ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘মেয়েটাকে হত্যা করা হয়েছে, আমরা বিচারের জন্য ঘুরছি’—ফিমার মায়ের কান্না

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে ফিমার পরিবার ও স্বজনরা। ছবি: সৌজন্য

ঢাকার আজিমপুরে চাঞ্চল্যকর তাহিয়া তাসনিম ফিমা (১৯) হত্যা মামলার আসামি কাজী সাগরসহ দায়ীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য দেন ফিমার বাবা মো. তাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

হত্যাকাণ্ডের শিকার ফিমার বাবা তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের পর আমার মেয়েটি কখনও ভালো ছিল না। ওর স্বামী আগেও গায়ে হাত তুলেছে, নির্যাতন করেছে। ফিমা ওর মায়ের কাছে সেই নির্যাতনের কথাও জানিয়েছিল। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম, নতুন পরিবেশ, নতুন জীবন, কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার মেয়েটিকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হলো।

003

তিনি বলেন, একটা কথা বলা জরুরি, আমার মেয়েটাকে হত্যা করা হয়েছে; কিন্তু আমি শুধু ফিমার জন্য আজ এখানে দাঁড়াইনি। দাঁড়িয়েছি অন্য ফিমাদের জন্যও, যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে এবং যাদের পরিবার সেই হত্যার ন্যায় বিচার পাননি। আমি সেই সকল পিতামাতার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, যারা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন কারণ কোনো না কোনোভাবে আমাদের পুলিশ এবং বিচার ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে।

002

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ, পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা এবং সর্বোপরি সরকারের কাছে অনুরোধ করছি ফিমা হত্যকাণ্ডের বিচার যেন দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়। আসামির যখন দোষী সাব্যস্ত হয়, তখন যেন সর্বোচ্চ দণ্ড দেওয়া হয়। আমি চাই যে কাজী সাগর এমন দণ্ড পাক, যা একটি বার্তা দেয় যে বাংলাদেশে নারী হত্যার কোনো সহনশীলতা নেই।’

আরও পড়ুন

‘আমাদের বিচার প্রক্রিয়া গতিশীল করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতার মামলাগুলো পুলিশকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে, আদালতকে বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে। রাষ্ট্রকে এখন নিশ্চিত করতে হবে যেন নারীদের জীবন এবং নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পায়,’ যোগ করেন তিনি।

মানববন্ধনে ফিমার মা রিনা ইয়াসমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়েটিকে হত্যা করা হলো, তারপর থেকে আমরা থানার বারান্দায় ঘুরছি। কিন্তু চার্জশিট দিতে গড়িমসি করেছে পুলিশ। এটা এমন একটা হত্যাকাণ্ড যার সমস্ত আলামত রয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজেও সব স্পষ্ট, ময়নাতদন্তেও হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারপরও কেন এত দেরি হলো? আসলে মামলাটিকে প্রভাবিত করার সব চেষ্টাই করছে আসামিপক্ষ। এখন আদালতের কাছে আমি দ্রুত এই ঘটনার বিচার চাই।’

004

‘আমার সন্তান হত্যার বিচার যেন আটকে না থাকে এবং আমাদের মতো কেউ যেন স্বজনহারা না হয়, তাই আমরা মানববন্ধন করে দ্রুত এই হত্যাকারীর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি,’ বলেন তিনি।

এদিকে এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. সয়দুজ্জামান জানান, গত ২৬ জুন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে ভুক্তভোগী ফিমাকে নির্যাতন ও গলাটিপে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। আসামি সাগরের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এখন বাকিটা আদালতের বিষয়।

001

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২০ মার্চ রাতে ঢাকার আজিমপুরের বিসি দাস স্ট্রিটের একটি বাসা থেকে তাহিয়া তাসনিম ওরফে ফিমার (১৯) ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনার পর থেকেই ফিমার স্বামী কাজী সাগর আত্মগোপন করে। বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীর সাক্ষ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ও ফিমার পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সাগরের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে ফিমার বাবা তাজুল ইসলাম কাজী সাগরকে একমাত্র আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। কাজী সাগরের বাবা কাজী মনিরুল হক ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার বানা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান।

পরবর্তীতে ২৭ মার্চ ভারতের নদীয়া জেলার গাংনাপুর থানা এলাকায় কাজী সাগর, তার বাবা কাজী মনিরুল হক এবং সাগরের মামা জাফর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় পুলিশ। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ দিন কারাগারে থাকার পর তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ফিমার পরিবারের অভিযোগ, দেশে ফেরার পর কাজী সাগর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে গোপনে বসবাস করছেন এবং এখন পর্যন্ত তাকে কারাগারে যেতে হয়নি।

এ অবস্থায় ফিমার পরিবার দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাড়ি চাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু / চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান (২৪)। দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার উঠে যায় সেই ফুটপাতে। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহেদী। দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটকও করেছিলেন উপস্থিত লোকজন।  পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নিলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি।  মামলায় গাড়িটির চালক হিসেবে আকাশ মারক (৪৪) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি কে চালাচ্ছিল এবং চালকের আসনে থাকা কিশোরকে আটক করার পরও কেন তাঁকে মামলায় আসামি করা হলো না। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মেহেদী হাসানের বাড়ি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় গ্রামে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকেলে ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে তাঁকে চাপা দেয়। আশপাশের লোকজন ছুটে এসে গাড়ির নিচ থেকে মেহেদীর রক্তাক্ত দেহ বের করে আনেন।  পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকতাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদীর ইসলাম (২৮) বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলার ওই কিশোরের নাম উল্লেখ না করার বিষয়ে মোক্তাদীর ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা এক কিশোরকে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশও তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের ভাষ্য, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে যাতে ওই কিশোর ‘মবের শিকার’ না হয়, সে জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে তার চাচার জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গুলশান থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোর ঢাকার গুলশান এলাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী। তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ক্যাপ্টেন। আর দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কারটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। গাড়িটির চালকের আসনে কিশোরটি থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজেও। সিসি ক্যামেরার ওই ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেওয়ার পর প্রাইভেট কারটি একটি সড়কবাতির পোস্টে লেগে থেমে যায়। এরপর গাড়ি থেকে দুই ব্যক্তি নেমে আসেন। গাড়ির ডান পাশ অর্থাৎ চালকের আসন থেকে কালো টি-শার্ট পরা কিশোরকে নামতে দেখা যায়। গাড়ির অপর পাশ থেকে নামেন শার্ট পরা মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি। আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুজনই গাড়ির পাশে অবস্থান নেন।  পরে কিশোরটিকে সেখান থেকে একদিকে সরে যেতে দেখা যায়। পরে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেন ক্ষুব্ধ লোকজন। কিন্তু এ ঘটনায় করা মামলায় ওই কিশোরের নাম নেই। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গাড়িটির চালক আকাশ মারক (৪৪) বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে মেহেদীকে চাপা দেন। এতে তাঁর মাথা, বুক ও পিঠে গুরুতর জখম হয় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ বলছে, আকাশ মারক ঘটনার পর থেকে পলাতক। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। ওই কিশোরের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘নিহত মেহেদীর বড় ভাই গাড়িটির চালক আকাশ মারকের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। ওই কিশোরের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। আরটিভি/এসআর  
চালককে পুলিশে দিলেও মামলায় আসামি করা হয়েছে আরেকজনকে
চিকিৎসক সেজে রোগী ভাগানোর সময় নারী আটক
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে শারমিন আক্তার (৩৪) নামে এক নারীকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. সাদেক হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অভিযান চালায়। আনসার সদস্যরা ৩১৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় শারমিন আক্তারকে দেখতে পান। তার পরিচয় ও হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে নিজেকে চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে তিনি জানান, তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। আনসারের ভাষ্য, শারমিন চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় তিনি চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে আনসার সদস্যরা নজরদারি বাড়িয়ে তাকে আটক করেন। অভিযানে পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চু, এপিসি মো. শফিকুল ইসলাম ও আনসার মো. আকিদুল ইসলাম অংশ নেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শারমিনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। দালালি, প্রতারণা কিংবা রোগীদের বিভ্রান্ত করে অন্যত্র নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও তারা সতর্ক রয়েছেন। আরটিভি/এসআর
চিকিৎসক সেজে রোগী ভাগানোর সময় নারী আটক
দুই দিন ধরে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সাহারা!
রাজধানীর কুড়িল চৌরাস্তা এলাকা থেকে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তার পরিবারের সদস্যরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদের। তিনি জানান, জিডিটি প্রথমে অন্য এক কর্মকর্তার কাছে ছিল। পরে তিনি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন। ইতিমধ্যে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বিষয়ে দেশের সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। কোথাও তার সন্ধান পাওয়া গেলে পুলিশকে জানাতে বলা হয়েছে। এসআই আব্দুল কাদের আরও জানান, ওই শিক্ষার্থী কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করত না। ফলে তার অবস্থান শনাক্তে কিছুটা জটিলতা রয়েছে। তবে সে তার মা কিংবা পরিবারের অন্য কারও ফোন ব্যবহার করে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কি না, তা জানতে কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) চাওয়া হয়েছে। সিডিআর পাওয়া গেলে সেখান থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা যাচাই করা হবে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী জোয়ার সাহারা জসীমউদ্দীন ইনস্টিটিউটের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন আগে পড়াশোনা নিয়ে তার বাবা বকাঝকা করেন। এরপর গত সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যায় সে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার ভাটারা থানায় জিডি করেন। নিখোঁজ কিশোরীর ভাই জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় তার বোনের সঙ্গে কোনো মোবাইল ফোন ছিল না। বাসা থেকে বের হওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে। সে কোনো স্বর্ণালংকার বা টাকা-পয়সাও সঙ্গে নেয়নি। ওই কিশোরীর কারও সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না জানতে চাইলে তার ভাই বলেন, এ বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই। আরটিভি/এসআর  
দুই দিন ধরে নিখোঁজ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সাহারা!
মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার আত্মগোপনে থাকা সাবেক এমপি
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন ডিসি বদলি
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির উপ-কমিশনার (সদর দফতর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন ডিসি বদলি
আরও পড়ুন
বোনকে ফিরে পেতে খুবি শিক্ষার্থীর আকুতি
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
চুয়াডাঙ্গায় আট দাবিতে ট্রেন আটকে মানববন্ধন
চুরি-ডাকাতি ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে শিবগঞ্জে এলাকাবাসীর মানববন্ধন