ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

স্থানীয়রা উদ্যোগী হলে পাড়াবনের মতো আরও বনাঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব  

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:০৭ পিএম
ছবি: বাসস

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার পাবলাখালী মৌজায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করছেন স্থানীয় পাড়াবাসী। যেখানে অনেক জায়গায় বনজ সম্পদ নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে, সেখানে এই পাড়াবাসী ৭০০ একরের বেশি এলাকা জুড়ে গড়ে তুলেছেন এক অনন্য বন সংরক্ষণ উদ্যোগ।

বিশিষ্টজনদের মতে পাড়াবন বা মৌজাবন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এক ‘রোল মডেল’ হয়ে উঠতে পারে। তাদের মতে, দেশের পার্বত্য জেলাসহ বনাঞ্চলে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্যোগী হলে দেশের জীববৈচিত্র্য ও বন সংরক্ষণ করা সহজ হবে। যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে একসময় প্রচুর বন, গাছগাছালি থাকলেও এখন আর তা নেই। প্রচুর গাছ কাটা ও বন উজাড় শুরু হয়েছে বহু আগে থেকে। তবুও অনেক এলাকায় গ্রামবাসী নিজেদের প্রচেষ্টায় কিছু বন রক্ষা করে চলেছেন। যাকে বলা হয় ভিলেজ কমন ফরেস্ট (ভিসিএফ) বা পাড়াবন বা মৌজা বন। যা একটি নির্দিষ্ট এলাকার গ্রামবাসীরা সংরক্ষণ করেন। তেমনি একটি বন হচ্ছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা পাবলাখালী মৌজাবন। যার আয়তন প্রায় ৭০০ একর।

জীববৈচিত্র্য ও বন রক্ষায় ইউএনডিপির অর্থায়নে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহায়তায় কাজ করছে এলাকাবাসী। এটি দেশের বন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি ‘রোল মডেল’ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করে সহায়ক কর্তৃপক্ষ।

গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এই মৌজা বন থেকে গাছ ও বাঁশ কাটা এবং পশুপাখি শিকার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো ব্যক্তি চুরি করে গাছ বা বাঁশ কাটলে এবং পশুপাখি শিকার করলে তাকে গ্রামের আইন অনুযায়ী শাস্তি বা দণ্ড পেতে হবে। বন রক্ষায় তারা সরকারি-বেসরকারি সব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করেন।

তারা জানান, এই বনে রয়েছে ৬টি ছড়া ও অসংখ্য নালা। আছে গর্জন, গামাঢ়ী, সিভিট, লম্বু, তেলসুর, চাপালিশ, বন, জলপাই, উড়ি, আম, খুদে জাম, হরতকি, বহেরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ। বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ, বন মোরগ, ভালুক, শূকর, ময়না, টিয়াসহ নানা প্রজাতির পাখির অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে এই বন। এসব বন রক্ষা করায় সুফল পাচ্ছেন তারা। বন আছে বলেই বনের পাশে ছড়া, নালাগুলোতে পানির প্রবাহ আছে। তাই জমি চাষাবাদ করাও সহজ হয়ে উঠেছে। এসব বন থেকে পানি আহরণ করেই এলাকার খাবার পানি সংরক্ষণ করা হয়। জানা যায়, খাগড়াছড়িতে এরকম আরও ৫৯টি পাড়াবন বা মৌজা বন রয়েছে।

পাবলাখালী এলাকার বাসিন্দা অজিত বরন চাকমা জানান, এই বন শুধু পরিবেশ নয়, জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। তারা প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও জীবনের প্রয়োজনের তাগিদে জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু রক্ষার জন্য কাজ করছে। আর এ প্রয়োজনের তাগিদ থেকেই খাগড়াছড়ি দীঘিনালার পাবলাখালী মৌজার প্রায় ৭০০ একর বন রক্ষায় কাজ করছে এলাকাবাসী।

খাগড়াছড়ির সাংবাদিক রূপায়ণ তালুকদার বলেন, বনের ভেতর ছড়া, ঝরনা আর গাছের পরিমাণ দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। যেখানে মানুষ হাজার হাজার একর বনজঙ্গল কেটে ব্যক্তিগত লাভের জন্য ফলজ বাগান সৃজন করছেন, সেখানে দীঘিনালার পাবলাখালী পাড়াবাসীরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু রক্ষায় বন সংরক্ষণের জন্য কাজ করছেন। এটি সত্যিই অনুকরণীয় ও প্রশংসাযোগ্য।

তিনি বলেন, পাড়াবনে পাহাড়ি ছড়া ও ঝরনার পানি আশেপাশের কৃষিজমিতে সরবরাহ করায় পাহাড়ি জমিতে কৃষিকাজ করা সহজ হয়েছে। এলাকার বন রক্ষায়ও তারা কঠোর নিয়ম মেনে চলে। সারাদেশে বনাঞ্চলে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশের বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিপ্লব ঘটবে। তিনি এই উদ্যোগ সারাদেশের জন্য ‘রোল মডেল’ হতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংহ্লামং চৌধুরী বলেন, ৭০০ একর জুড়ে এই পাড়াবনে চারটি বড় বড় ছড়া ও অনেক গিরি-ঝিরি ও ঝরনা রয়েছে। এসব নালা, গিরি-ঝিরির পানির প্রবাহও খুবি আশাব্যঞ্জক। এখানে অনেক বিরল প্রজাতির মাতৃগাছ আছে। বন রক্ষায় সবাই এগিয়ে আসলে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী তৈরি করা সম্ভব।

খাগড়াছড়ি বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা বলেন, খাগড়াছড়ি জেলায় অনেকগুলো পাড়াবন আছে। এগুলো বায়োডাইভার্সিটি কনজারভেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীঘিনালা উপজেলার পাবলাখালী পাড়া বনটি খুবই সমৃদ্ধ এবং পাড়াবাসী এটা সংরক্ষণের জন্য আন্তরিক। সবার প্রচেষ্টায় পাড়াবনগুলো সংরক্ষিত হয়, পাবলাখালীরটাও এরকম।

তিনি বলেন, এই পাড়াবনগুলো রক্ষার জন্য খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এই বন রক্ষা করার জন্য যদি বন বিভাগের সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, বন বিভাগ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তবে দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের বন উজাড় হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে যে বন আছে তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন স্থানীয়রা। তারা জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগে নতুন নতুন বন সৃষ্টি করার দাবি জানান। সূত্র: বাসস

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের ৫ সদস্য আটক
কুড়িগ্রাম শহরের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে কু‌ড়িগ্রাম থেকে রংপুরগামী একটি মিনি বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শহরের কলেজমোড়সহ একাধিক জায়গায় নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের পোস্টার সাঁটানো হয়। খবর পেয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযানে নামে থানা ও ডিবি পুলিশ। পরে বিকেলে খলিলগঞ্জ বাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে রংপুরগামী একটি মিনিবাসের গতিরোধ করে ভেতরে থাকা সন্দেহভাজন পাঁচ তরুণকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন- জাবের আল রাফিয়ান (৩০), সাকিবুল হাসান (২৪), শামীম হোসেন (২৫), ফাহমিদ হাসান (৩৪) এবং মাহমুদুর রহমান (২৫)। তাদের বাড়ি যশোর, ঢাকা, লক্ষ্মীপুর, নাটোর ও মাদারীপুরে। আরও পড়ুন সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যকে বিদায় জানালেন পর্যটকরা পুলিশ জানায়, পোস্টার সাঁটানোর স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আটক তরুণদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে এসে হিযবুত তাহরীরের প্রচারণামূলক পোস্টার সাঁটাচ্ছিলেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি সন্ধ্যায় আটকের কথা স্বীকার করে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দায় স্বীকার করেছে। আটকদের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/এমএ
নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের ৫ সদস্য আটক
সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যকে বিদায় জানালেন পর্যটকরা
পশ্চিমে হেলে পড়েছে লাল সূর্য। সাগরের বালুচরে বসানো চেয়ারে (কিটকট) সেই সূর্যের অপরূপ রূপ উদাস দৃষ্টিতে দেখছেন কেউ। কেউ আবার বালুচরে দাঁড়িয়ে সূর্যকে পেছনে রেখে ছবি তোলায় ব্যস্ত। আজ বছরের শেষ দিনের সূর্যাস্ত উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটকের সমাগম হয়েছে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।  লাল-কমলা আভায় রাঙানো আকাশ ও সাগরের মিলন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত ছিলেন ভ্রমণপিপাসুরা। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে টুরিস্ট পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল থেকেই সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট, লেম্বুর বন ও আশপাশের এলাকায় দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন আশানুরূপ পর্যটক না হলেও হতাশ নয় তারা। যশোর থেকে আসা একজন পর্যটক বলেন, মঙ্গলবার রাতে কুয়াকাটায় এসেছি থার্টি ফার্স্ট নাইট উপভোগের জন্য। সূর্যোদয় কুয়াশার কারণে দেখতে না পেলেও সূর্যাস্ত একদম স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি। কুয়াকাটা আসা সার্থক হয়েছে। আরও পড়ুন ইউপি সদস্য কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার কুমিল্লা থেকে আসা একজন পর্যটক বলেন, প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন নগরীগুলোতে গিয়ে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন করে থাকি, তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর কুয়াকাটায় আসলাম এবং বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপভোগ করলাম। তবে ভালো লাগতো আজ রাতে নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে উৎসব করতে পারলে কিন্তু সেটি করার সুযোগ নেই। কারণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক চলছে। এদিকে পর্যটকদের আগমনে ব্যস্ত সময় পার করছে হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। হোটেল মালিকরা জানান, অধিকাংশ আবাসিক হোটেল গুলো ৫০ শতাংশের বেশি বুকিং হয়ে যায়। খাবারের দোকান, হস্তশিল্প ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরাও ভালো বিক্রির আশা করছেন। তবে শতভাগ পর্যটক না হওয়ার কথাও জানান অনেক ব্যবসায়ী। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, আমরা আশা করেছিলাম থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কুয়াকাটায় আশানুরূপ পর্যটক থাকবে। তবে আশানুরূপ পর্যটক না হলেও ৬০ শতাংশ পর্যটক রয়েছে কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, পুরান বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রতি বছরই পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল নামে। কিন্তু এবছরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন, এর কারণ হতে পারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে কিছু পর্যটক কম হয়েছে। তবে সামনের দিকে আশা করছি কুয়াকাটায় আরও বেশি পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়বে। এ বিষয়ে টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও টুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সৈকতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন, লাইফগার্ড টিম প্রস্তুত রয়েছে। তাছাড়াও সাদা পোশাকেও একাধিক টিম মাঠে রয়েছে। সর্বোপরি কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। আরটিভি/এমএ
সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যকে বিদায় জানালেন পর্যটকরা
ইউপি সদস্য কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিস্ফোরক মামলায় মহাদান ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সেঙ্গুয়া বাজার এলাকায় নিজ দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মহাদান গ্রামের শওকত আলী চাঁন মুন্সির ছেলে মাহবুবুর রহমান ওই ইউনিয়নের কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং  ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে গত ২ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে সরিষাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইনের ৩/৪ ধারা এবং দণ্ডবিধির ১৪৩/১৪৭/১৪৯/৩২৩/১১৪ ধারায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়েরকৃত ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় । ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই তিনি পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরও পড়ুন ১৭০ টাকা হারানোর জেরে ভাতিজিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ​গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি নাশকতার মামলার একজন সন্দিগ্ধ আসামি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে  আদালতে পাঠানো হবে। আরটিভি/এমএ
ইউপি সদস্য কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার
১৭০ টাকা হারানোর জেরে ভাতিজিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ১৭০ টাকা হারানোর জেরে ভাতিজী লামিয়া আক্তারকে (১৪) শাবল দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে চাচা জাকির হোসেন খানকে বিরুদ্ধে।  মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার আওরাবুনিয়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটেছে।  আরও পড়ুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসান মারা গেছেন নিহত লামিয়া আক্তার অভিযুক্তের বড় ভাই ফারুক খানের সৎ মেয়ে এবং উত্তর চরাইল হাসেমিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার পরে এলাকাবাসী অভিযুক্ত জাকির হোসেন খানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তারা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, পকেট থেকে ১৭০ টাকা খোয়া যাওয়াকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে লামিয়ার মা লিলি বেগমকে মারধর শুরু করে অভিযুক্ত চাচা জাকির। বিষয়টি দেখতে পেয়ে লামিয়া মাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাকেও শাবল দিয়ে এলোপাথিারি পেটায়। এতে মা-মেয়ে গুরুতর আহত হয়ে পরলে স্বজনরা তাদেরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে রাতেই চিকিৎসকরা লামিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। মা লিলি বেগম বর্তমানে তিনি শেবাচিমে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের মোহাম্মদ রায়হান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাকির কে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এফএ
১৭০ টাকা হারানোর জেরে ভাতিজিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসান মারা গেছেন
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মারা যান।  মাহমুদুল হাসান এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাজধানীতে নিজ বাসায় বার্ধক্যজনিত কারণে বর্ষীয়ান এ রাজনীতিক মৃত্যুবরণ করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান। তিনি রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।  রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০১২ সালের উপ-নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আরটিভি/এফএ
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসান মারা গেছেন
আরও পড়ুন
ইরানে ইউনেস্কো স্বীকৃত বনাঞ্চলে ভয়াবহ আগুন
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে খাগড়াছড়িতে বড় নিয়োগ
খাগড়াছড়িতে বাস উল্টে নিহত ২
খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা স্থায়ীভাবে অপসারিত