
খুলনার পাইকগাছায় নদীর চরে ভাসমান অবস্থায় রানা খলিফা (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে দেলুটি ইউনিয়নের জিরবুনিয়া স্লুইসগেট-সংলগ্ন নদীর চরে মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পাইকগাছা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সবুর হোসেন জানান, সকালে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে জিরবুনিয়া স্লুইসগেটের মুখে নদীর চরে উপুড় অবস্থায় ক্ষত-বিক্ষত মরদেহটি উদ্ধার করি। মৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর। তার পরনের প্যান্টের পকেট থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, একটি চার্জার ও একটি প্লাস উদ্ধার করা হয়।
রানার ভাবি ঝুমুর খলিফা জানান,গত ১৪ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে রানা ফোনে কল পায়। সে জানায়, ইকরাম দাদা ফোন দিয়েছে। পরে আবারও কল আসে। গোসল করে ভাত খেয়ে বাইরে যাওয়ার সময় আমি জিজ্ঞেস করি কোথায় যাচ্ছ? রানা বলে ইকরাম দাদা, শাহিনকে নিয়ে সোহাগের কাছে যাবো। পরদিন বিকেল ৫টার দিকে ফোনে জানায়, সে বটিয়াঘাটায় আছে এবং সঙ্গে আছে ইকরাম, শাহিন, সোহাগ ও রাজু।
তিনি আরও জানান, রানা পুলিশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতো। ইকরাম শহীদ ইকবাল বিথা হত্যা মামলার আসামি। বাকিরা (শাহিন, রাজু, সোহাগ) অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের সঙ্গে রানার শেষ দেখা যাওয়ায় আমাদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যা।
রানার বড় ভাই আসাদুজ্জামান খলিফা, রাসেল খলিফা, রাজীব খলিফা ও ভাবি ঝুমুর খলিফা বলেন রানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নৌ পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সবুর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হওয়ায় মরদেহটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
আরটিভি/এএএ




