ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আরটিভিতে প্রতিবেদন প্রচার, নগদ অর্থ ও হুইলচেয়ার পেলেন রাহেলা

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আরটিভিতে প্রতিবেদন প্রচারের পর নগদ অর্থ ও একটি নতুন হুইলচেয়ার পেয়েছেন দীর্ঘ ৩০ বছর সাজাভোগ করার পর কারামুক্ত নওগাঁর আত্রাইয়ের রাহেলা।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. আলাউল ইসলামের পক্ষ থেকে আহসানগঞ্জ ইউনিয়নের দিঘা গ্রামের রাহেলার বোনের বাড়িতে গিয়ে তাকে এসব পৌঁছে দেওয়া হয়।

এর আগে, রাহেলা অসহায়ত্ব নিয়ে আরটিভিতে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, দীর্ঘ ৩ দশক ধরে কারাবন্দি ছিলেন আত্রাই উপজেলায় দিঘা গ্রামের রাহেলা । কারাভোগের এই দীর্ঘ সময়ে রেহেলার জীবনে নেমে আসে চরম নিঃসঙ্গতা। কারাগারের চার দেয়ালের মধ্যেই মারা যান তার বাবা-মা। ৩০ বছরের সাজা শেষ হলেও শেষ রক্ষা হয়নি রাহেলার। কারাগারের লোহার গেট পেরিয়ে বাইরে এলেও রাহেলার জীবনে এখনও অনিশ্চয়তা- নেই পরিবার, নেই ঠিকানা। আছে শুধু দীর্ঘ বন্দিজীবনের স্মৃতি। এখন তিনি রয়েছেন তার বোনের বাড়ি দিঘাতে। সেখানে নেই কোনো ঘর। আশ্রয় মিলেছে আঙিনার বারান্দায় ছোট্ট এক ঘরে।

আর আরটিভির এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেই সংবাদের সূত্র ধরে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন ইউএনও শেখ মো. আলাউল ইসলাম।

ইউএনও শেখ মো. আলাউল ইসলাম জানান, সংবাদটি দেখার পরপরই তিনি রাহেলার জন্য কিছু করার তাগিদ অনুভব করেন। পরবর্তীতে কিছু আর্থিক সহায়তা ও একটি আধুনিক হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করেন তিনি। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

এ ছাড়া রাহেলার জন্য বাসস্থান এবং বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

স্থানীয়রা মনে করছেন গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকা এবং এমন সামাজিক দায়বদ্ধতা অসহায় মানুষের অন্ধকার জীবনে আশার আলো জ্বালাতে পারে।

আরটিভি/এমএইচজে/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ভাঙাভাঙি ছাড়াই পুরোনো বাড়ি হবে আধুনিক, জানুন সহজ কৌশল
ভ্রাম্যমাণ আদালতে কৃষককে সাজা, ইউএনও বদলি
ইরানের ১৩৯ বন্দির মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করলেন খামেনি
ঈদ উপলক্ষে ৪ কয়েদির সাজা মওকুফ