ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

হারিয়ে যাচ্ছে ‘ম্যাজিক চার্জার’, স্মৃতিতে এক প্রজন্মের প্রযুক্তি-নস্টালজিয়া

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

একসময় মোবাইল ফোনের ব্যাটারি চার্জ দিতে ফোনের প্রয়োজনই হতো না। ফোন থেকে ব্যাটারি খুলে আলাদা করে বসিয়ে দিতে হতো একটি বিশেষ চার্জারে। কারও কাছে এটি ‘অটো চার্জার’, আবার কারও কাছে পরিচিত ছিল ‘ম্যাজিক চার্জার’ নামে। স্মার্টফোন ও ফাস্ট চার্জিংয়ের যুগে সেই যন্ত্র এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

পুরোনো দিনের এই চার্জারে ব্যাটারি বসানো ছিল অনেকটা ছোটখাটো বিজ্ঞান পরীক্ষার মতো। ব্যাটারির দুই প্রান্ত চার্জারের পিনের সঙ্গে ঠিকভাবে মেলাতে হতো। সংযোগ ঠিক হলে জ্বলে উঠত লাল কিংবা সবুজ এলইডি। সেই আলো দেখেই নিশ্চিত হওয়া যেত, ব্যাটারি ঠিকভাবে চার্জ হচ্ছে।

এ ধরনের চার্জারে বিভিন্ন ধরনের রিচার্জেবল ব্যাটারি ব্যবহার করা হতো। একসময় নিকেল-ক্যাডমিয়াম (Ni-Cd) ও নিকেল-মেটাল হাইড্রাইড (Ni-MH) ব্যাটারির ব্যবহার বেশি ছিল। পরবর্তী সময়ে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। চার্জ দেওয়ার সময় বৈদ্যুতিক শক্তি রাসায়নিক শক্তি হিসেবে ব্যাটারিতে সঞ্চিত হতো। আর ফোন ব্যবহারের সময় সেই শক্তিই আবার বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপ নিয়ে ফোন চালাত।

তবে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে বদলে গেছে ব্যাটারি ও চার্জিংয়ের ব্যবস্থাও। বর্তমানে স্মার্টফোনে সাধারণত বিল্ট-ইন লিথিয়াম-আয়ন বা লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। ইউএসবি-সি কেবল সংযুক্ত করলেই শুরু হয়ে যায় চার্জিং। ব্যাটারি খুলে আলাদা করে চার্জারে বসানোর প্রয়োজন হয় না। পাশাপাশি আধুনিক চার্জিং প্রযুক্তিতে ভোল্টেজ, কারেন্ট ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মতো নানা নিরাপত্তাব্যবস্থাও যুক্ত হয়েছে।

একসময় ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল নানা ছোটখাটো দুশ্চিন্তা চার্জার ঠিক আছে কি না, ব্যাটারির পিন ঠিকমতো মিলেছে কি না, এলইডি জ্বলছে কি না। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফোনে ব্যাটারি লাগিয়ে চালু করার সেই অভিজ্ঞতাও ছিল আলাদা।

আজকের দিনে কয়েক মিনিটেই ফোনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চার্জ পাওয়া যায়। প্রযুক্তি যত আধুনিক হয়েছে, ততই হারিয়ে গেছে পুরোনো অনেক যন্ত্র। সেই তালিকায় ‘ম্যাজিক চার্জার’ও এখন একপ্রকার স্মৃতি।

তবে পুরোনো এই চার্জার শুধু একটি প্রযুক্তি পণ্য নয়। এটি একটি সময়ের সাক্ষী যে সময়ে মোবাইল ফোন ছিল নতুন প্রযুক্তির বিস্ময়, আর ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ছোট্ট প্রক্রিয়াটিও হয়ে উঠেছিল দৈনন্দিন জীবনের এক বিশেষ অভিজ্ঞতা। এক প্রজন্মের কাছে তাই ‘ম্যাজিক চার্জার’ মানেই প্রযুক্তির শৈশবের এক টুকরো নস্টালজিয়া।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এআইয়ের কারণে একদিনে ৫০০ বিলিয়ন ডলার হারাল গুগল!
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সার্চ প্রযুক্তির প্রভাবে বিজ্ঞাপন থেকে আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কায় বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারমূল্য ১২ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় একদিনে বাজারমূল্য থেকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হারিয়েছে তারা। বুধবার প্রকাশিত তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে অ্যালফাবেট জানায়, সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত তিন মাসে তাদের আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়ে ১২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে বিজ্ঞাপন খাতে প্রত্যাশার তুলনায় কম আয় বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে। অ্যালফাবেটের প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা ফিলিপ শিন্ডলার জানান, গুগলের এআই মোড প্রচলিত সার্চের বিজ্ঞাপন আয়ে প্রভাব ফেলছে। এই প্রযুক্তিতে ব্যবহারকারীরা কথোপকথনের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর পান। ফলে প্রচলিত সার্চ ফলাফলের পাশে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন থেকে আয় কমছে। এর প্রভাবে বুধবারের ৩ দশমিক ৯৭ ট্রিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য বৃহস্পতিবার কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন ডলারে। বিশ্লেষকদের মতে, এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসার আয় ধরে রাখাই এখন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় চ্যালেঞ্জ। এদিকে এআই খাতে ব্যয় বাড়িয়েছে অ্যামাজন ও মাইক্রোসফটও। অ্যামাজনের শেয়ার ৬ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে মাইক্রোসফটের শেয়ার কমেছে ১ শতাংশেরও কম। বিশ্লেষকদের মতে, এআই থেকে শেষ পর্যন্ত কতটা আর্থিক সুফল পাওয়া যাবে, তা নিয়েই এখন বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে। আরটিভি/এসআর
এআইয়ের কারণে একদিনে ৫০০ বিলিয়ন ডলার হারাল গুগল!
প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে ওঠে পৃথিবী, ৬০ বছরেও হয়নি অজানা রহস্যের সমাধান
পৃথিবীতে প্রতি ২৬ সেকেন্ড পরপর ঘটে মৃদু এক ধরনের ভূকম্পন। কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীরা এই রহস্য নিয়ে গবেষণা করলেও এখনো এর সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে বের করতে পারেননি।
প্রতি ২৬ সেকেন্ডে কেন কেঁপে ওঠে পৃথিবী, ৬০ বছরেও হয়নি অজানা রহস্যের সমাধান
অপতথ্য মোকাবিলায় সচেতনতার বিকল্প নেই: জাহেদ উর রহমান
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অপতথ্য, ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবিলায় গণমাধ্যম ও ডিজিটাল বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
অপতথ্য মোকাবিলায় সচেতনতার বিকল্প নেই: জাহেদ উর রহমান
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে শহর থেকে গ্রামকে ডিজিটাল সংযোগের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে এআই হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রামে নতুন নিয়ম, সমস্যায় পড়তে পারেন যেসব ব্যবহারকারী
প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, মেসেজিং অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল সিম বা ই-সিম ফোনে সক্রিয় রাখা বাধ্যতামূলক হতে পারে। এতে নিবন্ধিত সিম ছাড়া এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়তে পারেন।
হোয়াটসঅ্যাপ-টেলিগ্রামে নতুন নিয়ম, সমস্যায় পড়তে পারেন যেসব ব্যবহারকারী