
গত মাসে ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষেক করেছেন ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তিনি নিজের প্রথম গোলও করেছিলেন। এবার ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এই ইংলিশ ফুটবলার।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় ফারহানের।
২০১৯ সাল থেকে ফুলহামের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় জনি হেইনেসের নামে বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড়দের পুরষ্কৃত করছে ক্লাবটি। ফুলহামের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের সম্মিলিত ভোটাভুটির মাধ্যমে একাডেমি থেকে উঠে আসা ফুটবলারকে ‘জনি হেইনেস ট্রফি’ দেওয়া হয়।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফুলহাম জানিয়েছে, ক্লাব আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে, ফারহান আলী ওয়াহিদ ২০২৬ জনি হেইনেস ট্রফি বিজয়ী।’
নিজের অনুভূতি জানিয়ে বাংলাদেশের এই ফুটবলার বলেন, এ পুরস্কারের জন্য সতীর্থদের ভোট পাওয়াটা দারুণ ব্যাপার, অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি। সতীর্থদের ছাড়া আমি এটি অর্জন করতে পারতাম না। তারাই মানদণ্ড ঠিক করে দেয়, অনুপ্রেরণা জোগায় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, যা আমাকে ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। অতীতে যারা এই ট্রফি জিতেছে, তাদের নামের তালিকায় তাকালে বোঝা যায় এটি কত বিশেষ এক অর্জন।
বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু নিয়েও উচ্ছ্বসিত ফারহান। তার ভাষ্য, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য সত্যিই দারুণ এক ব্যাপার ছিল। এটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি মুহূর্ত এবং দলের হয়ে একটি গোল করতে পেরে আমি আনন্দিত।
তিনি আরও বলেন, প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের সামনে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গোল করেছি, আর স্টেডিয়ামের পরিবেশ এই অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ অন্য রকম এক উচ্চতায় নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ফারহারের শিকড়টা বাংলাদেশের সিলেটে প্রোথিত। যদিও তার বাবা-মা দুজনেরই জন্ম যুক্তরাজ্যে। ফারহানেরও সেখানেই জন্ম, ২০০৬ সালের ৯ ডিসেম্বর। চেলসির একাডেমিতে ফুটবলের প্রাথমিক পাঠ সেরে তিনি ২০১৯ সালে ফুলহামে পাড়ি জমান।
ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ ছিল ফারহানের। একইসঙ্গে বাংলাদেশও তাকে জাতীয় দলে টানার প্রক্রিয়া শুরু করে গত মে মাসে। তিনি বেছে নেন নাড়ি পোতা লাল-সবুজের দেশকে।
আরটিভি/এসআর




