ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্রীড়ামন্ত্রী নয়, বিসিবি সভাপতি হতে চান সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৩০ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে অভিষেক হচ্ছে সাকিব আল হাসানের। মাগুরা-২ আসন থেকে জয়ের ব্যাপারেও আশাবাদী বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।

এদিকে দেশের অন্যতম সেরা এই ক্রীড়া-ব্যক্তিত্বের রাজনীতিতে আসার পর অনেকেই ধারণা করেছিলেন, অদূর ভবিষ্যতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন সাকিব। তবে টাইগারদের পোস্টারবয়ের চাওয়া ভিন্ন। মন্ত্রিত্ব না, বরং দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা-বিসিবির সভাপতি হতে চান সাকিব।

দেশের প্রথম সারির এক জাতীয় দৈনিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। সাকিবের মন্তব্য, দেশের ক্রিকেটে ভূমিকা রাখতে বিসিবি সভাপতি হতে চান তিনি। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে আমূলে বদলে দেওয়ার সুযোগ কম। তাই মন্ত্রিত্বে কোনো আগ্রহ নেই তার।

সাকিবের ভাষ্যমতে, ক্রিকেটের প্রতি যেহেতু আলাদা ভালোবাসা আছে, ক্রিকেটের বাইরে কখনো চিন্তা করার সুযোগ হবে বলে মনে হয় না। যদি স্পোর্টসে থাকতে হয়, তাহলে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমার কাছে মনে হয় অনেক ভালো একটা জায়গা। এখন পর্যন্ত ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এমন কোনো ভূমিকা দেখিনি, যেটাতে আসলে আমূল কোনো কিছুতে পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি যোগ করেন, ক্রিকেটে যেমন অনেক কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। এটা যেহেতু স্বাধীন সংস্থা, যদি পরিবর্তন করতে হয় বা কিছু পরিবর্তন করার থাকে, এখানেই অনেক বেশি আছে। স্বাভাবিকভাবে অনেক আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনেক কিছুর সামঞ্জস্য হতে হয়। এগুলো আমার কাছে মনে হয় ঝামেলার।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
বিশ্ব ক্রিকেটে ২০২৩ সালে ব্যস্ত সময় পার করেছে বাংলাদেশ দল। এবারের মতো ২০২৪ সালেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ত সময় পার করবে তারা। নতুন বছরে ৪০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এর মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।   আইসিসির এফটিপি (ফিউচার ট্যুর প্ল্যান) অনুযায়ী, ২০২৪ সালে রেকর্ড ১৪টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে এক বছরে এর চেয়ে বেশি টেস্ট এর আগে খেলার সুযোগ হয়নি টাইগারদের। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলবে শুধু ইংল্যান্ড (১৭) ও ভারত (১৫)।   নতুন বছরে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা শুরু হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) দিয়ে। বিপিএল শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সফরে আসার কথা শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের। ফেব্রুয়ারি-মার্চে লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন ফরম্যাটের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে ও ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠের এই সিরিজে রোডেশিয়ানদের বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পাশাপাশি আছে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজও। তবে তাদের বিপক্ষে কোনো ওয়ানডে ম্যাচ থাকছে না। তারপরই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। আগামী জুনে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে বসতে যাওয়া এই আসরে আগেই জায়গা নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। মূলত র‍্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে সরাসরি এই মেগা আসরে অংশ নিচ্ছে টাইগাররা। বিশ্বকাপ শেষে জুলাই-আগস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সমান ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। পাশাপাশি আফগানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজও খেলবে টাইগাররা। এ সিরিজটি হতে পারে আরব আমিরাতে। আফগানিস্তানের হোম ভেন্যু হিসেবে আপাতত সেখানেই ম্যাচ খেলে তারা। আফগানিস্তানের পর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। আগস্ট সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে টাইগাররা। পাকিস্তানের মাটিতে শুধুমাত্র ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজ হওয়ার কথা রয়েছে। কোনো ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি নেই।  পাকিস্তান সফর শেষে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভারত সফর করবে বাংলাদেশ। এ সফরে দুই ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজের পাশাপাশি ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও খেলবে টাইগাররা। তবে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নেই। অক্টোবর-নভেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাঠের এই সিরিজে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শুধুমাত্র ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। সীমিত ওভারের কোনো ম্যাচ নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করবে বাংলাদেশ। এ সফরে সমান ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে দুই দল। তাছাড়া ২ ম্যাচের একটি টেস্ট সিরিজও আছে।
২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
এই তরুণ দলটার কোনো ভয় নেই : হাথুরুসিংহে
ওয়ানডে সিরিজে মুশফিকুর রহিম ছাড়া এবার নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ দলটা তুলনামূলক তরুণই বলা যায়। নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে এই দলই নিউজিল্যান্ডে প্রথমবার ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে জয় এনে দিয়েছে বাংলাদেশকে।  রোববার (৩১ ডিসেম্বর) মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভালে প্রথমবার সিরিজ জয়েরও সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। যদিও শেষ পর্যন্ত আশা জাগিয়েও সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে হেরেছে টাইগাররা। সিরিজ জিততে না পারার কিছুটা আক্ষেপ থাকলেও দলের পারফরম্যান্সে খুশি বাংলাদেশের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান এই কোচ বলেন, ‘সিরিজের শুরুতেই আমরা বলছিলাম আগে এখানে কী করেছি। আর আমরা তার চেয়ে ভালো করতে চাই। এদিক থেকে এটা খুব সফল একটা সফর।’ হাথুরু বলেন, ‘আমার মনে হয় ক্রিকেটারদের মানসিকতা, এই তরুণ দলটার কোনো ভয় নেই। তারা মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে, শান্তর নেতৃত্ব অসাধারণ ছিল। সে টেকটিক্যালি দারুণ ছিল। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বার্তায় সে খুব পরিষ্কার ছিল। তাদের কাছে কী চায়, স্পষ্ট করে বলেছে।’ বোর্ড নাজমুলের অধিনায়কত্ব নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে ভাববে বলেও মনে করেন হাতুরাসিংহে, ‘আমার মনে হয় তারা (বোর্ড) বেশ ভালোভাবেই চিন্তা করবে। অবশ্যই এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। কিন্তু শান্ত যথেষ্ট প্রমাণ রেখেছে তাকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়ার।’
এই তরুণ দলটার কোনো ভয় নেই : হাথুরুসিংহে
অভিষেকেই নেতৃত্ব পেয়ে প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের ইতিহাস
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এখনও কোনো সংস্করণেই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেননি নীল ব্র্যান্ড। সেই ব্র্যান্ডই কিনা পেলেন টেস্ট অভিষেকে প্রোটিয়া দলের নেতৃত্ব! আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দল। কিউইদের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে দলকে নেতৃত্বে দেবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় এই অলরাউন্ডার!  আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি লিগ (এসএটি-২০)। যে কারণে দলের নিয়মিত তারকাদের ছাড়াই এই সফরে টেস্ট খেলতে নামবে সফরকারীরা। ফলে শুধু নেতৃত্বেই চমক নয়, বলতে গেলে আনকোরা এক স্কোয়াড নিয়েই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)।   শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য ১৪ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নতুন ও অনভিজ্ঞ মুখে ভরপুর এই স্কোয়াডে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন সাতজন। এই স্কোয়াডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হলেন ডুয়ান অলিভিয়ের। ২০১৭ সালে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ১৫টি টেস্ট খেলেছেন প্রোটিয়া এই পেসার।  দলের টেস্ট অভিষেকে যারা অধিনায়কত্ব করেছেন তাদের হিসেব থেকে বাদ দিলে গত ৫০ বছরে ব্র্যান্ড বাদে অভিষেকে টেস্ট অধিনায়কত্ব করার রেকর্ড আছে শুধু নিউজিল্যান্ডের লি জার্মনের। ১৯৯৫ সালে টেস্ট অভিষেকেই ভারতের বিপক্ষে কিউইদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এই উইকেটকিপার। ফলে এই সময়ে মাত্র দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট অভিষেকেই অধিনায়কত্ব করতে যাচ্ছেন নীল। টেস্ট ইতিহাসে ৩৪ জন খেলোয়াড় অভিষেকেই অধিনায়ক ছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জনের অভিষেকের দিনে তাদের দলেরও অভিষেক হয়েছিল। ব্যতিক্রম শুধু পাকিস্তানের অধিনায়ক আবদুল হাফিজ কারদারের বেলায়। পাকিস্তানের হয়ে অধিনায়কত্বের অভিষেকের আগেই ভারতের হয়ে টেস্ট খেলে ফেলেছেন তিনি। ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে চলমান টেস্ট সিরিজের স্কোয়াডের মাত্র তিনজন আছেন দলে- কিগান পিটারসেন, ডেভিড বেডিংহ্যাম ও জুবাইর হামজা। এদের মধ্যে হামজা দলে এসেছেন ইনজুরিতে পড়া টেম্বা বাভুমার বদলি হিসেবে। তবে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ টি-টুয়েন্টির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় মূল দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকা। এসএ টি-টুয়েন্টির টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কারণে নিয়মিত অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা, এইডেন মার্করাম, ত্রিস্তান স্টাবস, কাইল ভেরেইনা, মার্কো ইয়ানসেন, উইয়ান মুল্ডার, জেরাল্ড কোয়েৎজি, টনি ডি জর্জি, নান্দ্রে বার্গার, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি ও কেশব মহারাজকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাচ্ছে না প্রোটিয়ারা। আর ডিন এলগার ভারত সিরিজের শেষ টেস্ট খেলেই জাতীয় দলকে বিদায় বলবেন। অভিষেকে নেতৃত্ব পাওয়া নিল ব্র্যান্ড অবশ্য ফার্স্ট ক্লাসে বেশ অভিজ্ঞ। ২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার এখন পর্যন্ত ৫১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬ শতক ও ২০ অর্ধশতকে ২৯০৬ রান করেছেন। গড় ৩৯.২৭। বল হাতেও ৩০.৮১ গড়ে ৭২ উইকেট শিকার করেছেন। ৪ ফেব্রুয়ারি এই সিরিজ মাঠে গড়াবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে জয় দিয়ে শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বক্সিং ডে টেস্টে ভারতকে ইনিংস ও ৩২ রানে হারিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে আছে তারা।  দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট স্কোয়াড : নীল ব্র্যান্ড (অধিনায়ক), ডেভিড বেডিংহ্যাম, রুয়ান দু সোয়াত, ক্লাইড ফোরটান, জুবাইর হামজা, টিশেপো মোরেকি, মিহালি এমপোংওয়ানা, ডুয়ান অলিভিয়ের, ডেন প্যাটারসন, কিগান পিটারসেন, ডেন পিট, রায়নার্ড ভন টন্ডার, শন ফন বার্গ, খায়া জন্ডো।
অভিষেকেই নেতৃত্ব পেয়ে প্রোটিয়া অলরাউন্ডারের ইতিহাস
ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের অস্ট্রেলিয়া দল ঘোষণা
পাকিস্তান সিরিজের পর টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। পার্থ ও মেলবোর্ন টেস্টে ব্যাট হাতে ভালোভাবেই কাটিয়েছেন তিনি, দলও দুই ম্যাচে পেয়েছে জয়ের দেখা। এবার সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শেষবারের মতো ‘ব্যাগি গ্রীন’ ক্যাপ পরতে যাচ্ছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।  আগামী ৩ জানুয়ারি সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান। এই টেস্টের জন্য ১৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। যদিও ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের স্কোয়াডে কোনো পরিবর্তন আনেনি ক্রিকেট বোর্ড। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে টেস্টকেই সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন অর্জন হিসেবে গণ্য করা হয়। আর এই মর্যাদাসম্পন্ন ক্যাপকে ওয়ার্নার বিদায় জানাতে প্রস্তুত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি, আমরা তার ঘরের মাঠ, সিডনিতে অসাধারণ ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচ উদযাপন করতে মুখিয়ে আছি। ইতোমধ্যে প্রথম দুই টেস্ট জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে অজিরা। তবে মেলবোর্ন টেস্টে লড়াই করে হেরেছে পাকিস্তান। একটা সময় তাদের জেতার সুযোগ থাকলেও, অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের বোলিং নৈপুণ্যে ম্যাচ ছিনিয়ে নেয় অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার ১৩ সদস্যের দল : প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, উসমান খাজা, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, মিচেল মার্শ, ট্রাভিস হেড, নাথান লায়ন, মিচেল স্টার্ক, ক্যামেরুন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার), স্কট বোল্যান্ড, জস হ্যাজেলউড। 
ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের অস্ট্রেলিয়া দল ঘোষণা
শান্তর অধিনায়কত্ব নিয়ে যা বললেন হাথুরুসিংহে
ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরেও বছরের শেষটা একেবারেই মন্দ কাটেনি বাংলাদেশের। বিশেষ করে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাদেরই বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ জিতেছে টাইগাররা। এর আগে ঘরের মাঠে কিউইদের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচেও তার অধীনে জয়ের দেখা পায় লাল-সবুজের দল।    তাই নিউজিল্যান্ড সফরের আগে থেকেই অধিনায়ক হিসেবে শান্তকে ভবিষ্যতে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এবার তাসমান পাড়ের দেশে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ এ সমতায় শেষ করার পর বাংলাদেশের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও শান্ত’র নেতৃত্ব নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তার ভাষায়, শান্তর নেতৃত্ব ছিল অসাধারণ।  সিরিজ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাথুরুসিংহে বলেন, ‘এই সিরিজে তারা (বাংলাদেশ) দেখিয়েছে যে তারা মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায়। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে শান্তর নেতৃত্ব, যা অসাধারণ ছিল। টেকটিক্যালি স্পট অন ছিল সে। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বার্তায়ও তাকে খুব পরিষ্কার দেখা গেছে। সতীর্থদের স্পষ্ট করে বলেছে কার কাছে কী চায়।’ অধিনায়ক শান্ত’র ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে হাথুরুসিংহের ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তারা (বিসিবি) বেশ ভালোভাবেই চিন্তা করবে। অবশ্যই এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত। কিন্তু শান্ত যথেষ্ট প্রমাণ রেখেছে, তাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার।’ কিউইদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের সুযোগ থাকলেও, ব্যাটিং ব্যর্থতায় সেটি সম্ভব হয়নি। যদিও এ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন টাইগার কোচ, ‘যদি আমি কিছু বলি, তাহলে নানা জল্পনা তৈরি হবে সত্যি বলতে। এর সঙ্গে সিনিয়রদের এখানে না থাকা কিংবা তাদের অ্যাটিচিউডের কোনো সম্পর্ক নাই। আমার মনে হয় তরুণরা তাদের ক্রিকেটটা উপভোগ করতে চেয়েছে।’ হাথুরু আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় ড্রেসিংরুমের পরিবেশটা বেশ ভালো। কারণ তাদের যোগাযোগটা বেশ স্পষ্ট, যেমন আমি বলেছি শান্তর পক্ষ থেকে। তারা জানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তারা যথেষ্ট ভালো প্লেয়ার। আমার মনে হয় সিরিজে তাদের মনে কোনো ভয় ছিল না। সিরিজের শুরুতেই আমরা বলছিলাম আগে কী করেছি, আমরা তার চেয়ে ভালো করতে চাই। এদিক থেকে এটা খুব সফল একটা সফর।’
শান্তর অধিনায়কত্ব নিয়ে যা বললেন হাথুরুসিংহে
আরও পড়ুন
ডাব প্রতীকের গণসংযোগে ছাত্রলীগের হামলা, সভাপতি-সম্পাদক আটক
‘বইনে বলছিলো, নতুন কথা বলব মানুষ ভোট দেবে’
ঢাকাস্থ মাদারীপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আশুতোষ, সম্পাদক মান্নান
ট্রাক প্রতীকের কর্মীকে প্রাণনাশের হুমকি দিলেন ছাত্রলীগ নেতা