ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিষেক ম্যাচেই ৩ গোল হজম করলেন মার্তিনেজ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অ্যাস্টন ভিলা থেকে ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন দলের জার্সিতে মাঠে নেমেছিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে অভিষেকটা খুব একটা স্বস্তির হয়নি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষকের। ব্রাইটনের বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচেই তিন গোল হজম করেছেন তিনি। তবুও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ গোলের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে চেলসি।

রোববার (৩০ আগস্ট) স্টামফোর্ড ব্রিজে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে চেলসি। চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ব্রাইটনের গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন ও ডিফেন্ডার মাতস উইফারের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাছ থেকে গোল করেন রোমিও লাভিয়া। ২০২৩ সালে সাউদাম্পটন থেকে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির হয়ে এটিই তার প্রথম গোল।

১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো নেতো। মর্গান রজার্সের দুর্দান্ত দৌড়ের পর বাড়ানো বল থেকে কাছ থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্রাইটনের জালে বল পাঠান পর্তুগিজ উইঙ্গার। লিগে গত ডিসেম্বরের পর এটিই নেতোর প্রথম গোল।

৩২ মিনিটে চেলসির তৃতীয় গোলটি করেন জোয়াও পেদ্রো। জোরেল হাটোর বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণ করে মাত্র ছয় গজ দূর থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান ব্রাইটনের সাবেক এই ফরোয়ার্ড। গোলের পর ব্রাইটন সমর্থকদের উদ্দেশে থাম্বস-ডাউন উদযাপন করেন তিনি।

তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচে ফিরে আসে ব্রাইটন। ৩৫ মিনিটে মার্তিনেজের প্রথম প্রচেষ্টা ঠেকানোর পর ফিরতি বল পেয়ে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেন মালিক ইয়ালকুয়ে। এতে ব্যবধান কমে আসে ৩-১।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৬৩ মিনিটে পাসকাল গ্রসের শট জোয়াও পেদ্রোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে পরাস্ত করে মার্তিনেজকে। ফলে ৩-২ গোলে ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা জোরালো করে ব্রাইটন।

তবে ৭৪ মিনিটে দারুণ এক গোলে চেলসির স্বস্তি ফিরিয়ে দেন কোল পালমার। বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ৪-২ করেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

যোগ করা সময়ে হেডে আরও একটি গোল করেন গ্রস। কিন্তু সমতায় ফেরার মতো সময় আর পায়নি ব্রাইটন। শেষ পর্যন্ত ৪-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি।

জাবি আলোনসোর অধীনে চেলসির প্রথম তিন ম্যাচেই এটি তৃতীয় জয়। ফুলহাম ও লুটনের পর এবার ব্রাইটনকেও হারাল স্টামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটি। এই তিন ম্যাচে চেলসি করেছে মোট ৯ গোল। তবে রক্ষণভাগ নিয়ে এখনো কিছুটা উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। তিন ম্যাচে চারবার প্রতিপক্ষের কাছে গোল হজম করেছে তারা।

চেলসির সামনে এবার আরও কঠিন পরীক্ষা। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের মাঠে খেলবে আলোনসোর দল। গত মৌসুমে হতাশাজনকভাবে ১০ম স্থানে শেষ করা চেলসিকে ঘুরে দাঁড় করানোর দায়িত্ব পাওয়া সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার লেভারকুসেন কোচের জন্য ম্যাচটি হতে যাচ্ছে বড় পরীক্ষা।

আরও পড়ুন

এদিকে এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে অনিশ্চয়তাও কাটেনি। ম্যানচেস্টার সিটিতে যাওয়ার গুঞ্জনের মধ্যে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে দলের বাইরে ছিলেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। মঙ্গলবার দলবদলের জানালা বন্ধ হওয়ার আগে আর্সেনালের বিপক্ষে আলোনসোর একাদশে তিনি থাকবেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
চলমান আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের শুরুতে ২৪০ রানে অলআউট হয়েছে আফগানিস্তান। এদিন দারুণ এক হ্যাটট্রিক করেছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। এই নিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক করা তৃতীয় বাংলাদেশি ও প্রথম পেস বলার হলেন হাসান মাহমুদ।  ৮৩তম ওভারের ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম বলে টানা ৩ বলে ৩ উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন হাসান। একে একে ফিরিয়েছেন ইসমাত আলম, কাইস আহমেদ এবং জিয়াউর রহমানকে। এর আগে ২০০৩ সালে পেশোয়ার টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন অলক কাপালি। ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সোহাগ গাজী। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে টেস্টে হ্যাটট্রিক করাতে হাসান মাহমুদই প্রথম। আগের দুজন অলক কাপালি এবং সোহাগ গাজী ছিলেন স্পিনার। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট ম্যাচে হ্যাটট্রিকের ঘটনা এবারই প্রথম। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৬ সালেও প্রথম হ্যাটট্রিকের ঘটনা এটি। ইয়ামিন আহমেদজাইকে ফিরিয়ে ইনিংসে ফাইফারও তুলে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ। সাথে চলে গেছেন ৫০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে। মাত্র ১৭ ম্যাচ এবং ২৯ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এই মাইলফলকে হাসানই দ্রুততম। টেস্টে ফাইফারে শাহাদাত হোসেনের সমান হলেন হাসান মাহমুদ। দুজনেরই টেস্টে ফাইফার এখন ৪টি। হাসান ছুঁয়েছেন মাত্র ১৭ টেস্টেই। সামনে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো থাকছেই।   আরটিভি/এসআর
হ্যাটট্রিক করে যেসব কীর্তি গড়লেন হাসান মাহমুদ
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
আবুধাবি টেস্টে দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়েছিল আফগানিস্তান। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতে হাসান মাহমুদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি স্বাগতিকরা। এতে প্রথম ইনিংসে আফগানরা ২৪০ রানে অলআউট হওয়ায় ১০৬ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা। রোববার (১১ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের শুরুতেই দুর্দান্তভাবে। ২১ রান খরচায় আফগানদের বাকি ৬টি উইকেট তুলে নিয়েছে। আর তাতেই ১০৬ রানের স্বাস্থ্যকর এক লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামছে দলটি। এই সাফল্যের শুরু আর শেষটা করে দিয়েছেন এবাদত হোসেন। গতকালই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ছন্দে ফেরার। আজ দিনের শুরুটা করে দিয়েছেন তিনি। নতুন বলে ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে তিনি ভাঙেন রহমত শাহর সঙ্গে তার ৮০ রানের জুটি। পরের গল্পটা হাসান মাহমুদের।  প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে গড়েছেন হ্যাটট্রিকের কীর্তি। শুরুটা করেছিলেন ইসমাত আলমকে বোল্ড করে। দারুণ এক ইনসুইঙ্গারে তিনি পরাস্ত করেন আফগানদের নতুন ব্যাটারকে। পরের বলে পালা আসে কাইস আহমেদের। তার সর্বনাশ করল হাসানের এক আউটসুইঙ্গার।  ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে গিয়েছিল পেছনে। দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়েছেন লিটন দাস। এরপরের বলে নতুন ব্যাটার জিয়া আকবর পরাস্ত হন ভেতরে আসা বলে। তার প্যাডে লাগলেও আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। সেখানে দেখা যায় পিচিং, ইমপ্যাক্ট আর হিটিং সবকিছুতেই জ্বলেছে লাল বাতি। সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে যায় হাসানের হ্যাটট্রিক। হাসান এরপর তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফাইফার তুলে নেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে বিদায় করে। উইকেট বাকি ছিল একটি। তবে এই ফাঁকেই রহমত শাহ তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিনি শেষমেশ সঙ্গীর অভাবে অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। ওপাশে মোহাম্মদ সালিম ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে, এবাদত হোসেনের শিকার হন তিনি। ২৪০ রানে অলআউট হয় দলটি।  বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান। আর এবাদত ৫৬ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। বাকি একটি উইকেট যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে। আরটিভি/এসআর
হাসানের ফাইফার, তৃতীয় দিনের শুরুতেই অলআউট আফগানিস্তান
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। গেতাফেকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা আট জয়ে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ঘরের মাঠ কাম্প ন্যুয়ে বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন অ্যান্থনি গর্ডন, গাব্রিয়েল জেসুস ও জুল কুন্দে। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গর্ডনের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।  ৩০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুস। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৩ মিনিটে কুন্দের গোলে জয় নিশ্চিত হয় কাতালান ক্লাবটির। হালকা চোটের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় অধিনায়ক রাফিনিয়াকে ছাড়াই মাঠে নামে বার্সেলোনা। ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের বাধা কাটিয়ে শট নেন গর্ডন। বল এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে জালে প্রবেশ করে।  বার্সেলোনার জার্সিতে এটিই ইংলিশ উইঙ্গারের প্রথম গোল। চলতি লিগে এখন পর্যন্ত চারটি অ্যাসিস্টও রয়েছে তার। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে সর্বশেষ চার ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে গেতাফের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে বার্সেলোনা। ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগান জেসুস।  ডি-বক্সের কাছে বল হারান গেতাফের ডিফেন্ডার রোমেরো। সেই সুযোগে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শক্তিশালী শটে জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে আর্সেনাল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া জেসুসের এটি পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় গোল। বিরতির পরও আক্রমণের ধার কমেনি স্বাগতিকদের। ৫৩ মিনিটে জেরার্দ মার্তিনের ক্রস থেকে হেড করে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি জেসুস। চার মিনিট পর দানি ওলমোর নিচু শট ঠেকিয়ে দেন গেতাফের গোলরক্ষক। অবশেষে ৭৩ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে লামিন ইয়ামালের বাড়ানো ক্রসে কাছ থেকে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামাল। তবে বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এই জয়ে লা লিগার প্রথম আট ম্যাচের সবকটিতে জিতে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। লা লিগায় নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা শুরুর রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে ২০১৩-১৪ মৌসুমে কোচ জেরার্দো মার্তিনোর অধীনেও লিগের প্রথম আট ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। চলতি মৌসুমে প্রথম আট ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে মোট ৩৪ গোল করেছে ফ্লিকের শিষ্যরা। আরটিভি/এসআর
গেতাফেকে হারিয়ে আটে আট বার্সেলোনার
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে ক্লাবে ফিরেই চমক দেখিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। জোড়া গোল করে ইন্টার মায়ামিকে বড় জয় এনে দিয়েছেন তিনি ও সুয়ারেজ। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ডি.সি. ইউনাইটেডকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।  এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইন্টার মায়ামি। তৃতীয় মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। প্রথমার্ধের ৩৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।  দুটি গোলেই সহায়তা করেন জার্মান বেরতেরামে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ান আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার পর ৬০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়ামির। ম্যাচে মেসি ও সুয়ারেজ দুটি করে গোল করেন। অন্যদিকে, ইন্টার মায়ামির রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়ে কোনো গোল করতে পারেনি ডি.সি. ইউনাইটেড। এই জয়ের মধ্য দিয়ে এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন থাকার হতাশা কাটাল ইন্টার মায়ামি। এর আগে দলটি পাঁচ ম্যাচে জয় পায়নি—একটি ম্যাচে হার ও চারটি ম্যাচে ড্র করেছিল তারা। মেসি ও সুয়ারেজের এই পারফরম্যান্স মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ইন্টার মায়ামির আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর
মেসি ও সুয়ারেজের জোড়া গোলে জয়ে ফিরল ইন্টার মায়ামি
ভিনিসিয়ুসের লাল কার্ডের রাতে রিয়ালকে জয় উপহার দিলেন দিওমান্দে
আন্তর্জাতিক বিরতির পর নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভিয়রিয়ালের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এদিন নাথান সালিবার চুল টেনে ৭২তম মিনিটে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে প্রথম গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছেন ইয়ান দিওমান্দে। শনিবার (১১ অক্টোবর) সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ভিয়রিয়ালকে ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এদিন প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল ভিয়ারিয়াল। পাপে গুয়ে গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে শট নেন। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপে রিয়ালকে এগিয়ে দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেন। গোলপোস্ট তার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আলবার্তো মোলেইরো ও রেনাতো ভেইগা সুযোগ তৈরি করলে রিয়ালকে আবারও হুমকি দেয় ভিয়ারিয়াল।  তার আগে এমবাপ্পের একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন পিটার গুলাকসি। পরে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের কর্নার থেকে ইব্রাহিম কোনাতে হেড করে বল গোলবারের ওপর দিয়ে মারেন। তারপর লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন আর্দা গুলার। দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টা আক্রমণে দিওমান্দে গোলের একটি সুযোগ নষ্ট করেন। তারপর ভিয়ারিয়াল ফের আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। জাল খুঁজে পাওয়া থেকে এক ইঞ্চি দূরে ছিলেন মোলেইরো। তারপর থিবো কোর্তোয়া দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখালে গুয়ের একটি ডিফ্লেক্টেড শট জালে পৌঁছাতে পারেনি।  গুয়ে কিছুক্ষণ পর আরেকটি সুযোগ পান, কিন্তু কোর্তোয়া আবারও বাধা দেন। এক ঘণ্টার ঠিক পরেই গোলমুখ খুলে যায়। স্বাগতিকদের একটি আক্রমণ আংশিকভাবে ক্লিয়ার করে ভিয়ারিয়াল। বল পৌঁছায় ডানদিকে ফেদেরিকো ভালভার্দের কাছে। উরুগুয়ান চ্যালেঞ্জ সামলে পায়ের দারুণ কাজ দেখিয়ে ভেতরে ঢোকেন এবং দারুণ থ্রু বলে দিওমান্দেকে গোলের সামনে বল দেন।  নিচু শটে দূরের কোণা দিয়ে জাল কাঁপিয়ে ক্লাবের হয়ে প্রথম গোল করেন দিওমান্দে। প্রথমে গোলটি অফসাইডে বাতিল হলেও ভিএআরে গোল দেওয়া হয়। রিয়াল আরও চাপ তৈরি করে। ভিনিসিয়ুসের কাছ থেকে বল পেয়ে আক্রমণে যান এমবাপ্পে। কিন্তু গুলাকসি তাকে ফিরিয়ে দেন। ৭২তম মিনিটে বার্নাব্যুতে নিজের দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিনি। জুড বেলিংহামের বাড়ানো বলে জাল কাঁপিয়ে বুনো উদযাপনে মাতেন ভিনিসিয়ুস। তার গোল দেখে উত্তেজনায় মাঠে ঢুকে পড়েছিলেন কোচ হোসে মরিনিও। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় গোলটি বাতিল হয়। কারণ গোলটি তৈরির সময় ভিনিসিয়ুস প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের চুল টেনে ধরেছিলেন। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনার পর মাঠের মাঝখানে ভিনিসিয়ুসের চুল টেনে ধরার বিষয়টি নজরে আসে এবং উদযাপন রূপ নেয় হতাশায়। রিয়ালের সেই হতাশা ক্ষোভে পরিণত হয়। যে কারণে শেষ কয়েক মিনিটে তাদের চার খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেন। শেষ দিকে বদলি নামা কার্লোস রোমেরো ও জেরার্ড মোরেনোকে প্রত্যাখ্যাত করতে সতর্ক থাকতে হয়েছিল কোর্তোয়াকে। তাতে লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে রিয়াল। ৮ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে তারা। অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ এক পয়েন্টে এগিয়ে থেকে তাদের ও বার্সেলোনার ঠিক মাঝে। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সা। আরটিভি/এসআর
ভিনিসিয়ুসের লাল কার্ডের রাতে রিয়ালকে জয় উপহার দিলেন দিওমান্দে
আরও পড়ুন
কত টাকায় চেলসিতে যোগ দিলেন মার্টিনেজ?
৩-০ থেকে ৪-৩, রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে চেলসির বাজিমাত
১২৬ কোটি টাকায় চেলসিতে যাচ্ছেন এমি মার্তিনেজ
লাউতারোকে পেতে ইন্টারের সঙ্গে আলোচনায় বার্সেলোনা