
ফুটবলে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন হ্যারি কেইন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এবারের ব্যালন ডি’অরের দৌড়েও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি লিওনেল মেসির বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতাও তার ক্যারিয়ারের স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে আছে।
গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড। মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরে মেসির অ্যাসিস্টে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আলবিসেলেস্তেরা।
সেই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করে মার্কাকে কেইন বলেন, স্পষ্টতই সেদিনটি আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। ওভাবে বাদ পড়ার মুহূর্তটি ছিল কষ্টের। কিন্তু মেসির প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা। আমি তাকে একজন ফুটবলার হিসেবে বেড়ে উঠতে দেখেছি।
মেসির ব্যক্তিত্বেরও প্রশংসা করেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। কেইনের ভাষায়, আমি মনে করি, মেসি এক কথায় অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। যারা তাকে চেনেন, তারা আমাকে বলেছেন, সে একজন চমৎকার ব্যক্তিও। তার বিপক্ষে মাত্র দুইবার খেলেছি, কিন্তু আমার কাছে তাকে খুবই বিনয়ী একজন মানুষ মনে হয়েছে। সে সবসময় নিজের চেয়ে দলকে এগিয়ে রাখে।
আর্জেন্টিনার সাফল্যের পেছনেও মেসির এই মানসিকতাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন কেইন। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আর্জেন্টিনা যে সাফল্য অর্জন করেছে, এটিও তার অন্যতম কারণ।
হারের পর মেসিকে অভিনন্দন জানানোর কথাও স্মরণ করেছেন কেইন। তিনি বলেন, ওই দিনের কথা মনে আছে। আমি তাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম এবং ফাইনালের জন্য শুভকামনা জানিয়েছিলাম। বিশ্বকাপ শেষ পর্যন্ত আমাদের ভাগ্যে ছিল না।
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতাও তুলে ধরেন কেইন। তার মতে, এটাই বিশ্বকাপের প্রকৃতি। বড় মঞ্চে সেরা খেলোয়াড়রা মুখোমুখি হবে এবং অবশ্যই এক পক্ষকে সবসময় হারতে হবে।
পরাজয়ের পরও প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন বলে জানান ইংলিশ অধিনায়ক। কেইন বলেন, সেদিন এবং হারের পরেও আমি মাথা উঁচু করে রাখার এবং প্রতিপক্ষ দলকে সম্মান দেখানোর চেষ্টা করেছিলাম। আমার মনে হয়, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, বিশেষ করে মেসির প্রতি কারণ ফুটবলে বহু বছর ধরে তিনি যা দিয়ে এসেছেন।
আরটিভি/এসকে



