ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে চা কারখানার জমি দখলের অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সামনে গ্রাম পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চা কারখানার জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের এক গ্রাম পুলিশ (দফাদার)। ঘটনার পর ৯৯৯–এ ফোন করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের মূর্খাগছ এলাকায় অবস্থিত পঞ্চবর্ণ টি কোম্পানিতে এই ঘটনা ঘটে ।

চা কারখানার পরিচালক নবির উদ্দিন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিন বুধবার পঞ্চবর্ণ টি কোম্পানির কারখানায় শালিসি বৈঠকের আয়োজন করেন। বৈঠকে গ্রাম পুলিশ দফাদার সেকেন্দার আলী ও তিনজন ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে চেয়ারম্যান ঘোষণা দেন, বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কয়েক দিন ওই জমিতে চা কারখানা কর্তৃপক্ষ ও সেকেন্দার আলীর পরিবার কেউই প্রবেশ করবেন না।

চেয়ারম্যানের ওই ঘোষণার পরপরই গ্রাম পুলিশ সেকেন্দার আলী তার পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ৫০–৬০ জনকে সঙ্গে নিয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষকে হুমকি দেন। এরপর আতঙ্ক সৃষ্টি করে চা কারখানার প্রায় ১০ শতক জমিতে টিনের বেড়া দিয়ে দখল নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা প্রশাসন ও থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ সময় গ্রাম পুলিশ সেকেন্দার আলী গ্রাম পুলিশের পোশাক পরিহিত অবস্থায় জমিটি নিজের দাবি করে টিনের বেড়া দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চা কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম পুলিশ সেকেন্দার আলীর বক্তব্য নিতে যান। সাংবাদিকদের ক্যামেরা দেখে সেকেন্দার আলী মোটরসাইকেল নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে পালিয়ে যান।

ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিন বলেন, দুই পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে আমি শালিসি বৈঠকে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আমার সামনেই দফাদার উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। আমি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহিন খসরুকে জানিয়েছি। দফাদার সেকেন্দার আলী অন্যায় করেছেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে ইউএনওর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে গ্রাম পুলিশের লাঠিসোঁটা নিয়ে জমি দখলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ সেকেন্দার আলীকে তখন পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
পঞ্চগড়ের মেঘমুক্ত আকাশে উঁকি দিচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা
পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়েই ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মসজিদগুলোকে দলীয় কার্যালয় বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
বিএসএফের বড় অপচেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি