ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল স্কুলছাত্রীর মরদেহ

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
নিহত বৃন্তিকা প্রমী। ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বৃন্তিকা প্রমী (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রীর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২২ মার্চ) বিকেলে মঠবাড়িয়া দক্ষিণ বন্দর হাসপাতালের পিছনের রোডে ভাড়া বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত বৃন্তিকা প্রমী উপজেলার শাখারীকাঠি গ্রামের শিক্ষক দম্পতি বিপুল কৃষ্ণ হাওলাদার ও কেয়া রায়ের মেয়ে। সে স্থানীয় কে এম লতিফ ইনস্টিটিউশনের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, বাবা-মা সকালে প্রমীকে বাসায় রেখে তুষখালী ইউনিয়নে একটি অনুষ্ঠানে যান। সেখান থেকে ফেরার পরে দরজা বন্ধ পেয়ে অনেক ডাকাডা‌কির পরেও না খুললে, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে প্রমীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠা‌নো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সেই কালো রাতে যেমন ছিল স্কুলছাত্রী তাজমিনের গতিবিধি
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঘটনার রাতে বাবার মোবাইলে নিজের অবস্থানের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল সে। কিন্তু এরপর কী ঘটেছিল, কীভাবে নির্জন ধানক্ষেতে পৌঁছাল সে—সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা।
সেই কালো রাতে যেমন ছিল স্কুলছাত্রী তাজমিনের গতিবিধি
নোয়াখালীতে এসিড গিলে যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীর সেনবাগে দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে রাসায়নিক পদার্থ (এসিড) পান করে দোলন কুমার বণিক (৩০) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
নোয়াখালীতে এসিড গিলে যুবকের মৃত্যু
বিজিবিকে ফাঁকি দিয়ে ভারতে চলে যাচ্ছিলেন দুই বাংলাদেশি, অতঃপর...
কী উদ্দেশ্যে তারা ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন কিংবা এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিজিবিকে ফাঁকি দিয়ে ভারতে চলে যাচ্ছিলেন দুই বাংলাদেশি, অতঃপর...
এখন প্রেমপত্র আসে না, আসে শুধু তালাকপত্র!
একসময়ে একটি চিঠি বা একটি টেলিগ্রামের জন্য তীর্থের কাকের মতো বসে থাকতো পত্র প্রাপকরা। প্রিয়জনের লেখা একটি চিঠি হাতে পাওয়ার আনন্দে কেটে যেতো সব কষ্ট। পত্র প্রেরকরাও ছুটতেন ডাকঘর গুলোতে। প্রতিদিন ডাকঘরের ডাকবাক্স খুলে যাচাই-বাছাই করে সেই ডাক নিয়ে শহর-নগর, গ্রাম-গঞ্জের পাড়া- মহল্লায় ছুটতেন ডাক পিয়ন ও রানাররা। চিঠিপত্র বা ডাক নিয়ে এখন আর সেই কর্ম ব্যস্ততা নেই ডাকঘরগুলোতে। পথঘাটহীন, ঝাড়-জঙ্গলে খোঁজে পাওয়া গেল ময়মনসিংহের গৌরীপুরের অধিকাংশ শাখা ডাকঘর। সব ডাকঘরেই ঝুলছে তালা। এ দিকে এসব পোস্ট অফিসে আসে শুধুমাত্র সরকারি-বেসরকারি নিয়োগপত্র, মামলা সংক্রান্ত চিঠিপত্র। কোনো পোস্ট অফিসে বছরে একটি প্রেমপত্রও আসার খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রত্যেকটি পোস্ট অফিসে প্রতি মাসে ১২ থেকে ২০টি তালাকপত্র আসার খবর পাওয়া গেছে। সরেজমিনে, উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের ভূটিয়ারকোনা ডাকঘরটি খোঁজে পাওয়া গেল এক জঙ্গলের ভেতরে। পাশে উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদ থাকলেও এ ডাকঘরে যাওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট রাস্তা নেই।  স্থানীয়রা জানান, পোস্ট মাস্টার কবে এসেছেন, তারা কেউ দেখেন নাই। পোস্ট অফিসের দরজায় আগাছার আখড়া, সামনে গোচারণ ভূমি হওয়ায় আছে গোবর-আবর্জনা এবং পরগাছায় ভরপুর।  ওপর একটি ডাকঘর কিল্লাতাজপুর। বাজার বা জনগণের কথা বিবেচনা না করে পোস্ট মাস্টারের দেওয়া জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে। একই অবস্থা দেখে গেছে অচিন্তপুর ইউনিয়নের মুখুরিয়া, মইলাকান্দা ইউনিয়নের লামাপাড়া ও ভবানীপুর। রামগোপালপুর ইউনিয়নের ভবানীপুরের জমিদার এ পোস্ট অফিসের শাখা চালু করেন। তবে একটি নির্ধারিত স্থানে নেই। বোকাইনগর ইউনিয়নে স্থানান্তর হলেও এলাকাবাসী এ নামের ডাকঘর চেনেন না। রামগোপালপুর, পাছারবাজার, শাহগঞ্জ ও বীরআহাম্মদপুর ডাকঘরেও গিয়ে তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রত্যেকটি পোস্ট অফিসে সৌরবিদ্যুৎ, কম্পিউটার, ল্যাপটপ থাকলেও সেবা কার্যক্রম নেই। পাছার পোস্টার মাস্টার মো. আতাউর রহমান জানান, তিনি ১৯৯১ সাল থেকে এ ডাকঘরে আছেন। এক সময় খুব কদর ছিল। গ্রামের ছেলে মেয়েদের নিকট থেকে বকশিসও পাওয়া যেত। চিঠি পেয়েই দৌড় মারতো। সেই দিন এখন আর নেই।  মোবাইলে এসব শেষ হয়ে গেছে।  তিনি আরও জানান, গত মাসে ১৪টি তালাকনামা এসেছে। আদালতের চিঠি, এনজিওর চিঠি এসেছে। কিন্তু গত ২-৩ বছরের মধ্যে একটি প্রেমপত্র আসে নাই। লামাপাড়া পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, এসব ইলেকট্টনিক্স সামগ্রী দেওয়ার পরপরই নষ্ট হয়ে গেছে।  ভবানীপুর পোস্ট মাস্টার মহসিন মাহমুদ শাহ জানান, সব ইলেকট্টনিক্স সামগ্রী নষ্ট। তাই এগুলো অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।  পাছার ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মো. আতাউর রহমান জানান, আমাদের বেতনভাতা নামকাওয়াস্তে। আমরা পাই ৪ হাজার ৪৬০ টাকা, পিয়ন পান ৪ হাজার ৩৫৪ টাকা আর রানার পান ৪ হাজার ১৭৭ টাকা। তারপরেও সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে গৌরীপুর প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলা পোস্ট অফিসে প্রতি মাসে ৮০ টাকা অফিস খরচ, যা দিয়ে স্টেপলারের পিন কেনা সম্ভব হয় না। বাজেট বরাদ্দ না থাকায় আমরাও সেইভাবে কাজ করতে পারছি না।  তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে উপজেলার ১৪টি শাখা পোস্ট অফিস ও উপজেলা পোস্ট অফিসে প্রায় ১৬০ থেকে ১৮০টি তালাকপত্র আসে। যা বছরে ২ হাজারের অধিক হবে। বিয়ে বিচ্ছেদের বিষয়টা গৌরীপুরে বেড়ে যাচ্ছে। গত নভেম্বরে এ পোস্ট অফিসে যোগদানের পর কোনো তরুণ-তরুণীর নামে কোনো চিঠি (প্রেমপত্র) আসতে দেখি নাই। আরটিভি/টিআর
এখন প্রেমপত্র আসে না, আসে শুধু তালাকপত্র!
খুন হওয়ার আগে বাবার মোবাইলে যে মেসেজ পাঠিয়েছিল তাজমিন
কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৪) হত্যার ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে ক্রমশ।
খুন হওয়ার আগে বাবার মোবাইলে যে মেসেজ পাঠিয়েছিল তাজমিন
আরও পড়ুন
মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল তাজমিনের সঙ্গে, ধরা পড়ল সিসিটিভি ফুটেজে
রাতে বাবাকে লাইভ লোকেশন, সকালে মিলল কিশোরীর মরদেহ
রাতে নিখোঁজ, সকালে সড়কের পাশে মিলল যুবকের মরদেহ
স্বামীকে রেখে গেলেন অফিসে, বাসায় ফিরে স্ত্রীর ‘চোখ কপালে’