ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কেমন ছিল বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়?

সাইফ শুভ, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:৩৭ পিএম

১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে সূচনা হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন দিগন্তের। মালয়েশিয়া অনুষ্ঠিত সেই টুর্নামেন্টে তৎকালীন ক্রিকেটের পরাশক্তি কেনিয়াকে পরাজিত করে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় বাংলাদেশ। এর ঠিক দুই বছর পর আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করে লাল-সবুজেরা।

প্রথমবার অংশ নিয়েই পরাক্রমশালী পাকিস্তান ও পরীক্ষিত স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে তাক লাগিয়ে দেয় আকরাম খান- খালেদ মাহমুদ সুজনরা। এরপরের বছর ২০০০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট পা রাখে ক্রিকেটের সবচেয়ে অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটের আঙিনায়।

প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসেই ৪০০ রান করে বিশ্ব ক্রিকেটকে এক আগমনী বার্তা দেয় টেস্টের নতুন সদস্যরা। দলপতি বুলবুল খেলেন ১৪৫ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস খেললেও দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যর্থতায় ম্যাচটিতে ৯ উইকেটে হারতে হয় ভারতের কাছে। সেদিন হারলেও ক্রিকেট পাগল এই জাতির মনে একটি আশার সঞ্চার হয়, হয়ত ক্রিকেট বিশ্বে ছড়ি ঘুড়িয়ে লাল-সবুজের পতাকাটা বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরবে টাইগাররা।

সেই আশা কিছুটা শঙ্কায় পরিণত হয় যখন পরবর্তী ৫ বছরে একটি টেস্ট ম্যাচে জয় দূরে থাক বেশিরভাগ ম্যাচেই ইনিংস পরাজয় হতে হতো।

টেস্ট যেমন ধৈর্যের খেলা, ঠিক এই ফরম্যাটে সাফল্য পেতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে খেলোয়াড় ও সমর্থকদেরও। সেই ধৈর্যের অবসান ঘটে ঠিক পাঁচ বছর পর ২০০৫ সালে এসে।

সাদা পোশাকের ক্রিকেটে প্রথম জয়টি আসে ৩৪ ম্যাচ পর। বর্ণবাদ বিতর্কে জর্জরিত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসে কাঙ্ক্ষিত জয়টি। আর বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেই ঐতিহাসিক জয়ের সাক্ষী চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে আজকের দিনে আসে বহু প্রতীক্ষার সেই জয়।

৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ম্যাচের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম সফল অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অধিনায়কের ৯৪ রান, রাজিন সালেহ'র ৮৯ ও নাফিস ইকবালের ৫৬ রানের সুবাধে ৪৮৮ রানের বড় স্কোর পায় ডেভ হোয়াইটমোরের শিষ্যরা।

জবাবটাও ভালো দিচ্ছিল জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক তাদেন্দা তাইবুর ৯২ রানের ইনিংসের পর ৩১২ রানে অলআউইট হয় সফরকারীরা। বাংলাদেশের আসল কাজটা করেন মোহাম্মদ রফিক। ৫ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ১৭৬ রানের লিড এনে দেন এই বামহাতি অর্থোডক্স।

দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই বাশারে সওয়ার হয় টাইগাররা। এবার অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৫৫ রান। ৯ উইকেটে ২০৪ রান করে প্রথমবারের মতো ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা।

জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় ইনিংসে বাধা হয়ে দাঁড়ায় হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। তবে এবার বাংলাদেশের ত্রাতা হয়ে আসেন আরেক বামহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। তার ৬ উইকেটে মাত্র ১৫৪ রানে অলআউট হয় আফ্রিকার দেশটি। ২২৬ রানের স্বস্তির জয় পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এই জয়ে প্রথমবারের মতো বাংলদেশের পতাকা নিয়ে 'ল্যাপ অব অনার' করে বাশার-মাশরাফিরা। এমন দৃশ্য দেখার জন্যই ৫ বছর অপেক্ষা করে বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেট সমর্থকরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ- ৪৮৮ ও ২০৪/৯ ডি

জিম্বাবুয়ে- ৩১২ ও ১৫৪

ফল: বাংলাদেশ ২২৬ রানে জয়ী

ম্যাচ সেরা: এনামুল হক জুনিয়র।

এস/এমআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
এ নিয়ে টানা দুই হার রাজশাহী রয়ালসের। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুর রেঞ্জার্সের। আন্দ্রে রাসেলের নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে আসছে দলটা। কিন্তু নিজেদের সপ্তম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ৭৪ রানে হারের পর আজ হেরেছে রংপুর রেঞ্জার্সের কাছে। প্রথম দুই ম্যাচ খেলার পর তৃতীয় ম্যাচে জায়গা হারান, চতুর্থ ম্যাচে আবারও ফেরেন একাদশে। তিন ম্যাচে উইকেট শূন্য থাকায় পঞ্চম, ষষ্ঠ আর সপ্তম ম্যাচেও দলে জায়গা হয়নি তাসকিন আহমেদের। অথচ এই তাসকিন গত বিপিএলে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি! টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রংপুর রেঞ্জার্সের। তাসকিন দলে ফিরেই হারিয়ে দিলেন শক্তিশালী রাজশাহী রয়ালসকে। টস জিতে ফিল্ডিং করাটা যেন নিয়ম করে ফেলেছে রাজশাহী। আজও ঘটেনি ব্যতিক্রম। ঢাকায় তৃতীয় পর্বে শেষ দিনের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে পাঠায় রংপুর রেঞ্জার্সকে। ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ওপেনার শেন ওয়াটসন হতাশ করলেন এই ম্যাচেও। তার ব্যাটে রান যেন সোনার হরিণ। আজ মাত্র ৭ রানেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে। আরেক ওপেনার নাঈম শেখ ধরে রেখেছেন ধারাবাহিকতা। ৪৭ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে ক্যাচ এন্ড বোল্ড হয়ে বিদায় নেন কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ক্যামেরুন ডেলপোর্টের ১৭ বলে ৩১, লুইস গ্রেগরির ১৭ বলে ২৮ আর শেষদিকে জহুরুল ইসলাম অমির ৮ বলে ১৯ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তুলে ফেলে রংপুর। রাজশাহীর হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান ও আফিফ। ১টি করে উইকেট নেন রাব্বি ও ফরহাদ রেজা। পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রংপুর আজ যেন ফুলকির মতো জ্বলে উঠলেন। বল হাতে দুর্দান্ত তাসকিন, সঙ্গে মোস্তাফিজের আঁটসাঁট বোলিং কাবু করে ফেলে রাজশাহীর ব্যাটারদের। রাজশাহীর হয়ে অলোক কাপালির ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৩১ (২৮) রান। এছাড়া রাবি বোপারার ২৮, নাহিদুল ইসলামের ১৯ রানের সঙ্গে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হোন আন্দ্রে রাসেল। ৭ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়েন রয়ালস অধিনায়ক। ততোক্ষণে রাজশাহীর জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান পর্যন্ত তুলতে পারে রয়ালসরা। ৪৭ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর। তাসকিন নেন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১ মেডেন নিয়ে দেন মাত্র ১৬ রান। লুইস গ্রেগরি নেন ২ উইকেট, মোহাম্মদ নাবী নেন ১ উইকেট। এমআর/ এমকে
শক্তিশালী রাজশাহীকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুরের
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
ডেভিড মালানের ৫১ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসকেও ছাপিয়ে গেছে আবু হায়দার রনির ৮ বলে ১২ রান। রনির এই ১২ রানের জাদুকরি ইনিংসে ভর করেই আসরের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে টস হেরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আগে ব্যাট করে ১৬০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় ওয়ারিয়র্সদের সামনে। ব্যাটিংয়ে নেমে ৫১ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালান। টিকে থাকেন শেষ ওভারের পঞ্চম বল পর্যন্ত। মূলত মালানের ব্যাটে ভর করেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা। লিয়াম প্লাঙ্কেটের করা ইনিংসের শেষ ওভারে কুমিল্লার প্রয়োজন ১৬ রান। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে স্ট্রাইকে গিয়েই বাউন্ডারি হাঁকান আবু হায়দার রনি। পরের বলে আর বাউন্ডারি নয়, লং-অনে ওভার বাউন্ডারি আসে রনির ব্যাটে। চার নম্বর বলে প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে যান মালান। পঞ্চম বলে দুই রান নিতে গিয়েই ঝামেলা বাঁধান অধিনায়ক। দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তার ব্যাটে আসে ৫১ বলে ৭৪ রান। শেষ বলে ৩ রান লাগে। নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব উর রহমানের বাউন্ডারিতে ২ উইকেটের (সানজামুলের রিটায়ার্ড হার্ট) জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।  এতে নায়ক বনে যান আবু হায়দার রনি। উপস্থিত হোন সংবাদ সম্মেলনেও। এমন ব্যাটিংয়ের রহস্যটাও জানালেন তিনি। তার মতে, আত্নবিশ্বাসই এমন ব্যাটিং করার রহস্য। ৮ বলে ১২ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংসটাকে অবিশ্বাস্য মনে করছেন না এই বোলার। ‘হ্যাঁ, আমার আত্মবিশ্বাস ছিল কারণ আমি পাওয়ার ব্যাটিং নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত কাজ করছি। এইরকম অবস্থায় কিভাবে কাজ করা যায় সেটা জেনেছি। আর মালান ছিল। একটা সাহস ছিল যে পারব আমরা।’ তবে রনির পরিকল্পনায় ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেয়া যায়। কেন না, সেট ব্যাটসম্যান হিসেবে মালানের পক্ষে কাজটা যত সহজ ছিল রনির পক্ষে ততোটা না। ‘আমার পরিকল্পনা ছিল মালানকে কিভাবে স্ট্রাইক দেওয়া যায়। শেষ ওভারে যখন খেলা চলে এসেছে এক দেয়ার অবস্থা ছিল না। কারণ রান ছিল ১৬। আমিও চেষ্টা করেছি মেরে রান নেয়ার।’ এমআর/ওয়াই                                                                                                       
আত্মবিশ্বাসই ম্যাচ জিতিয়েছে: আবু হায়দার
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
  অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই নির্বাচকদের নজরে নাজমুল হোসেন শান্ত। এরইমধ্যে জাতীয় দলের হয়েও অভিষেক ঘটেছে ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের। পুরাদস্তুর ব্যাটসম্যান হলেও দলের প্রয়োজনে করেন বোলিংও। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন দুটি। এই কটা ম্যাচে কতই বা আর তুলে ধরতে পেরেছেন নিজেকে। তরুণ শান্ত তাই শেখার দিকেই দিয়েছেন পুরোপুরি মনোযোগ। এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে। দলের হয়ে সব ম্যাচেই খেলেছেন। যদিও আশানুরূপ ব্যাটিংটা করতে পারেননি এখনও। ছয় ম্যাচে নেই একটিও পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস। সবশেষ ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে শতরানের ওপেনিং জুটি গড়লেও করতে পেরেছিলেন মাত্র ৪১ রান। এর আগের পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৪, ০, ১, ০ আর ৩০ রান। তবে কি টি-টোয়েন্টির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে শান্তর?  ‘না আমার কাছে ওইরকম মনে হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ৪০-৫০টা ম্যাচের মতো খেলেছি। এ বছরের শুরুর দিকের কয়েকটা ম্যাচ যদি দেখেন, প্রথম কয়েকটি ম্যাচে আমি দ্রুত আউট হয়ে গেছি। এক-দুই বলের মধ্যেই, তাই সেভাবে ইনিংসটা সাজানোর সুযোগই পাইনি। তো আমার কাছে ওইরকম কিছু মনেই হচ্ছে না। শেষ দুইটা ম্যাচে ভালো শুরু পেয়েছে, বাকি ম্যাচগুলোতে যদি এটা করতে পারি তাহলে বড় রান করার প্রত্যাশা করছি।’ বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দল, এই সময়টায় সেভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে তাকে। তাই প্রত্যাশাটাও বেশি। শান্ত বলছেন, প্রত্যাশা না থাকাটাই ভালো। ‘আসলে প্রত্যাশা না থাকা ভালো। সকলেরই প্রত্যাশা থাকে, নিজের থাকে, পরিবারের থাকে। এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি না করে প্রক্রিয়াটা মেনে চললেই আমার মনে হয় ভালো করা সম্ভব। ভালো করলে এমনেই প্রত্যাশা পূরণ হবে।’ খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছেন রিলে রুশো, রাবি ফ্রাইলিঙ্কের মতো ক্রিকেটাররা। শান্ত শিখছেন তাদের থেকেও। ‘আলাদাভাবে ওইরকম কোনও কথা হয়নি। তবে রুশো খুব ভালো টাচে আছে। শেষ দুই তিন বছর বিপিএলে খুব ভালো খেলছেন। তাকে দেখে অনেক কিছু শেখা যায়। অনেক সময় অনুশীলনে দেখা হয়, কথা হয়। অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, যা আমার জন্য ভালো।’ জাতীয় দল কিংবা বিপিএল। বড় সব ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলে তাদের থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করছেন বলেও জানান এই ওপেনার। তবে অনুকরণ করেন না বলেও জানান তিনি। ‘আমি সবার খেলা দেখেই কিছু না কিছু নেয়ার চেষ্টা করি। আমার নিজের একটা ধরন আছে খেলার, সেটার সঙ্গে মিল রেখেই কাজ করি। নির্দিষ্ট করে কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই।’ এমআর/ওয়াই
কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই: শান্ত
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী রুপান্তর ও বাজার২৪ ডটকম মহান বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার।  মঙ্গলবার শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দল পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক।  প্রথম রানার আপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)  পেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৯টি পদক।  দ্বিতীয় রানার আপ দল আনসার পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৭টি পদক।  এদিকে নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল বাংলাদেশ আনসার পেয়েছে ৬টি স্বর্ণ ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক। প্রথম রানার আপ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীপেয়েছে ৪টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। দ্বিতীয় রানার আপ বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ৬টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৮টি পদক।  প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার বিতরণ করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ড. কাজী এরতেজা হাসান।  এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান ও যুগ্ম সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন আজাদসহ অন্যান্যরা।  ওয়াই
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে রয়্যালসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রেঞ্জার্স। মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জেতার পর রংপুরকে ব্যাট করতে পাঠায় রাজশাহীর অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ৭ খেলায় ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার চার নম্বরে অবস্থান করছে রয়্যালসরা। বলতে গেলে সুবিধাজনক স্থানেই রয়েছে লিটন দাস-আফিফ হোসেনরা। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রেঞ্জার্সদের অবস্থান ষষ্ঠ। তাই জয়ের বিকল্প নেই শেট ওয়াটসন নেতৃত্বাধীন দলটির সামনে। দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ে তিন উইকেটের জয় পেয়েছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স। রংপুর রেঞ্জার্স শেন ওয়াটসন (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নাঈম, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, লুইস গ্রেগরি, ফজলে মাহমুদ, মোহাম্মদ নবী, জহুরুল ইসলাম অমি, আল আমিন হোসেন জুনিয়র, আরাফাত সানি, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ। রাজশাহী রয়্যালস  লিটন দাস, আফিফ হোসেন ধ্রুব, শোয়েব মালিক, অলক কাপালি, রবি বোপারা, আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক), নাহিদুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোহাম্মদ ইরফান।  ওয়াই
রাজশাহীর বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করছে রংপুর
আরও পড়ুন
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
ধর্ষণ ও গণধর্ষণ বেড়েছে দ্বিগুণ: আসক
ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি হলেন অমিত হাসান
শতাধিক দেশ ঘুরেছেন খুলনার মেয়ে আসমা