ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সম্প্রতি নগর ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা ওই এলাকার মধ্যেই চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় গিয়ে যাতে যানজট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজন অনুযায়ী দিন ও সড়কভিত্তিক চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

তিনি বলেন, রিকশার সমস্যাটা কোত্থেকে আসলো, কীভাবে আসলো- সেটা বের করে সমাধান করতে হবে। এই সমস্যাটাও আমাদেরই, আমাদেরই সমাধান করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকেই সমাধান করতে হবে।

আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তায় বর্তমানে এদিক-সেদিক, উল্টো দিকসহ বিভিন্নভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এসব রিকশা চালকদের অনেকেই ট্রাফিক আইন ও চলাচলের শৃঙ্খলা মানছে না। ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে অযাচিত যানজট আরও বাড়ছে।

রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বন্যা, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় এসে ফুটপাত ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান নিচ্ছে।

কেউ রিকশা চালাচ্ছে, আবার কেউ ভ্যান নিয়ে সবজি বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করছে। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষের ঢাকামুখী প্রবেশ নগরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশের মানুষকে কি আমরা ঢাকা শহরে জায়গা দিতে পারব? এটাও তো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ কারণে রিকশা ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা ঢাকায় প্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে। এসব রিকশাকে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। এজন্য ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, ডেমরার একটা রিকশা কোনোভাবেই নিউ মার্কেটে যেতে পারবে না। অঞ্চলভিত্তিক আমরা ভাগ করে দেব। ভাগ করে দিয়ে তাদেরকে হয়তো দিনও ভাগ করে দেব। কিছু কিছু রাস্তা ভাগ করে দেব, কিছু কিছু রাস্তায় যাতে তারা একেবারেই চলাচল করতে না পারে-সেই জায়গাটা ঠিক করে দেব।

তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ঢাকা শহরে রিকশা চালাতে পারবে না। কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে চলাচল করা কিংবা ডেমরা থেকে নদী পার হয়ে রিকশা নিয়ে অন্য এলাকায় চলে আসার কোন সুযোগ থাকবে না। একইভাবে উত্তর সিটির রিকশাও নির্বিচারে এই এলাকায় চলাচল করতে পারবে না।

আব্দুস সালাম বলেন, আমরা অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে দেব। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আমরা এই বিষয়টিকে একটি পদ্ধতির মধ্যে আনতে চাই। সেটার জন্য তো কিছুটা সময় লাগবে এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আইন প্রণয়ন করে সিটি কর্পোরেশনের কাছে পাঠানোর পর তা বাস্তবায়ন করা হবে।

রিকশার পাশাপাশি বাস চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, ঈদের আগে যত্রতত্র বাস থামানো এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যত্রতত্র যাতে বাস থামাতে না পারে, যত্রতত্র যেখান সেখান থেকে যাতে যাত্রী উঠাতে না পারে-এটাও একটা সিস্টেমে আনতে হবে।

আব্দুস সালাম বলেন, পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কিছু সময় দেওয়া হয়েছে এবং এখন পরিবহন ব্যবস্থাকেও একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ চলছে। আশা করি, কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা পদ্ধতির মধ্যে চলে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

নগরীর যানজট ও অব্যবস্থাপনার জন্য শুধু প্রশাসন বা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী না করে নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ারও আহ্বান জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য, সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ নগর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।

এদিকে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

মীর শাহে আলম বলেন, এ নীতিমালা সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রমের ফলে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া
সংসদীয় আসন ঢাকা-১৭-এর আওতাধীন মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৮টায় কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে এ প্রশিক্ষণ ও মহড়া শুরু হয়। অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলা, জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম এবং দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের বিষয়ে সচেতনতা ও জনসাধারণের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মহড়ার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও বস্তিবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আয়োজিত এ মহড়ায় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবহারিক কৌশল প্রদর্শনের পাশাপাশি তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মহড়ায় প্রথমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার চিত্র প্রদর্শনের পর আকস্মিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের একটি কৃত্রিম পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। জরুরি সংবাদ পাওয়ার পরপরই তেজগাঁও ও কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের অগ্নিনির্বাপণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম শুরু করে। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে আহত ও বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানোর কার্যক্রমও প্রদর্শন করা হয়। অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমের সমন্বয় ও পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে একটি কমান্ড পোস্ট স্থাপন করা হয়। পরিস্থিতি মূল্যায়ন, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, অগ্নিনির্বাপণ কৌশল প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জরুরি সাড়াদান কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরা হয়। মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের সরাসরি প্রশিক্ষণে সম্পৃক্ত করা। এ সময় বস্তিবাসীদের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার, আগুন লাগলে প্রাথমিক করণীয় এবং এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগলে তা নিরাপদে নিয়ন্ত্রণের ব্যবহারিক কৌশল শেখানো হয়। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন, দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের সহযোগিতা করার বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট, গ্যাস সিলিন্ডারের অসতর্ক ব্যবহার ও রান্নার চুলা থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। মহড়া শেষে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বস্তির বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা পরিদর্শন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক গণসংযোগ পরিচালনা করেন। এ সময় আগুনসহ যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা পেতে হটলাইন নম্বর ১০২-এ যোগাযোগের বিষয়ে প্রচার চালানো হয়। পাশাপাশি বস্তির বিভিন্ন স্থাপনায় ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ১০২-সংবলিত স্টিকার লাগানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়, যাতে জরুরি প্রয়োজনে তাঁরা সহজেই নম্বরটি শনাক্ত করতে ও ব্যবহার করতে পারেন। মহড়ায় নেতৃত্ব দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক জনাব মো. ছালেহ উদ্দিন, বিএফএম (বার)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকার সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান, জোন কমান্ডার জনাব মো. তানহারুল ইসলাম, জনাব ফয়সলুর রহমান ও জনাব মো. আব্দুল মান্নানসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শীত ও শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বিবেচনায় কড়াইল বস্তিতে পরিচালিত এ মহড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে। জনসাধারণকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলার মাধ্যমে নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল নগর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আরটিভি/টিআর
মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া
পিএসসির ছাদে বসছে সৌর প্যানেল
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে ভবনের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ পূরণের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
পিএসসির ছাদে বসছে সৌর প্যানেল
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
ঢাকাতে কেনাকাটার প্রয়োজনে হয়তো প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি অবশ্যই জানা থাকা জরুরি। তা না হলে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
সোনারগাঁও হোটেল ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে পৃথক সময়ে এ দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হোটেলের এক নম্বর গেটের সামনের রাস্তায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এদিন  রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের ৩ নম্বর গেটের সামনের সড়কেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটে। তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ১ নম্বর গেটের সামনের সড়কে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, পল্টন থানার ডিউটি অফিসার এএসআই সমাজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা পুলিশ লাইনসের ৩ নম্বর গেটের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। আরটিভি/টিআর
সোনারগাঁও হোটেল ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
আরও পড়ুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে ১ টাকা জরিমানা, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
সোনারগাঁও হোটেল ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?