ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

এটা আত্মহত্যা নয়, সরকার তদন্ত করলে অপরাধীরা বেরিয়ে আসবে: তাহসিফের বাবা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আমার ছেলের মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা (সুইসাইড) নয়। সরকার তদন্ত করলে এর সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের বের করতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির বাবা।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ময়নাতদন্তের পর ছেলের মরদেহ বুঝে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গের সামনে সাংবাদিকের এ কথা জানান তিনি।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে আজ বেলা ২টা ২০ মিনিটে লাশ গ্রহণ করেন কে এম এনায়েতুল করিম। পরে মরদেহ ফ্রিজিং ভ্যানে উত্তরার বাসায় নেওয়া হয়।

মর্গে এনায়েতুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার আগের দিন তাহসিফ তার মায়ের সঙ্গে ছিল। শপিং করেছে, হ্যাপি মুডে ছিল। সে তো অ্যাসেট। দেশের পাইলট। ওর দ্বীপ নামের একটা বন্ধু এসেছিল। মাকে বলেছিল নিচ থেকে কথা বলে আসছি। এরপরে আর ফেরে নাই।

এনায়েতুল করিম আরও বলেন, রাত ১টা ৩৫ মিনিটে তাহসিফ তার মাকে ভয়েস মেসেজ দিয়েছিল, আমি আসতেছি। এরপর আর আসেনি। দ্বীপের কাছে তাহসিফের ব্যাপারে জানতে চাইলে সে বলে, আমি জানি না। তবে দ্বীপ বলেছিল, ঘটনার আগের দিন রাত ১২টা পর্যন্ত তাহসিফ আমাদের বাসার কম্পাউন্ডে ছিল।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নে তিনি বলেন, আত্মহত্যার তো প্রশ্নই আসে না, সে অত্যন্ত ‘প্লেজেন্ট পার্সোনালিটির’ একজন মানুষ। আর একজন কমিশনড অফিসার তো অনেক কষ্ট করে তাকে এটা অর্জন করতে হয়। সে বিভিন্ন কোর্স করে তারপরে...এরকম একজন অফিসার…এরকম কোনো ব্যাপার ছিল না।

তিনি বলেন, হত্যা করা হয়েছে, তাকে নিয়ে নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে আমি সাসপেক্ট করি।

আজ দুপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে তাহসিফের লাশের ময়নাতদন্ত করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাসাত জাবিন। তিনি বলেন, তাহসিফের অঙ্গ–প্রত্যঙ্গের কিছু নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা যাবে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ‘ভিডিও ধারণকারী’ হিসেবে আলোচনায় থাকা বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল।

এর আগে, বুধবার বিকেলে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি। তার বাসা উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের রাজউক অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ‘করবী’ ভবনে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাজধানীতে গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, সেই কিশোরের জামিন মঞ্জুর
রাজধানীর বারিধারায় দ্রুতগতির প্রাইভেটকার চাপায় নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের (২৪) মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার ১৭ বছর বয়সি কিশোরের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ এর বিচারক মো. আবদুল মোক্তাদির দুই হাজার টাকার মুচলেকায় এই জামিনের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন মামুন জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, শুনানিকালে কিশোরটির পক্ষে তার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন জানান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ওই কিশোরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান-১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে হাজির করা হলে তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক মেহেদী হাসান মিম। এ সময় একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে তাকে পিষে দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর পরই চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরকে উপস্থিত জনতা হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে তার চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে সেই মামলায় গাড়ি চালক হিসেবে আকাশ মারক নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হলেও গাড়ির চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।  এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হলে ২৩ সেপ্টেম্বরই গুলশান থানা পুলিশ ওই কিশোরকে পুনরায় নিজেদের হেফাজতে নেয়। আরটিভি/এসআর
রাজধানীতে গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, সেই কিশোরের জামিন মঞ্জুর
তাহসিফের জানাজা সম্পন্ন, উত্তরায় দাফন
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির জানাজা রাজধানীর উত্তরায় সম্পন্ন হয়েছে। 
তাহসিফের জানাজা সম্পন্ন, উত্তরায় দাফন
মৃত্যুর আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে হাত মেলান তাহসিফ, আরও যা জানা গেল
রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক সামরিক পাইলট ও কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা চলছে দেশ জুড়ে। রহস্যজনক এই মৃত্যু ঘিরে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মৃত্যুর আগে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে হাত মেলান তাহসিফ, আরও যা জানা গেল
তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতের বর্ণনা দিলেন দ্বীপ
নিখোঁজের পর বিমানবাহিনীর বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিখোঁজের সন্ধ্যায় কি ঘটেছিল তার বর্ণনা দিয়েছেন শাহরিয়ার দ্বীপ নামের এক জুনিয়র।  দেশের একটি জাতীয় দৈনিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দ্বীপ বলেন, আমার বাইক এবং উনার বাইক একই মডেলের। তো উনার বাইকটা অকেজো হয়ে পড়েছিল। যেহেতু আমার সেম মডেলের বাইক আছে এবং আমি আমার বাইক খুবই মেইনটেন্যান্স করে রাখি।  ‘আমি জানি যে কখন কী করতে হবে, ইঞ্জিন অয়েল কীভাবে কী চেঞ্জ করতে হবে। তো তাকে আমি ওর বাইকটা স্টার্ট নিতে সাহায্য করি এবং আমরা একসঙ্গে উত্তরার একটা ওয়ার্কশপে যাই। ওইখানে গিয়ে তার বাইকের ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করে। আরও বেশ কিছু বিষয় ছিল সেগুলা কমপ্লিট করে আমরা আবার এপার্টমেন্ট প্রজেক্টে ফেরত আসি।  তিনি বলেন, সেখান থেকে একটা রেস্টুরেন্টে যাই। আমরা দুইজন মিলে ডিনার করি। আমি বের হয়ে আমার বাসার দিকে চলে আসি, উনি আরেক দিকে চলে যান। আমি স্পেসিফিকভাবে জানি না আসলে উনি কোন কাজে কোন দিকে চলে গিয়েছিলেন। তাহসিফের সঙ্গে কতক্ষণ ছিলেন; এমন প্রশ্নের জবাবে দ্বীপ বলেন, আমার সঙ্গে আসলে উনি অনেকক্ষণ ছিলেন। তবে বাইকের কাজে প্রায় এক-দেড় ঘণ্টার মতো ছিলাম। তার সঙ্গে আমার... মোস্ট প্রোবাবলি সময় খেয়াল নেই, তবে তার সঙ্গে আমার দেখা রাত ৯টার দিকে। আর আমি যখন বাসার দিকে চলে আসি, তখন ১১:৩০টা থেকে ১২টার মতো বাজে। তিন ঘণ্টার মতো। তার মধ্যে দুই ঘণ্টাই আমরা ওয়ার্কশপে ছিলাম।’ তাহসিফের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের বর্ণনা দিয়ে দ্বীপ বলেন, উনি আমার বয়সে সিনিয়র। আমার খুবই কাছের একজন বড় ভাই ছিলেন। এমনও হয়েছে, আমরা সপরিবারে তাদের বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছি। নৌপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায় গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তাহসিফের পরনে ছিল সাদা পায়জামা ও কালো পাঞ্জাবি। হাতে ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন থাকায় তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় তার খালাতো বোন পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুললেও, ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আরটিভি/এসআর
তাহসিফের নিখোঁজ হওয়ার রাতের বর্ণনা দিলেন দ্বীপ
তাহসিফকের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পরিবার
বিমানবাহিনীর বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির একটি দল রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তাহসিফের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বা স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মানতে নারাজ তার পরিবার। এ ঘটনায় তার পরিবার জানাল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এনেছে। নিহত তাহসিফের পরিবারের দাবি, রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস এলাকায় মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে তাহসিফ সৌরিকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দীর্ঘদিন আহত অবস্থায় ছিলেন। তবে প্রথম দফায় ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় দফায় নিখোঁজের পরদিন তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমের কাছে কাছে এমন অভিযোগ করেন তাহসিফের স্বজনরা। নিহত তাহসিফ সৌরি তুরাগের রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের করবী ভবনের কে এম এনায়েতুল করীম হেলালের বড় ছেলে। তারা তিন ভাই বোন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তাহসিফ সৌরি ছিলেন সবার বড়। এর আগে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশের সঙ্গে সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির নাম আলোচনায় এসেছিল। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ নিশ্চিত করেনি। এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গত বছরের ৪ আগস্ট জানিয়েছিল, কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়াই এবং সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম অনুসরণ করে ভিন্ন একটি প্রেক্ষাপটে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফকে অবসরে পাঠানো হয়েছিল। নৌপুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায় গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তাহসিফের পরনে ছিল সাদা পায়জামা ও কালো পাঞ্জাবি। হাতে ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন থাকায় তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় তার খালাতো বোন পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুললেও, ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আরটিভি/এসআর
তাহসিফকের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পরিবার
আরও পড়ুন
তাহসিফের জানাজা সম্পন্ন, উত্তরায় দাফন
যেভাবে পরিচয় শনাক্ত হলো শেখ হাসিনার ভিডিও প্রকাশকারীর মরদেহের
শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও প্রকাশ করা সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের মরদেহ উদ্ধার!
পদ্মায় নিখোঁজ দুজনের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার, অভিযান অব্যাহত