ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিপিএল কাণ্ডে নিজেকে নির্দোষ দাবি এনসিপি নেতা রাকিবুলের

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
এনসিপি নেতা রাকিবুল ইসলাম সানি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর ঘিরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আনা দুর্নীতিবিরোধী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বোর্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা রাকিবুল ইসলাম সানি।

তদন্তে সহযোগিতা করার দাবি করে রাকিবুল বলেছেন, দুর্নীতি বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। একই সঙ্গে পুরো ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা পরিকল্পিতভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা কি না, তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

তিন পৃষ্ঠার লিখিত বিবৃতিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন বগুড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কাউন্সিলর ও বিসিবির নিরীক্ষা কমিটির সাবেক সদস্যসচিব রাকিবুল। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। আমার গোপন করার কিছু নেই এবং দুর্নীতি বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

বিপিএলের সর্বশেষ আসর ঘিরে তদন্তের পর মঙ্গলবার সাবেক বিসিবি পরিচালক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান শামীম, সাবেক নিরাপত্তা সংযোগ কর্মকর্তা জাকির হোসেন এবং রাকিবুলের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধির বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনে বিসিবি। তিনজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর জবাব দেওয়ার জন্য তাদের ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

তবে রাকিবুলের বিরুদ্ধে সরাসরি ম্যাচ ফিক্সিং কিংবা অন্য কাউকে দুর্নীতিতে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়নি। তার বিরুদ্ধে বিধির ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে।

২.৪.৪ ধারায় দুর্নীতিতে জড়ানোর কোনো প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তা দ্রুত নির্ধারিত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাকে না জানানোর অভিযোগ করা হয়েছে। আর ২.৪.৬ ধারায় যথাযথ কারণ ছাড়া তদন্তে সহযোগিতা না করা কিংবা তদন্ত কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুসরণে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

দুটি অভিযোগই অস্বীকার করেছেন রাকিবুল। তার দাবি, দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের ডাকে তিনি তদন্তে উপস্থিত হয়েছেন এবং তাকে করা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি নিজের জানা তথ্য যথাসম্ভব নির্ভুল ও সৎভাবে জানিয়েছেন। এরপরও তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগকে বিস্ময়কর ও ঘটনার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

অভিযোগের সময়কাল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাকিবুল। তার ভাষ্য, বিপিএলের দ্বাদশ আসর শেষ হয় ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি। একই দিনে তিনি বিসিবির নিরীক্ষা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাই বিপিএল চলাকালে দুর্নীতির প্রস্তাব পাওয়া এবং সেটি গোপন করার অভিযোগের সঙ্গে তার দায়িত্ব গ্রহণের সময়কাল কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সাবেক বিসিবি পরিচালক মোখলেসুর রহমান শামীমের সঙ্গে পরিচয় ও যোগাযোগের কথাও স্বীকার করেছেন রাকিবুল। রাজশাহী বিভাগের পরিচালক হিসেবে শামীমের দায়িত্ব পালনের সময় সাংগঠনিক ও পেশাগত কারণে তাদের যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সম্পর্কের সূত্রেই তাকে দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছিল বলেও দাবি তার।

বিসিবি থেকে সরাসরি ও পূর্ণাঙ্গভাবে জানার আগেই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেছেন রাকিবুল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা রাকিবুলের দাবি, বিপিএলের ফিক্সিং ও দুর্নীতিসংক্রান্ত আলোচনায় তার নাম আসায় রাজনৈতিক সংগঠনের ভেতরেও তার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে পুরো ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা পরিকল্পিতভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। তবে প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা পক্ষকে সরাসরি অভিযুক্ত করতে চান না বলেও জানিয়েছেন।

রাকিবুলের মতে, আবেগ, রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক কিংবা অনুমানের ভিত্তিতে নয়—নথি, সময়কাল, তথ্য ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের আলোকে অভিযোগের তদন্ত হওয়া উচিত। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন না করার জন্য সংবাদমাধ্যম ও ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিসিবির অভিযোগের জবাব দেবেন বলে জানিয়েছেন রাকিবুল। তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রচলিত বিধি ও আইন অনুযায়ী নিজের সব অধিকার সংরক্ষণের কথাও বলেছেন তিনি।

এদিকে বিসিবি জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই পর্যায়ে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বোর্ড।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চোখ রাঙাতে থাকে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাট। আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন এবাদত। এরপরও ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানিস্তান। এদিকে জিততে হলে পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। চতুর্থ দিন শেষে ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ফলে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন আব্দুল মালিক। আউট হওয়ার আগে করেন ২ রান। পরের উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন এই দুই ব্যাটার। তবে এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি আফগানরা। বাংলাদেশি পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হন রহমত। আউট হওয়ার আগে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৫১ রান। এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। ১২৬ বলে ৩৫ রানে আতাল ও ২৭ বলে ১৯ রানে হাশমত অপরাজিত থাকেন। এদিকে তৃতীয় দিন শেষ বিকেলের ঝড়ে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ উইকেটে ২২৩ রানে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটনের সঙ্গে নামেন মিরাজ, তখনও তিনি রানের খাতা খোলেননি। এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করেন এবং লিড ছাড়ায় চারশ রানের। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে এক টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বেশ আগ্রাসী ছিলেন তিনি। ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ। এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান হতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। তারপর কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন, ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে। বড় লিড এনে দেওয়ার পথে বড় জুটি গড়েন লিটন-মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে এই দুই ব্যাটার মিলে তোলেন ১৪৯ রান। তাতেই লিডের পাহাড় গড়ে সফরকারীরা। ফিফটি করেই থামেননি লিটন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। এরপর আর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি। ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। ১১৭ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো। এদিকে ফিফটির দেখা পেয়েছেন মিরাজও। তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। তারপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল। আরটিভি/ এসকেডি
শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, ড্রয়ের আশায় আফগানিস্তান
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম শেসনটি টাইগাররা নিজেদের করে নিয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) শেষ বিকেলে ১১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আজ দিনের প্রথম সেশনে আফগানিস্তানের বোলারদের হতাশা উপহার দিয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেট জুটিতে লিড সাড়ে চারশর কাছাকাছি নিয়ে গেছেন তারা।
লিটনের সেঞ্চুরিতে লিডের পাহাড়ে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের ক্লাবে লিটন
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে সাত সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত স্কোয়াডে চমক হিসেবে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাব্বির রহমান। আর দলকে নেতৃত্ব দেবেন আবু হায়দার রনি। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত হংকংয়ের টিন কোয়াং রোড রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ছয় ওভারের এই টুর্নামেন্ট। প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট ১২টি দেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে রনির দল। গ্রুপের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী পর্বে বাংলাদেশের অবস্থান। টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো মূল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে খেলবে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে প্লেট প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে। আর গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর জন্য থাকছে বোল প্রতিযোগিতা। হংকং সিক্সেসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। অভিজ্ঞ সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি দল ঘোষণায় বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে গ্রুপ পর্বে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়া। হংকং সিক্সেসের জন্য বাংলাদেশের সাত সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছেন অধিনায়ক আবু হায়দার রনি, সামিউন বশির, চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, আহরার আমিন, সাব্বির রহমান ও হাবিবুর রহমান সোহান। আরটিভি/এসকে
চমক দিয়ে হংকং সিক্সেসে বাংলাদেশের দল ঘোষণা, ফিরলেন সাব্বির
ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সের চমক
এনামুল হকের চার উইকেট ও আবু জায়েদ রাহির নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে স্মরণীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স।
ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্সের চমক
আরও পড়ুন
অনুমতি ছাড়া অন্য শহরে ভ্রমণ, শাস্তির মুখে বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার
বিসিবির বোর্ড সভা আজ, আসতে পারে যেসব সিদ্ধান্ত
এবার কোচদের বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা বিসিবির
বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ, আরও ২ জনকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি