ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

পাকিস্তান যাচ্ছেন মাহমুদুল্লাহ 

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২০, ১১:১৮ এএম
ছবি- সংগৃহীত

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের। পাকিস্তানে প্রথম দফায় তারই নেতৃত্বে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারে ২-০ ব্যবধানে। দ্বিতীয় দফায় ছিল একটি টেস্ট ম্যাচ। এখানে রিয়াদ অধিনায়ক না থাকলেও ছিলেন দলের সিনিয়র খেলোয়াড়ের ভুমিকায় বড় দায়িত্বে। কিন্তু ব্যর্থ হোন নিজেকে প্রমাণে।

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৫ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে নাসিম শাহ'র হ্যাটট্রিক উইকেট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল্লাহ।

এরপরই গুঞ্জন ওঠে টেস্ট দলে রাখা হচ্ছে না ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যানকে। শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচের দলে রাখা হয়নি তাকে।

সাদা পোশোকে না খেললেও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দলে রয়েছেন তিনি। রোববার সিরিজের প্রথম ম্যাচে খেলেছেন ২৮ বলে ৩২ রানের কার্যকরী ইনিংস।

কদিন আগে গুঞ্জন উঠেছিল পাকিস্তানে তৃতীয় দফার সফরে থাকা একটি ওয়ানডে ও শেষ টেস্টে খেলবেন না অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। নতুন তথ্য হচ্ছে, করাচীতে টেস্টে তিনি না খেললেও নিশ্চিত করেছেন, একমাত্র ওয়ানডেতে অংশ নেবেন পাকিস্তানের বিপক্ষে।

আরটিভি অনলাইনকে তিনি বলেন, টেস্ট সিরিজ চলাকালীন সন্তান সম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকতে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেই ফিরবেন দেশে।

আগামী ৩ এপ্রিল করাচীতে অনুষ্ঠিত হবে একমাত্র ওয়ানডে ম্যাচটি।

ওয়াই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বল্প মেয়াদে ব্যাটিং কোচ নিয়োগ দিতে চায় বিসিবি
চলতি বছরের ২১ আগস্ট বাবার মৃত্যুর কারণে টাইগারদের ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলান আসেননি বাংলাদেশে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে তার ক্যারিয়ার শুরুর আগেই শেষ হয়ে যায়। তার আগে পারিবারিক কারণে ব্যাটিং পরামর্শকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান সাবেক প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান নেইল ম্যাকেঞ্জি। তাই দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাটিং কোচের পদ শূন্য পড়ে আছে। যদিও এই সময়টায় কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলেনি বাংলাদেশ। দীর্ঘ ১০ মাসের বিরতি কাটিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসছে বাংলাদেশ সফরে। রয়েছে ২টি টেস্ট ও ৩টি ওয়ানডে ম্যাচ। তাই এই কম সময়ে দীর্ঘ মেয়াদী কোচ নিয়োগ না দিয়ে বিসিবি হাঁটছে স্বল্প মেয়াদের দিকে। আপাতত তাই শুধু জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ ও মার্চে নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য কোচ নিয়োগ দিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। স্বল্প মেয়াদে টাইগারদের ব্যাটিং কোচ নিয়োগের ব্যপারে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স আকরাম খান সংবাদ মাধ্যমকে, ‘আমরা দীর্ঘ মেয়াদের জন্যই চেষ্টা করছি। এখানে কিছু বিষয় আছে। কোভিড-১৯ আছে তাছাড়া এখানে অনেক দিন থাকতে চায় না। আমরা আলাপ করছি। আশা করি দুই এক দিনের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।’ এই ক্ষেত্রে বিসিবি'র পছন্দের তালিকায় সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার জন লুইস। উইন্ডিজরা সফরে আসার আগেই লুইসের ঢাকা আসার কথাও রয়েছে। এমআর/
স্বল্প মেয়াদে ব্যাটিং কোচ নিয়োগ দিতে চায় বিসিবি
সিডনি টেস্টের আগে ভারতীয় দলে দুঃসংবাদ
একের পর এক পেসার বাদ পড়ছেন দল থেকে। প্রথমে মোহাম্মদ শামি এরপর উমেশ যাদব। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাকি রয়েছে আরও দুই টেস্ট। তার আগে উমেশের বাদ পড়া নিশ্চিতভাবেই ভোগাবে সফরকারীদের। উমেশ চোটে পড়েন মেলবোর্ন টেস্টের তৃতীয় দিনে। দ্বিতীয় ইনিংসের ৩.৩ ওভারের মাথায় ব্যথা পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তার আগে নেন জো বার্নসের উইকেট। যদিও প্রথম ইনিংসে ১২ ওভার করেও পাননি কোনো উইকেট। উমেশের বাদ পড়াতে সফরকারীদের বোলিং আক্রমণ অনেকটা অভিজ্ঞতা শূন্য হয়ে পড়েছে। বাকি রয়েছেন কেবল অভিজ্ঞ জাসপ্রিত বুমরাহ। বুমরাহকে অনেক অভিজ্ঞ বললেও ভুল হবে, খেলেছেন মাত্র ১৬টি টেস্ট। প্রথম ম্যাচে চোটে ছিটকে পড়া শামীর জায়গায় দ্বিতীয় ম্যাচে অভিষেক হয়েছে মোহাম্মদ সিরাজের। এখন উমেশের বিদায়ে দলে যোগ করা হয়েছে নবদিপ সাইনি, শার্দুল ঠাকুরকে ও নেট বোলার হিসেবে দলের সঙ্গে থাকা টি নটরাজনকেও। আগামী ৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সিডনিতে। এরপর ১৫ জানুয়ারি থেকে ব্রিজবেনে শুরু সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টেস্ট। এর আগে অনুষ্ঠিত হওয়া দুই টেস্টের ১টি ভারত ও ১টি অস্ট্রেলিয়া জিতেছে। এমআর/
সিডনি টেস্টের আগে ভারতীয় দলে দুঃসংবাদ
যার হাত ধরে বছরের সবচেয়ে বড় সুসংবাদটি পায় বাংলাদেশ
২০২০ সালকে হতাশা ও বঞ্চনার বছর বলা যায়। বেশিরভাগ সময়টা করোনাভাইরাসের দাপটেই কেটেছে। একের পর এক ক্রীড়া ইভেন্ট হয়েছে বন্ধ। খুব কমই সুসংবাদ রয়েছে বছরটিতে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তিটি ছিল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন। আকবর আলীর ‘আকবর দ্য গ্রেট’ হয়ে ওঠা কোনও গল্প নয়। ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় পুরস্কারটিতো তিনিই এনে দিয়েছেন। রংপুরে বেড়ে ওঠা এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই অপরাজিত থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে ফিরেছিল টাইগার জুনিয়ররা।   চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হয় যু্ব বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। টুর্নামেন্টে চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে অংশ নেয় ১৬টি দল। ‘সি’ গ্রুপে অংশ নেয় বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে জিম্বাবুয়ে ও স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে বড় জয় পায় আকবর আলী নেতৃত্বাধীন দলটি। বৃষ্টির কারণে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি পণ্ড হয়। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার লিগ তথা কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায় বাংলাদেশ।  গ্রুপের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে। বৃষ্টি বিঘ্নিত এই ইনিংসে ২৮.১ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে আফ্রিকার দেশটি সংগ্রহ করে ১৩৭ রান। ডি/এল পদ্ধতিতে টাইগারদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২২ ওভারে ১৩০ রান। জবাবে মাত্র ১১.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান তুলে নেয় লাল-সবুজরা। ৬৪ বল খেলে ৯ উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠে ছাড়ে তারা।  নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে পাত্তাই দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ৮৯ রানে গুটিয়ে যায় স্কটিশরা। ১৬.৪ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় আকবরের দল। গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। ব্যাট হাতে ১০৬ রানে ৯ উইকেট চলে গেলে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগ হয় দুই দলের মধ্যে। কোয়ার্টার ফাইনালে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬১ রান সংগ্রহ করে টাইগার যুবারা। জবাবে ১৫৭ রানেই গুটিয়ে যায় বিশ্বকাপের আয়োজকরা। ১০৪ রানের জয় তুলে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। টাইগার যুবাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সেমিফাইনালে ২১১ রান করতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড। ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৪.১ ওভারে বাংলাদেশ টপকে যায় এই লক্ষ্য। ফলে ৩৫ বল হাতে রেখে ছয় উইকেটে জয় তুলে নেয় তারা।  ৯ ফেব্রুয়ারি ছিল শিরোপার লড়াই। ফাইনালে প্রতিপক্ষ ছিল চারবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত। ২০১৮ সালের শিরোপাধারীরা বাংলাদেশের সামনে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে। এই ম্যাচেও হানা দেয় বৃষ্টি। ৪৬ ওভারে লাল-সবুজের জার্সিধারীদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭০ রান। সহজ লক্ষ্য তুলতে গিয়ে বিপর্যয়ে পড়তে হয় বাংলাদেশকে।  ৬৫ রানে চার উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন অধিনায়ক আকবর। ৭৭ বলে ৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২৩ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে জয়ে শিরোপা লাভ করে বাংলাদেশ। ‘ওই সময়টা কি হয়েছিল সেটার ধারণা নেই। সেটা মনেও করতে পারি না। মাঝে মাঝে যখন ভিডিও দেখি তখন নিজের কাছেই অবাক লাগে। এমনটা সত্যিই করতে পেরেছিলাম। যা হয়েছে তা কল্পনার অতীত।’ স্মৃতীচারণ করে বলছিলেন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক আকবর। ২০২২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসবে যুব বিশ্বকাপের আগামী আসর। এরই মধ্যে প্রস্তুতি শুরু করতে দেখা গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। নতুনদের জন্য বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়কের উপদেশ কি থাকবে? বিনয়ী কন্ঠে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি উপদেশ দেয়ার মতো কেউই নই। বলার সুযোগ থাকলে তাদেরকে জানাবো, ফল নিয়ে না ভাবে শুধু খেলাটা উপভোগ করা। সব পরিকল্পনা ঠিক থাকলে এমনিতেই ভালো ফল আসবে।’ আকবররা বিশ্বকাপ জয় করে দেশে ফিরতেই শুরু হয় করোনা তাণ্ডব। বিশ্বের নানা প্রান্তে থেকে আসতে থাকে মৃত্যুর খবর। মার্চে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। প্রায় সাত মাস পর প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে ক্রিকেটে ফেরে বাংলাদেশ। এরপর বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে মাঠে নামে দেশের ক্রিকেটারর। দুই টুর্নামেন্টেই খেলেছেন আকবর। মাঝে বিসিবি হাইপারফরম্যান্স দলের হয়ে সাদা পোশাকেও অনুশীলন ম্যাচে অংশ নেন। যেখানে ১৬১ বলে ১৩৭ রান তুলেন তিনি। নতুন বছরে ব্যস্ত সূচি থাকছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে। টানা সূচি ও করোনার কারণে বড় দল গঠন করে মাঠে নামানো হবে খেলোয়াড়দের। জাতীয় দলে খেলার সুযোগ আসতে পারে আকবরদেরও। ‘জাতীয় দল নিয়ে ভাবছি না। আপাতত হাইপারফরম্যান্স দলের সঙ্গে আছি। সেখানেই মনোযোগ দিচ্ছি। তারা যেমন নির্দেশনা দিচ্ছেন সেগুলোই পালন করছি। পরিবারের বর্তমানে সঙ্গে রংপুরে অবস্থান করছি। বাসায় ফিটনেস নিয়ে কাজ করছি। ডাক পড়লেই ক্যাম্পে যোগ দিবো।’  ক্রিকেট প্রেমীদের নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি নিজের প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তিনি। আকবর বলেন, ‘সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আশাকরি ২০২১ সালে সবাই মাস্ক খুলে ঘুরতে পারবে। এটাই সবচেয়ে বড় চাওয়া।’ ওয়াই
যার হাত ধরে বছরের সবচেয়ে বড় সুসংবাদটি পায় বাংলাদেশ
একটুর জন্য বেঁচে ফিরলেন আজহারউদ্দিন
তিনটি বিশ্বকাপে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেয়া ভারতের সাবেক অধিনায়ক আজহার উদ্দিনকে হয়তো এতক্ষণে প্রয়াত লেখা হতো। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন। রাজস্থানের সুরওয়ালে ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন তিনি। হাইওয়েতে গাড়ি দুমড়ে মুচড়ে গেলেও বড় আঘাত ছাড়াই প্রাণে বেঁচে যান আজহারউদ্দিন। এ নিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজহারউদ্দিন যাচ্ছিলেন জয়পুর থেকে রনথম্বোরে। যাওয়ার পথে হাই-ওয়েতে হুট করেই চাকা ফেটে উলটে যায় গাড়ি। এতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পড়েন। যদিও অক্ষত রয়েছেন তিনি ও সঙ্গে থাকা একজন আর ড্রাইভার। স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা চন্দ্রাভন সিং হিন্দুস্থান টাইমসকে জানিয়েছেন, দুমড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে সবাই নিরাপদে আছেন। এরপর অন্য একটি গাড়িতে আজহারউদ্দিনকে পাঠানো হয় অনুষ্ঠানে। এমআর/
একটুর জন্য বেঁচে ফিরলেন আজহারউদ্দিন
এ কেমন কাণ্ড ইয়াসির শাহ’র!
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে হারের পর আলোচনা বেশি হচ্ছে ইয়াসির শাহকে নিয়ে। হারের কারণ ইয়াসির না হলেও এই লেগ স্পিনার যা ঘটিয়েছেন তাতে সমালোচনা হচ্ছে বেশ। ম্যাচ চলাকালীন এক ভক্তকে দিয়ে দিয়েছেন টেস্ট ক্যাপ! ম্যাচ চলাকালীন দেখা যায়, ওই সমর্থক ইয়াসির শাহকে উদ্দেশ্য করে এগিয়ে আসলে ইয়াসির দৌড়ে গিয়ে ক্যাপটা ছুঁড়ে মারেন। ক্যাপ পেয়ে ভড়কে যান ওই তরুণ। বন্ধুরা তার সঙ্গে আসেন ছবি তুলতে। হয়তো নাম না জানা ওই সমর্থক ভাবছিলেন, এটা কী করে সম্ভব! বাংলাদেশ দলের উইকেট-রক্ষক, ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের টেস্ট ক্যাপটার সবুজ রঙ উঠে অনেকটা ছাই রঙ হয়ে গেলেও সেটার প্রতি ভালোবাসা কমেনি। বলেছিলেন, এই ক্যাপটা অনেক গৌরবের। যেমনটা স্টিভ ওয়াহ, রিকি পন্টিংরা অভিষেক ক্যাপের রঙ জ্বলে গেলেও বদলাননি গৌরবান্বিত টেস্ট ক্যাপ। ইয়াসির শাহ্‌র এমন কাণ্ডে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে হাসির রোল যেমন লেগেছে তেমনই সমালোচনাও হচ্ছে বেশ। কিউই ক্রিকেটার জিমি নিশাম টুইট করেছেন, এটা অসম্ভব! পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ মনে করেন, এটা একদমই উচিৎ করেনি ইয়াসির শাহ। এমআর/
এ কেমন কাণ্ড ইয়াসির শাহ’র!
আরও পড়ুন
টি-টোয়েন্টির পর টেস্ট অধিনায়কও করোনায় আক্রান্ত
ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা
বাবা-মাকে ভালোবাসতে কোনও দিবস লাগে না: মাহমুদুল্লাহ
দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন মাহমুদউল্লাহ