ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:১০ এএম

ঘন কুয়াশার কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

শনিবার ভোর রাত ৪ টা থেকে এ ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় শিমুলিয়া ঘাটে ছোট-বড় প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি (সহকারী ব্যবস্থাপক) প্রফুল্ল চন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘন কুয়াশার কারণে আজ ভোর রাত ৪ টা থেকে এ ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শিমুলিয়া ঘাটে ছোট-বড় প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক গাড়ি রয়েছে পারাপারের অপেক্ষায়। কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে।

এজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালেই সূর্য উঠেছে পঞ্চগড়ে
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত। গেল তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার পর আজ বেড়েছে। মঙ্গলবার সকাল ছয়টায় তেতুঁলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গেল সাতদিন ধরে ভোর হতে ঘন কুয়াশা থাকলেও আজ কোনও কুয়াশা নেই। সকাল থেকে সূর্যের আলো ছড়িয়েছে আকাশে। তবে সূর্যের দেখা মিললেও রোদের তীব্রতা নেই। মঙ্গলবার তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিসের  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, সকাল নয়টায় সর্বনিম্ন  তাপমাত্রা ছিল ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসা পথচারী এবং নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাস্তা-ঘাটে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা। উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাসে গা হিম হয়ে আসে। লেপ ও কম্বল ছাড়া ঘুমানো যায় না। অনেকেই রাত কিংবা ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেন। এছাড়া শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করায় জেলার হাসপাতালগুলোতে দিন দিন শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে দরিদ্র শীতার্তদের জন্য প্রথম দফায় প্রায় ৪০ হাজার শীতবস্ত্র পঞ্চগড়ের পাঁচটি উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।  জেবি/পি
সকালেই সূর্য উঠেছে পঞ্চগড়ে
তেতুঁলিয়ায় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত।  গেল তিন দিন পর আজ তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। সোমবার  সকাল নয়টায় তেতুঁলিয়ায় দেশের  সর্বনিম্ন তাপমাত্রা  পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস  রেকর্ড করা হয়েছে। হাড়কাপাঁনো শীত অনুভব করছে পঞ্চগড়বাসী। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত প্রচণ্ড শীত।  আবার ভোর হতে শুরু হয় ঘন কুয়াশা কনকনে শীত। বাতাস রয়েছে পঞ্চগড়ের আবহাওয়ায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ থেকে ১৭ ডিগ্রিতে।  দিনে কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও রোদের তীব্রতা নেই। সোমবার তেতুঁলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে জানান,  সকাল ছয়টায় পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন  তাপমাত্রা ৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আশপাশের জেলাগুলোতেও তাপমাত্রা কমেছে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে এখন তীব্র শৈত্যপ্রবাহ চলছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মাঝারি ও তীব্র  শৈত্যপ্রবাহ  বয়ে যাবে বলে জানায় তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিস। পথচারী এবং নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাস্তাঘাটে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার  জন্য যানবাহন চলতে সমস্যা হচ্ছে। দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলছে। উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাসে গা হিম হয়ে আসে। লেপ ও কম্বল ছাড়া ঘুমানো যায় না। অনেকেই রাত কিংবা ভোরে খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেন। এছাড়া শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করায় জেলার হাসপাতালগুলোতে দিন দিন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে দরিদ্র শীতার্তদের জন্য প্রথম দফায় প্রায় ৩০ হাজার শীতবস্ত্র পঞ্চগড়ের পাঁচটি উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে।  চাহিদার তুলনায় যা অপ্রতুল। পঞ্চগড়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার পাথর শ্রমিক আছে। প্রায় দুই লাখ ছিন্নমূল দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষ আছে। এখনও পঞ্চগড়ের সকল দুঃস্থ অসহায় ছিন্নমূল মানুষেরা শীতবস্ত্র পায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। জেবি
তেতুঁলিয়ায় তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
শীতে কাঁপছে গাইবান্ধার মানুষ
গাইবান্ধা জেলায় শীতের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। শনিবার দুপুর দুইটার পর সূর্যের মুখ দেখা গেলেও সূর্য কিরণের কোনও উত্তাপ ছিল না। হালকা কুয়াশার চাদর ছড়িয়ে ছিল এবং সেইসঙ্গে বইছিল হিমেল হাওয়া দিনভর। তীব্র ঠাণ্ডায় কৃষক জমিতে কাজ করতে পারছে না। এদিকে অব্যাহত ঘন কুয়াশা ও রোদ না থাকায় কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছে সরিষা ও বোরো ধানের চারা। হলুদ হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের চারা, ঝরে পড়ছে সরিষার ফুল। এই প্রচণ্ড শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে কোল্ড ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, হাঁপানি রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীতবস্ত্রের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ছিন্নমূল মানুষেরা গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে ব্রহ্মপুত্র-যমুনাসহ অন্য নদ-নদীতে নৌচলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে মূল ভূমির সঙ্গে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে নৌচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘন কুয়াশার কারণে অনেকে দিনের বেলায় গাড়ির হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ফলে চরাঞ্চলের মানুষরা যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়ে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সন্ধ্যার পর খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা যায় শহর-বন্দরে। শীতের কবল থেকে রক্ষা পেতে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত দুইজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। জেবি/পি
শীতে কাঁপছে গাইবান্ধার মানুষ
তীব্র শীতে কাবু হিলিবাসী
হিমেল হাওয়া ও তীব্র শীতে কাঁপছে উত্তরের জনপদ দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত এলাকার খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ। অন্যদিকে ঘন কুয়াশায় বোরো বীজতলায় ক্লোড ইনজুরির আশঙ্কা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে। লোকসংখ্যা অনুযায়ী সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র এই এলাকার জন্য অপ্রতুল। এখন পর্যন্ত সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় সরকারিভাবে  শীতবস্ত্র হিসেবে প্রায় ১৪শ’ কম্বল বিতরণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। তবে এবার চোখে পড়ছে না বেসরকারি সংস্থাগুলোর শীতবস্ত্র বিতরণের কার্যক্রম। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কারণে সকাল থেকে রাস্তাগুলোতে দেখা মিলছে না খেটে খাওয়া ও বিভিন্ন পেশার মানুষদের। শীত নিবারণে খড়কুটা জ্বালিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। শুক্রবার হিলির আকাশে দেখা যায়নি সূর্য। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কথা হয় রিকশাচালক ইমারানের সঙ্গে। তিনি জানান, প্রচণ্ড শীত ও হিমেল হাওয়ার কারণে সকাল থেকে মানুষজন রাস্তায় বের হয়নি। আমাদেরও ভাড়া নেই। এখন পর্যন্ত একটি টাকাও উপার্জন করতে পারিনি। এভাবে শীত আরও বাড়লে আমাদের কষ্ট আরও বাড়বে। উপার্জন করতে না পারলে সংসার কীভাবে চলবে? এদিকে কথা হয় স্থানীয় কৃষক মাসুদ, সামসুর ও নাজমুলের সঙ্গে। তারা জানান, এভাবে শীতের তীব্রতা বাড়লে আমাদের ফসলের অনেক ক্ষতি হবে। এরকম ঘন কুয়াশা আর দুই একদিন থাকলে বোরো বীজতলা ক্লোড ইনজুরিতে পড়তে পারে। এছাড়াও আমাদের আলু, সরিষার ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেবি
তীব্র শীতে কাবু হিলিবাসী
শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে হালকা বৃষ্টি যশোরে
যশোরে টানা এক সপ্তাহ ধরে শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। যা আজও অব্যাহত রয়েছে। কুয়াশা এবং গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শৈত্যপ্রবাহকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা বেশি থাকলেও তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। যশোর বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রিত আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে যশোরের তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টি হয়েছে ১৪ মিলিমিটার। বৃষ্টিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে। কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে আসছেন না কেউ। জেবি
শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে হালকা বৃষ্টি যশোরে
আরও পড়ুন
ভারতে ঘন কুয়াশার কারণে গাড়ি খালে, নিহত ৬
পাটুরিয়ায় ১১ ঘণ্টা ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ
তীব্র শীতে দুর্ভোগে তিস্তা-ধরলা পাড়ের মানুষ
শৈত্যপ্রবাহে পাবনায় জনজীবনে দুর্ভোগ