
ইজিবাইক এবং অটোরিকশার আকস্মিক ধর্মঘটে সমস্যায় পড়ে শতশত পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ধর্মঘটের ঘোষণায় জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রদল দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার।
কলেজ ছাত্রদলের পনেরো থেকে বিশ নেতাকর্মী বাইক সার্ভিস দেয়, তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে শহরের আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্র এবং সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের পৌঁছে দিতে থাকে।
রোববার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত তারা এ বাইক সার্ভিস দেয়।
জানা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক সম্মান ২য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। রোববার দুপুর ১টায় পরীক্ষা থাকার বিষয়টি মাথায় রেখে শনিবার রাতেই সিদ্ধান্ত নেয় সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রদল।
এ বিষয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন স্বপন জানান, গত সপ্তাহে ইজিবাইক দুর্ঘটনায় এই কলেজের দুইজন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ইজিবাইক এবং অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছি। এরপর ইজিবাইক চালকরা পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে আজ সকাল থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়।
তিনি জানান, রাতে ইজিবাইক চালকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করেও না পেয়ে রাতেই জরুরি মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেই বাইক সার্ভিস দেয়ার।
আশেক মাহমুদ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার বায়েজিদ বলেন, একটি পিকআপ ভ্যান নিজ খরচে দিয়েছি এবং নিজে বাইক সার্ভিস দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ছাত্রদল সবসময়ই পাশে ছিলো, ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে। ইতিমধ্যে এ নিয়ে ছাত্রদলের প্রশংসা করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শহরের সাধারণ মানুষ এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করছেন। তারা বলছেন, সংকটকালে তরুণদের এমন উদ্যোগই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দেয়।
আরটিভি/এফএ




