ দিনের শুরুটা করে দিয়েছেন তিনি। নতুন বলে ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে তিনি ভাঙেন রহমত শাহর সঙ্গে তার ৮০ রানের জুটি। পরের গল্পটা হাসান মাহমুদের।  প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে গড়েছেন হ্যাটট্রিকের কীর্তি। শুরুটা করেছিলেন ইসমাত আলমকে বোল্ড করে। দারুণ এক ইনসুইঙ্গারে তিনি পরাস্ত করেন আফগানদের নতুন ব্যাটারকে। পরের বলে পালা আসে কাইস আহমেদের। তার সর্বনাশ করল হাসানের এক আউটসুইঙ্গার।  ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে গিয়েছিল পেছনে। দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস। এরপরের বলে নতুন ব্যাটার জিয়া আকবর পরাস্ত হন ভেতরে আসা বলে। তার প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। সেখানে দেখা যায় পিচিং, ইমপ্যাক্ট আর হিটিং সবকিছুতেই জ্বলেছে লাল বাতি। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় হাসানের হ্যাটট্রিক। হাসান এরপর তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার তুলে নেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে বিদায় করে। উইকেট বাকি ছিল একটি। তবে এই ফাঁকেই রহমত শাহ তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিনি শেষমেশ সঙ্গীর অভাবে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। ওপাশে মোহাম্মদ সালিম ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে, এবাদত হোসেনের শিকার হন তিনি। ২৪০ রানে অলআউট হয় দলটি।  বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান। আর এবাদত ৫৬ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। বাকি একটি উইকেট যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে। আরটিভি/এসআর
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা আট জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঘরের মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, গাব্রিয়েল জেসুস ও জুল কুন্দে। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।  ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩ মিনিটে কুন্দের গোলে জয় নিশ্চিত হয় কাতালান ক্লাবটির। হালকা চোটের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় অধিনায়ক রাফিনিয়াকে ছাড়াই মাঠে নামে বার্সেলোনা। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের বাধা কাটিয়ে শট নেন গর্ডন। বল এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করে।  বার্সেলোনার জার্সিতে এটিই ইংলিশ উইঙ্গারের প্রথম গোল। চলতি লিগে এখন পর্যন্ত চারটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে সর্বশেষ চার ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে গেতাফের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে বার্সেলোনা। ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগান জেসুস।  ডি-বক্সের কাছে বল হারান গেতাফের ডিফেন্ডার রোমেরো। সেই সুযোগে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে আর্সেনাল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া জেসুসের এটি পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় গোল। বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি স্বাগতিকদের। ৫৩ মিনিটে জেরার্দ মার্তিনের ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি জেসুস। চার মিনিট পর দানি ওলমোর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গেতাফের গোলরক্ষক। অবশেষে ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে লামিন ইয়ামালের বাড়ানো ক্রসে কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামাল। তবে বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এই জয়ে লা লিগার প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। লা লিগায় নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা শুরুর রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে কোচ জেরার্দো মার্তিনোর অধীনেও লিগের প্রথম আট ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। চলতি মৌসুমে প্রথম আট ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে মোট ৩৪ গোল করেছে ফ্লিকের শিষ্যরা। আরটিভি/এসআর
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাবে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। জোড়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে বড় জয় এনে দিয়েছেন তিনি ও সুয়ারেজ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ডি.সি. ইউনাইটেডকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।  এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইন্টার মায়ামি। তৃতীয় মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।  দুটি গোলেই সহায়তা করেন জার্মান বেরতেরামে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার পর ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির। ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজ দুটি করে গোল করেন। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়ে কোনো গোল করতে পারেনি ডি.সি. ইউনাইটেড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটাল ইন্টার মায়ামি। এর আগে দলটি পাঁচ ম্যাচে জয় পায়নি—একটি ম্যাচে হার ও চারটি ম্যাচে ড্র করেছিল তারা। মেসি ও সুয়ারেজের এই পারফরম্যান্স মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ইন্টার মায়ামির আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
আরও পড়ুন
একই জায়গায় ৫ মৃত্যু, সিরিয়াল কিলার আতংকে মিশিগান
ভিনিসিয়ুসের লাল কার্ডের রাতে রিয়ালকে জয় উপহার দিলেন দিওমান্দে
ব্যালন ডি অরের দৌড়ে এমবাপ্পের বড় ধাক্কা
নারী এল ক্লাসিকোতে রিয়ালকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা