
গাজীপুরের শ্রীপুরে পাচারের সময় ৮০ বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ। প্রতি বস্তায় বিএডিসির লোগোসহ ৫০ কেজি ইউরিয়া সার রয়েছে। এ সময় পাচারের কাজে ব্যবহৃত ট্রাকও জব্দ করা হয়।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত জব্দ সারের মালিককে পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
এর আগে, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নিজ মাওনা গ্রামের (মাক্কির মোড়) থেকে ৮০ বস্তা সারসহ ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ন ১৯১৮২৬) আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে সারসহ ট্রাক আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
শ্রীপুর থানাধীন চরকপাড়া গ্রামের মাওনা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, ট্রাকটি দ্রুত বেগে যেতে থাকলে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা আটক করে। পরে সারের বস্তার উপরে নীল পলিথিন সরিয়ে ট্রাকে বিএডিসির লোগো যুক্ত অবস্থায় সার দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ নিজ মাওনা গ্রামের (মাক্কির মোড়) থেকে ৮০ বস্তা সারসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেখানে গিয়ে সারের কোন মালিক পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, নিজ মাওনা বাজারের আফির উদ্দিনের মালিকানাধীন মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে সারগুলো ট্রাকে লোড করা হয়। চালক ট্রাক নিয়ে পাশের টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার তকতারচালা এলাকায় নিয়ে যাচ্ছিল। ইউরিয়া সারের ওইসব বস্তায় বিএডিসি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, ডাই অ্যামোনিয়া ফসফেট (ডিএপি) লেখা রয়েছে। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি ইউরিয়া সার রয়েছে। পুলিশ আসার খবরে ট্রাক চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা বলেন, স্থানীয় জনতা গাড়ি আটক করার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে সারসহ ট্রাক জব্দ করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। সারসহ ট্রাক পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজে আমরা অভিযান চালিয়েছি। সেখানে যে পরিমাণ সার মজুদ থাকার কথা তা মজুদ আছে। এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। সারের মালিক পাওয়া না গেলে আটক সারগুলো নিলামে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে টাকা জমা রাখা হবে। সার কোথা থেকে এসেছে তা তদন্ত চলছে।
আরটিভি/এমএ




